ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২

যুক্তরাষ্ট্রের সেনা মোতায়েনের জবাবে ইরানের বড় শক্তি প্রদর্শন

২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৫ ১১:০৫:৩৯

যুক্তরাষ্ট্রের সেনা মোতায়েনের জবাবে ইরানের বড় শক্তি প্রদর্শন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক উত্তেজনার আবহে নিজেদের সামরিক সক্ষমতা আরও এক ধাপ সামনে নিয়ে গেল ইরান। মাটির নিচে নির্মিত নতুন একটি মিসাইল ঘাঁটির আনুষ্ঠানিক উন্মোচন করেছে দেশটির ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান টানাপোড়েনের মধ্যেই বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) এই তথ্য জানানো হয়।

ঘাঁটি উন্মোচনের সময় উপস্থিত ছিলেন ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান আব্দুল রহমান মৌসাভি এবং বিপ্লবী গার্ডের এরোস্পেস বিভাগের প্রধান সায়েদ মাজেদ মৌসাভি। তাদের উপস্থিতিতে ভূগর্ভস্থ এই স্থাপনার কার্যক্রম ও সক্ষমতা পর্যালোচনা করা হয়।

এসময় উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তারা বিপ্লবী গার্ডের মিসাইল প্রস্তুতি, পরিচালন কৌশল এবং যুদ্ধকালীন সক্ষমতা সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন। পাশাপাশি অন্যান্য কমান্ডারদেরও সর্বশেষ প্রস্তুতি সম্পর্কে অবহিত করা হয়।

সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান আব্দুল রহমান মৌসাভি বলেন, শত্রুপক্ষের যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় ইরান সম্পূর্ণ প্রস্তুত। তিনি জানান, গত বছরের জুনে ইসরাইলের সঙ্গে ১২ দিনের সংঘাতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ইরান তার সামরিক কৌশলে বড় পরিবর্তন এনেছে। প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান থেকে সরে এসে এখন আক্রমণাত্মক কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে, যাতে দ্রুত ও বৃহৎ পরিসরে অভিযান চালানো সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, ইরান বর্তমানে অসম যুদ্ধ কৌশল এবং প্রতিপক্ষের সামরিক পরিকল্পনা ভেঙে দেওয়ার পদ্ধতিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এই কৌশলের মাধ্যমেই ভবিষ্যৎ যেকোনো সংঘাতে জবাব দেওয়া হবে।

এদিকে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরানের আশপাশে যুদ্ধজাহাজসহ ব্যাপক সেনা মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। একইসঙ্গে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা শুরুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও, সমাধান না এলে সামরিক হামলার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন।

তবে ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি স্পষ্ট করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানে হামলা চালায়, তবে তার প্রভাব শুধু একটি দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না বরং তা পুরো অঞ্চলে যুদ্ধ পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে।

ইএইচপি

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন