ঢাকা, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
অবৈধ পুশইন-পুশব্যাকের বিপক্ষে বাংলাদেশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের সীমান্তে অবৈধভাবে মানুষ ঠেলে পাঠানো বা ফেরত পাঠানোর যে কোনো উদ্যোগের বিরোধিতা করছে সরকার বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেছেন, বৈধ প্রক্রিয়া অনুসরণ ছাড়া কোনো ধরনের পুশইন বা পুশব্যাক গ্রহণযোগ্য নয়।
মঙ্গলবার (২ জুন) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিভিন্ন সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে কথা বলেন তিনি।
পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সীমান্ত দিয়ে পুশইনের ঘটনা বেড়েছে বলে যে অভিযোগ উঠেছে, সে বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, সরকার বিষয়টি সম্পর্কে অবগত রয়েছে এবং সীমান্তে বিজিবি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ কোনো ধরনের অবৈধ পুশইন বা পুশব্যাক সমর্থন করে না। তবে যদি কোনো বাংলাদেশি নাগরিক অন্য দেশে অবস্থান করে থাকেন এবং তাদের জাতীয় পরিচয় যাচাইয়ের মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট দেশের কেন্দ্রীয় সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে তালিকা পাঠালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আইনগত পুনর্বাসন বা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে। বর্তমানে এ ধরনের কোনো বিষয় সরকারের কাছে ঝুলে নেই বলেও জানান তিনি।
চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান নিয়ে প্রশ্ন করা হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অভিযানের কৌশল আগেভাগে প্রকাশ করা হবে না। কারণ এতে উদ্ধার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান ব্যাহত হতে পারে। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি খাসজমিতে বসবাসরত সাধারণ মানুষকে উচ্ছেদ করার পরিকল্পনা নেই। তবে ভবিষ্যতে সেখানে সরকারি স্থাপনা নির্মাণের প্রয়োজন হলে পরিস্থিতি অনুযায়ী পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ওই এলাকায় কোনো সন্ত্রাসী চক্রের আস্তানা থাকতে দেওয়া হবে না।
আদ্-দ্বীন হাসপাতালের ঘটনায় পোস্টমর্টেম ছাড়া মামলা পরিচালনায় জটিলতা তৈরি হতে পারে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পোস্টমর্টেম না হলে বিচারিক প্রক্রিয়ায় আসামিপক্ষ সুবিধা পেতে পারে। তাই এ ধরনের ঘটনায় যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা জরুরি। প্রয়োজন হলে দাফনের পরও লাশ উত্তোলন করে ময়নাতদন্ত করা সম্ভব বলে উল্লেখ করেন তিনি।
শীর্ষ সন্ত্রাসীদের জামিন পাওয়া নিয়ে উদ্বেগের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে শীর্ষ বা ক্ষুদ্র সন্ত্রাসী বলে আলাদা কোনো শ্রেণি নেই। কেউ অপরাধে জড়িত থাকলে আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জামিন দেওয়া আদালতের এখতিয়ার, আর আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো তাদের নিজস্ব দায়িত্ব পালন করবে।
এদিকে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটি দীর্ঘদিনের সমস্যা। একদিনে এর সমাধান সম্ভব নয়। তবে পরিকল্পিতভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাজ চলছে এবং এলাকাটি বিশেষ নজরদারির আওতায় রয়েছে। তিনি আরও জানান, মাদক নিয়ন্ত্রণ আইন সংস্কারের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে, যাতে এ ধরনের অপরাধ আরও কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৩ সেপ্টেম্বর)
- প্রজ্ঞাপনের আগে পে স্কেলের বেতন তালিকা
- পে স্কেল নিয়ে নতুন বিজ্ঞপ্তি দিল অর্থ মন্ত্রণালয়
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স চতুর্থ বর্ষের ফল আজ
- ফের কমল স্বর্ণের দাম, ভরিতে ৭১১৫ টাকা
- জেনে নিন একাদশ-আলিমে ভর্তির আবেদন পদ্ধতি
- সাত কলেজের অনার্স চতুর্থ বর্ষের ফরম পূরণ স্থগিত
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বশেষ রিলিজ স্লিপের ফল প্রকাশ
- জুলাই থেকেই কার্যকর নতুন পে স্কেল, বকেয়া পাবেন যেভাবে
- হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষে ৪৩ জনের চাকরির সুযোগ
- শিক্ষক নিয়োগ দেবে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি
- আজ ঢাকায় সর্বোচ্চ লোডশেডিং, কোন এলাকায় কত
- এসএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের জন্য বড় সুখবর
- আজকের খেলার সময়সূচি (৩১ আগস্ট)
- নবম পে-স্কেল অনুমোদন, বেতন বাড়ল কত