ঢাকা, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৫ মাঘ ১৪৩২
‘চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেট বন্ধ না হলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়’
নিজস্ব প্রতিবেদক: সাধারণ মানুষ চাঁদাবাজি, সিন্ডিকেট ও দুর্নীতির কারণে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও জীবনযাত্রা নিয়ে উদ্বিগ্ন। এ অবস্থা চললে সরকারি নীতি কার্যকর হলেও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে না।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে পাবলিক ইন্টিগ্রিটি নেটওয়ার্ক (পাইনেট) আয়োজিত ‘দ্রব্যমূল্য ও ভোটার ভাবনা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব মন্তব্য করেন। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল লতিফ মামুন, আর প্রধান প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এইচ এম মোশাররফ হোসেন।
আলোচনা সভায় পাইনেটের আহ্বায়ক নাজমুল হাসানের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন বাসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী সাধারণ সম্পাদক রাজেকুজ্জামান রতন, ক্যাবের নির্বাহী কমিটির সদস্য মোহা. শওকত আলী খান, জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম সদস্য সচিব জয়নাল আবেদীন শিশির, অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব সালেহা আফরোজ, সম্মিলিত নারী প্রয়াসের সেক্রেটারি ড. ফেরদৌস আরা খাতুন (বকুল), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. জোবায়ের আহমেদ, অপরাজিতা বিডির সম্পাদক আকলিমা ফেরদৌসী এবং রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদারুল ভুঁইয়া।
বক্তারা বলেন, ১৭ বছরের শাসনকালে মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগেছে। মানুষ এখনো দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পাচ্ছে না। চাঁদাবাজি, সিন্ডিকেট ও দুর্নীতি বন্ধ না হলে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের সকল প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে।
রাজেকুজ্জামান রতন বলেন, বাংলাদেশে ভোক্তা মানে ভুক্তভোগী। নিত্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তের জন্য বোঝা হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু বিলাসবহুল পণ্যের ক্ষেত্রে ক্ষতি নেই। এমপিরা ব্যবসা করলে স্বচ্ছভাবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় না।
শওকত আলী খান বলেন, বাজার মনিটরিং সত্ত্বেও বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার সিন্ডিকেট ভাঙতে ব্যর্থ হয়েছে। সিন্ডিকেট না ভাঙলে দ্রব্যমূল্য কমানো সম্ভব নয়।
ড. জোবায়ের আহমেদ বলেন, সরকারের একার প্রচেষ্টায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়, আমলাদের স্বচ্ছতা ও রাজনৈতিক উদ্যোগ অপরিহার্য। অপরাজিতা বিডির সম্পাদিকা আকলিমা ফেরদৌসী বলেন, নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তের আয়-ব্যয়ের ভিত্তিতে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব সালেহা আফরোজ বলেন, কৃষিপণ্য উৎপাদনে মনোযোগ দিলে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। ড. শাব্বির আহমেদ বলেন, বেতন বৃদ্ধির পাশাপাশি চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেট বন্ধ না হলে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়বে না। রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদারুল ভুঁইয়া বলেন, হকারদের চাঁদাবাজি মুক্ত করলে কম মূল্যে পণ্য সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাবে।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- কী আছে এপস্টেইন ফাইলে? কেন এত হইচই বিশ্বজুড়ে?
- শব-ই-বরাতের গুরুত্ব ও আমল
- শুরু হচ্ছে ‘অদম্য বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি কাপ’, স্কোয়াড ও সূচি ঘোষণা
- ইপিএস প্রকাশ করেছে এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ
- আজকের নামাজের সময়সূচি (৩ ফেব্রুয়ারি)
- ঢাবির ১৯ শিক্ষার্থী পেলেন ‘টিএফপি ক্রিয়েটিভ এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’
- আজকের নামাজের সময়সূচি (৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬)
- দেশের প্রথম বিটিসিএল এমভিএনও সিম চালু
- ১০০ টাকা প্রাইজ বন্ডের ১২২তম ড্র অনুষ্ঠিত, জেনে নিন বিজয়ী নম্বরগুলো
- টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬: জেনে নিন সরাসরি দেখার উপায়
- জুলাই শহীদের বোনের দেওয়া উপহারে অশ্রুসিক্ত মির্জা ফখরুল
- কে এই কু'খ্যাত জেফ্রি এপস্টেইন?
- এভারকেয়ারে বিশেষ ছাড়ে চিকিৎসা পাবেন ঢাবি অ্যালামনাই সদস্যরা
- ঢাবির 'বি' ইউনিটের পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, পরিবর্তন ৮ জনের
- গ্রামীণফোনের ২১৫ শতাংশ ফাইনাল ডিভিডেন্ড ঘোষণা