ঢাকা, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২
অবসরে গেলেন আপিল বিভাগের বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান
নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের বিচার বিভাগের উচ্চতম পর্যায়ে দীর্ঘ পথচলার ইতি টানলেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান। সাংবিধানিক বয়সসীমা অনুযায়ী আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ৬৭ বছর পূর্ণ হওয়ায় তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে অবসর গ্রহণ করছেন। তাঁর এই বিদায়ের মধ্য দিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে এখন বিচারপতির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে পাঁচ জনে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার ছিল তাঁর কর্মজীবনের শেষ দিন। প্রথা অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ও অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের পক্ষ থেকে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায়ী সংবর্ধনা দেওয়া হয়। প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে আপিল বিভাগের পাঁচ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চের উপস্থিতিতে এই অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। বর্তমানে আপিল বিভাগে দায়িত্বরত বাকি পাঁচ বিচারপতি হলেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, বিচারপতি মো. রেজাউল হক, বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক এবং বিচারপতি ফারাহ মাহবুব।
বিদায় অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আরশাদ উর রউফ এবং সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন বিচারপতির দীর্ঘ আইনি ক্যারিয়ার ও নিষ্ঠার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে বক্তব্য দেন। জাবাবে বিচারপতি আসাদুজ্জামান বিচার বিভাগের মর্যাদা রক্ষায় বার ও বেঞ্চের পারস্পরিক সখ্যের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, ‘বার ভালো হলে বেঞ্চ ভালো হবে। বেঞ্চ ভালো হলে কোর্ট ভালো হবে। অনেক সময় কোনো বিচারকের আদেশ কারও মনঃপূত নাও হতে পারে। এজন্য উচ্চ আদালত রয়েছে। কিন্তু এজন্য বিচারকের সঙ্গে কোনোভাবেই অসদাচরণ করা যাবে না।’
বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানের জন্ম ১৯৫৯ সালের ১ মার্চ নওগাঁর সাপাহার উপজেলায়। তাঁর পিতা এম এ সামাদ ছিলেন একজন প্রথিতযশা আইনজীবী। পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৮৩ সালে ঢাকা জেলা বারে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর ১৯৮৫ সালে হাইকোর্ট এবং ২০০১ সালে আপিল বিভাগে প্র্যাকটিস শুরু করেন।
তাঁর বিচারিক কর্মজীবন শুরু হয় ২০০৩ সালের ২ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগে অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে যোগদানের মাধ্যমে। ২০০৫ সালে তিনি একই বিভাগের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হন এবং সবশেষ ২০২৫ সালের ২৫ মার্চ আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে পদোন্নতি পান। বর্ণাঢ্য এই ক্যারিয়ার শেষে আজ তিনি সম্মানজনক অবসরে গেলেন।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ: রেজাল্ট দেখুন এক ক্লিকে
- ইবতেদায়ি বৃত্তির ফল প্রকাশ: মোট বৃত্তি পেল ১১ হাজার ১৮০ জন শিক্ষার্থী
- ঢাবিতে স্নাতক ফলাফলের ভিত্তিতে বৃত্তি, যারা আবেদন করতে পারবেন
- ঢাবি উপাচার্য পদের আলোচনায় দুই নারী শিক্ষক
- কে হচ্ছেন ঢাবির পরবর্তী উপাচার্য, আলোচনায় ৬ অধ্যাপকের নাম
- ফ্যামিলি কার্ডের জন্য যেভাবে আবেদন করবেন
- সুপার এইটে পাকিস্তান বনাম ইংল্যান্ড, যেভাবে লাইভ দেখবেন
- বিএসইসি'র বাঁধা, ডিভিডেন্ড দিতে পারছে না তালিকাভুক্ত কোম্পানি
- পুলিশে ১০ হাজার কনস্টেবল নিয়োগ: আবেদনের যোগ্যতা ও নিয়মাবলী
- হঠাৎ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ঢাকা
- হেটমায়ারের ঝড়ে কপাল পুড়ল জিম্বাবুয়ের, গড়ল রেকর্ড
- সেশনজটমুক্ত ক্যাম্পাস গড়তে ঢাবির যুগান্তকারী ‘লস রিকভারি প্ল্যান’
- চলছে বাংলাদেশ বনাম ভারতের জমজমাট ম্যাচ: খেলাটি সরাসরি দেখুন
- জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল কাল, সহজে দেখবেন যেভাবে
- জানুন জুনিয়র বৃত্তিতে মাসিক ও বার্ষিক ভাতার পরিমাণ