ঢাকা, রবিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২

শহীদ জিয়ার জন্মদিনে দেশব্যাপী কর্মসূচি বিএনপির

২০২৬ জানুয়ারি ১৮ ১৬:৫২:০২

শহীদ জিয়ার জন্মদিনে দেশব্যাপী কর্মসূচি বিএনপির

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। ১৯ জানুয়ারি (সোমবার) দিনটি ঘিরে দেশব্যাপী নানা কর্মসূচি পালন করবে দলটি।

রোববার (১৮ জানুয়ারি) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরেন।

জিয়াউর রহমান ১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাগমারা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতার কেন্দ্রে অধিষ্ঠিত হন। পরবর্তীতে ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠা করেন, যা তার নেতৃত্বে তিনবার রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়।

রিজভী জানান, জন্মবার্ষিকীর দিন ১৯ জানুয়ারি বেলা ১১টায় শেরেবাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করবেন।

তিনি আরও জানান, কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনে অর্থাৎ ২০ জানুয়ারি বেলা ১১টায় কাকরাইলের ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দের পাশাপাশি দেশের বিশিষ্টজনেরা বক্তব্য রাখবেন।

এছাড়া ১৯ জানুয়ারি উপলক্ষে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশের দলীয় কার্যালয়গুলোতে দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। একই দিনে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে জেলা, মহানগর, উপজেলা, থানা ও ইউনিট পর্যায়ে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক বাণীতে শহীদ জিয়ার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, শহীদ জিয়া ছিলেন এক স্বপ্নদ্রষ্টা রাষ্ট্রনায়ক—মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক, মুক্তিযুদ্ধে জেড ফোর্সের অধিনায়ক এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী দর্শনের প্রবক্তা।

ফখরুল আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য জিয়াউর রহমান ‘বীর উত্তম’ খেতাবে ভূষিত হন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ হানাদার বাহিনীর গণহত্যার বিরুদ্ধে তিনি সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন এবং ২৬ মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।

বাণীতে উল্লেখ করা হয়, স্বাধীনতাউত্তর সময়ে গণতন্ত্র যখন সংকটে পড়েছিল, তখন ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক সৈনিক-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে শহীদ জিয়া রাষ্ট্রক্ষমতায় আসেন এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও সামাজিক ন্যায়বিচার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখেন।

ফখরুল বলেন, জিয়াউর রহমান কৃষি বিপ্লব, গণশিক্ষা কার্যক্রম, শিল্প উৎপাদন বৃদ্ধি এবং সেচ ব্যবস্থার আধুনিকায়নের মাধ্যমে দেশকে স্বনির্ভর করার ভিত্তি গড়ে তোলেন। তার উদ্যোগে স্বল্প সময়ে ৪০ লাখ মানুষ সাক্ষরতার আওতায় আসে এবং সারাদেশে ১৪০০ খাল খনন ও পুনঃখনন করা হয়।

এমজে/

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত

আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১৮ জানুয়ারি)

আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১৮ জানুয়ারি)

নিজস্ব প্রতিবেদক: আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবে দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও বড় ধরনের উল্লম্ফন দেখা গেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) বুধবার (১৪... বিস্তারিত