ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩
কেমন হবে তারেক রহমানের মন্ত্রিসভা? জল্পনা তুঙ্গে
নিজস্ব প্রতিবেদক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে দুই দশক পর রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা হিসেবে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আর এই নতুন সরকারকে ঘিরে এখন সবার মনে একটিই প্রশ্ন—কেমন হবে তারেক রহমানের আগামীর মন্ত্রিসভা?
দলীয় সূত্র এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তারেক রহমানের এবারের মন্ত্রিসভা হবে প্রবীণদের অভিজ্ঞতা এবং তরুণদের উদ্দীপনার এক অনন্য সংমিশ্রণ। এছাড়া কেবল একটি নির্দিষ্ট এলাকা নয়, বরং সারা দেশের মানুষের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে মন্ত্রিসভায় বিশেষ ‘আঞ্চলিক ভারসাম্য’ রাখতে চায় বিএনপি।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এবং ড. আব্দুল মঈন খানের মতো বর্ষীয়ান নেতাদের নাম মন্ত্রিসভার জন্য সবার আগে আলোচনায় রয়েছে। তবে একটি অংশ মনে করছে, এই হেভিওয়েট নেতাদের মধ্য থেকে কাউকে বঙ্গভবনের পরবর্তী অভিভাবক বা রাষ্ট্রপতি হিসেবে দেখা যেতে পারে।
এছাড়া বিএনপির স্থায়ী কমিটির প্রভাবশালী সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সালাহউদ্দিন আহমদ, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনকে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে দেখা যেতে পারে বলে গুঞ্জন রয়েছে। সাবেক মন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, বরকতউল্লাহ বুলু এবং আ ন ম এহসানুল হক মিলনের মতো অভিজ্ঞদেরও মন্ত্রিসভায় ফেরার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।
তারেক রহমানের আগামীর রূপরেখায় তারুণ্যকে বিশেষ প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। সেক্ষেত্রে বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, ঢাকা দক্ষিণ সিটি নির্বাচনে সাড়া জাগানো ইশরাক হোসেন এবং ড. রেজা কিবরিয়ার নাম বিভিন্ন মহলে আলোচিত হচ্ছে। সরকারের নীতিনির্ধারণী বা কৌশলগত অবস্থানে থাকতে পারেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দায়িত্বে থাকা নজরুল ইসলাম খান এবং রুহুল কবির রিজভী।
ঐকমত্যের সরকার গঠন বা সহযোগিতার অংশ হিসেবে জোটের শরিক দলগুলোর নেতাদেরও মন্ত্রিসভায় স্থান পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এক্ষেত্রে ববি হাজ্জাজ, ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ এবং নুরুল হক নুরের নাম আলোচনায় আছে। এছাড়া আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রশাসন গড়তে টেকনোক্র্যাট কোটায় মাহদী আমিন এবং হুমায়ুন কবিরের মতো বিশেষজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
জাতীয় সংসদের অভিভাবক বা স্পিকার হিসেবে বিএনপির সিনিয়র আইনজীবী ও সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীনের নাম সবচেয়ে বেশি শোনা যাচ্ছে।
বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল ও শপথ গ্রহণের পর দ্রুততম সময়ে একটি দক্ষ ও জনবান্ধব মন্ত্রিসভা গঠন করা হবে, যা ‘৩১ দফা’ রাষ্ট্র সংস্কার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করবে।
এসপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ১১তম মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
- ঢাবির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক সিরাজুল হক আর নেই
- ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা
- চলতি মাসে টানা চার দিনের ছুটির সুযোগ
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাপানি ভাষা বিষয়ক `NAT-Test`সেবা চালুর লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১১ সেপ্টেম্বর)
- প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে ৫৩৮ জন নিয়োগ, আবেদন শুরু ১৫ সেপ্টেম্বর
- মব হেনস্তার প্রতিবাদে ঢাবির ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রত্যাখ্যান তাহসিনের
- ছবিতে সাফল্য আর বাস্তবে সংগ্রাম, প্রবাস জীবনের অদেখা গল্প
- নটর ডেম কলেজের একাদশের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
- পে-স্কেলের গেজেট কেন প্রকাশ হচ্ছে না, জানা গেল রহস্যময় তথ্য
- এসএসসি পুনর্নিরীক্ষণের ফল আজ, জানা যাবে ৩ উপায়ে
- দুই মন্ত্রীর দায়িত্ব বাড়াল সরকার
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১২ সেপ্টেম্বর)
- যে কারণে বিলম্ব হচ্ছে পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ