ঢাকা, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২
কী আছে এপস্টেইন ফাইলে? কেন এত হইচই বিশ্বজুড়ে?
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রে যৌন অপরাধী ও ধনাঢ্য ব্যবসায়ী জেফরি এপস্টেইনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কিত নথি, যাকে ‘এপস্টেইন ফাইলস’ বলা হচ্ছে, মার্কিন রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।
গত কয়েক মাস ধরে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর এই ফাইল প্রকাশের চাপ ক্রমশ বেড়েছে। এমনকি রিপাবলিকান পার্টির ভেতর থেকেও স্বচ্ছতার দাবি উঠেছে। দীর্ঘ সময় গোপন রাখার বিরোধিতা করার পর অবশেষে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নরম সুরে সাড়া দিয়েছেন।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রে জেফ্রি এপস্টেইনের মানি-লন্ডারিং ও যৌন অপরাধ সংক্রান্ত তদন্তে ব্যবহৃত ৩০ লাখের বেশি পৃষ্ঠার নথি প্রকাশ করা হয়।
জেফ্রি এপস্টেইনের অপরাধের ইতিহাস দীর্ঘ ও বিতর্কিত। ২০০৮ সালে ফ্লোরিডার পাম বিচে তার বাড়িতে এক কিশোরীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে প্রথম তদন্ত শুরু হয়। প্রভাব খাটিয়ে তিনি প্রসিকিউটরদের সঙ্গে আপিল চুক্তি করে বড় সাজা থেকে বাঁচলেও যৌন অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত হন।
১১ বছর পর, তিনি পুনরায় অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের দিয়ে যৌন ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে গ্রেফতার হন। বিচারের অপেক্ষায় থাকা অবস্থায় ২০১৯ সালে কারাগারে রহস্যজনকভাবে তার মৃত্যু হয়, যা পরবর্তীতে আত্মহত্যা বলে ঘোষণা করা হয়। দীর্ঘ তদন্তে ভুক্তভোগীদের সাক্ষ্য এবং এপস্টেইনের বিভিন্ন সম্পত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নথি ও ইমেইল সংগ্রহ করা হয়, যা এখন ‘এপস্টেইন ফাইলস’ নামে পরিচিত।
এনথিসহ নথিপত্রে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নামও এসেছে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য ও ব্যক্তিগত যোগাযোগের কারণে। তবে ট্রাম্প দাবি করেছেন, ২০০৮ সালের আগে তিনি এপস্টেইনের সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করেছিলেন এবং কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড জানতেন না।
হাউস ওভারসাইট কমিটির ডেমোক্র্যাটরা সম্প্রতি প্রকাশ করেছেন কিছু ইমেইল, যেখানে এপস্টেইন ও তার সহযোগী গিসলাইন ম্যাক্সওয়েলের মধ্যে আদান-প্রদান দেখা গেছে। ২০১১ সালের একটি ইমেইলে ট্রাম্পের নাম উল্লেখ ছিল, যেখানে এপস্টেইন জানিয়েছিলেন যে এক ভিক্টিম তার বাড়িতে ট্রাম্পের সঙ্গে সময় কাটিয়েছে। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ওই ভিক্টিম হলেন ভার্জিনিয়া গিফ্রে।
তবে মৃত্যুর আগে গিফ্রে নিজেই জানিয়েছিলেন, তিনি ট্রাম্পকে কোনো অপরাধমূলক কাজে জড়িত দেখেননি। প্রকাশিত ফাইল ও ইমেইলগুলোতে ট্রাম্পের সরাসরি অন্যায়ের প্রমাণ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। ট্রাম্পও বারবার জানিয়েছেন যে এপস্টেইনের অন্ধকার জগতের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক ছিল না। এই ফাইল প্রকাশের পর আরও কত প্রভাবশালীর নাম প্রকাশ পাবে, সেটিই এখন প্রধান প্রশ্ন।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ইপিএস প্রকাশ করেছে বিডি থাই ফুড
- ইপিএস প্রকাশ করেছে কনফিডেন্স সিমেন্ট
- ইপিএস প্রকাশ করেছে সোনালী পেপার
- ইপিএস প্রকাশ করেছে শাহজীবাজার পাওয়ার
- ইপিএস প্রকাশ করেছে এপেক্স ট্যানারি
- ইপিএস প্রকাশ করেছে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস
- ইপিএস প্রকাশ করেছে ইজেনারেশন
- ইপিএস প্রকাশ করেছে আনোয়ার গ্যালভানাইজিং
- ইপিএস প্রকাশ করবে ৫৮ কোম্পানি
- ইপিএস প্রকাশ করেছে সাফকো স্পিনিং
- ইপিএস প্রকাশ করেছে বিকন ফার্মাসিউটিক্যালস
- নতুন জাতীয় দৈনিকে ক্যারিয়ার গড়ার বড় সুযোগ
- ইপিএস প্রকাশ করেছে সিলকো ফার্মা
- ইপিএস প্রকাশ করেছে ইন্দো-বাংলা ফার্মা
- ইপিএস প্রকাশ করেছে ইনটেক