ঢাকা, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
আফগান মেয়েদের পাকিস্তানে পড়ার অনুমতি
ডুয়া ডেস্ক : আফগানিস্তানের তালেবান সরকার শর্তসাপেক্ষে আফগান নারীদের পাকিস্তানে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের অনুমতি দিয়েছে। এই অনুমতির আওতায় নারীদের পুরুষ অভিভাবক বা মাহরাম সঙ্গে নিয়ে পাকিস্তানে যেতে হবে।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তালেবান গত শনিবার এই ঘোষণা দেয় এবং ওই দিন পাকিস্তানে আফগান শিক্ষার্থীদের প্রবেশিকা পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ওই পরীক্ষায় আফগান শিক্ষার্থীরা পাকিস্তানের বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক, স্নাতকোত্তর এবং ডক্টরাল প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য অংশ নেন। পাকিস্তানে বসবাসরত আফগান শরণার্থীরা পেশোয়ার ও কোয়েটায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন, অন্যদিকে আফগানিস্তানের শিক্ষার্থীদের জন্য আগামী দিনে অনলাইনে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ থাকবে।
পাকিস্তানের বিশেষ দূত মোহাম্মদ সাদিক জানান, প্রায় ২১ হাজার আফগান শিক্ষার্থী পাকিস্তানের আল্লামা ইকবাল স্কলারশিপ প্রোগ্রামে আবেদন করেছেন, যাদের মধ্যে হাজারেরও বেশি নারী শিক্ষার্থী রয়েছে। পাকিস্তানের উচ্চশিক্ষা কমিশন (এইচইসি) ২ হাজার শিক্ষার্থীকে বাছাই করবে, এর এক-তৃতীয়াংশ স্থান নারী শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।
এছাড়া, পাকিস্তান সরকারের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, তালেবানের শর্তাবলি এবং আফগান আইন মেনে চলার জন্য পাকিস্তান অভিভাবকদের ভিসা দেওয়ার বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে, তালেবান আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।
এই সিদ্ধান্তটি তালেবানের নারী অধিকার সম্পর্কিত নীতির প্রতি বিশ্বব্যাপী সমালোচনার মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। জাতিসংঘ তালেবানের নীতিকে “লিঙ্গ বৈষম্য” হিসেবে বর্ণনা করেছে, যদিও তালেবান নিজেদের নীতিকে ইসলামিক আইন এবং আফগান সংস্কৃতির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ বলে দাবি করে।
এদিকে, সম্প্রতি টাইমস সাময়িকী পাকিস্তানের ৪৭টি বিশ্ববিদ্যালয়কে সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় স্থান দিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ইসলামাবাদের কায়েদে-ই-আজম বিশ্ববিদ্যালয় এবং আরও অনেক বিশ্ববিদ্যালয়।
উল্লেখ্য, ২০২১ সালে তালেবান আফগানিস্তানে ক্ষমতায় ফিরে আসার পর থেকে নারীদের শিক্ষা ব্যবস্থা অনেকটাই সীমিত হয়ে গেছে। ২০২১ সালে মেয়েদের হাইস্কুলে যাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়, এবং ২০২২ সালে নারীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগও বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর ফলে আফগানিস্তান এখন বিশ্বের একমাত্র দেশ যেখানে নারী শিক্ষার ওপর এত কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ১১-২০ গ্রেডের নিয়োগ পরীক্ষায় নতুন মানবণ্টন
- ঢাবির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক সিরাজুল হক আর নেই
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৪ সেপ্টেম্বর)
- নব্বইয়ের দশকের রেট্রো ছবি বানাবেন যেভাবে, জেনে নিন ১০ AI প্রম্পট
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৬ সেপ্টেম্বর)
- মেসির দুই সহায়তাতেও আটলান্টার সঙ্গে ড্র ইন্টার মিয়ামির
- ‘সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন বিলটি কোরআন-সুন্নাহর সঙ্গে সাংঘর্ষিক’
- ফেল বিরোধীদলের ওয়াকআউট
- পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ নিয়ে সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
- ‘ছয় মাসে জুলাই সনদের একটি অক্ষরও বাস্তবায়ন করেনি বিএনপি’
- ফের বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ল
- ঢাবিতে গ্রিন নেক্সাস কর্মসূচি সমাপ্ত
- মেসির ১০ নম্বর জার্সি কি অবসর নিতে পারবে?
- শুক্রবার ঢাকার যেসব মার্কেট-দোকানপাট বন্ধ
- ব্যালন ডি’অর ২০২৬-এর ৩০ ফুটবলারের তালিকা প্রকাশ