ঢাকা, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩
রাশিয়া জ্বালানি ইস্যুতে নতুন কূটনৈতিক নাটক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনা বন্ধের আশ্বাস দিয়েছেন বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে নয়াদিল্লি। ভারত স্পষ্ট করে বলেছে যে, অস্থির জ্বালানি বাজারে ভারতীয় ভোক্তার স্বার্থ রক্ষা করাই সবসময় তাদের অগ্রাধিকার। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতির বরাত দিয়ে দেশটির সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বিবৃতিতে বলেছেন, ভারত তেল ও গ্যাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ আমদানিকারক দেশ। অস্থির জ্বালানি পরিস্থিতিতে ভারতীয় ভোক্তার স্বার্থ রক্ষা করা আমাদের দীর্ঘদিনের অগ্রাধিকার, এবং আমাদের আমদানি নীতি সম্পূর্ণভাবে এই লক্ষ্যেই পরিচালিত। তিনি আরও বলেন, স্থিতিশীল জ্বালানি মূল্য ও নিরাপদ সরবরাহ নিশ্চিত করা আমাদের জ্বালানি নীতির দু’টি প্রধান লক্ষ্য। এর মধ্যে আমাদের জ্বালানি উৎসের পরিধি বাড়ানো ও বাজার পরিস্থিতি অনুযায়ী বৈচিত্র্য আনা অন্তর্ভুক্ত।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বহু বছর ধরে জ্বালানি সংগ্রহে সহযোগিতা বৃদ্ধির চেষ্টা চলছে এবং গত এক দশকে এ ক্ষেত্রে ধারাবাহিক অগ্রগতি হয়েছে। বর্তমান মার্কিন প্রশাসনও ভারতের সঙ্গে জ্বালানি সহযোগিতা গভীর করার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে এবং এ বিষয়ে আলোচনা চলছে।
এর আগে, ডোনাল্ড ট্রাম্প মোদির আশ্বাসের বিষয়ে দাবি করেছিলেন, "তিনি (ভারতের প্রধানমন্ত্রী) আমাকে আশ্বাস দিয়েছেন, রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ হবে। এটি তাৎক্ষণিকভাবে করা সম্ভব নয়; কিছু প্রক্রিয়া রয়েছে। তবে শিগগিরই তা সম্পন্ন হবে।"
ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই পশ্চিমা বিভিন্ন শক্তি, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র, বারবার রাশিয়ার কাছ থেকে ভারতের তেল কেনার সমালোচনা করেছে। এ বিষয়ে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর স্পষ্ট করে বলেছেন যে, ভারত কেবল নিজের নাগরিকদের জন্য সর্বোত্তম চুক্তি নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে। তিনি পশ্চিমা বিশ্বের দ্বৈত মানদণ্ড নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন, যেখানে 'ইউরোপের সমস্যা মানেই বিশ্বের সমস্যা, কিন্তু বিশ্বের সমস্যা ইউরোপের সমস্যা নয়'—এই মনোভাব থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
রাশিয়ার কাছ থেকে ভারত তেল কেনা অব্যাহত রাখায় যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ভারতীয় পণ্যের ওপর ট্রাম্প প্রশাসন অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছে বলে ধারণা করা হয়। ট্রাম্পের মন্তব্য নিয়ে ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়, যেখানে বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী মোদিকে ট্রাম্পকে ভয় পাওয়ার অভিযোগ করেন।
এসপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের ১ম টি-টোয়েন্টি-দেখুন সরাসরি (LIVE)
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা: দেখুন সবগুলো প্রশ্নের সঠিক সমাধান
- স্কুলছাত্রী থেকে ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধার সাথে অন্তরঙ্গের পর ভিডিও কুয়েট ছাত্রের
- বিকালে আসছে ১৯ কোম্পানির ডিভিডেন্ড-ইপিএস
- দর্শন বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. প্রদীপ কুমার রায়ের মৃ’ত্যু
- সকালে না রাতে, কখন গোসল করা স্বাস্থ্যের জন্য বেশি ভালো?
- স্কলারশিপ দিচ্ছে মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়, জেনে নিন আবেদন পদ্ধতি
- বুলগেরিয়ার আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে নির্বাচিত হলো ঢাবি শিক্ষার্থীর প্রামাণ্যচিত্র
- স্কুল-কলেজের প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগ পরীক্ষার ফল আজই
- দেশে সোনার দামে বড় পতন
- বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে ১০০ ধাপ এগিয়েছে ঢাবি, যৌথভাবে দেশসেরা
- বদলে যাচ্ছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম
- এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে যা জানাল শিক্ষাবোর্ড
- নবনিযুক্ত সিন্ডিকেট সদস্য মোর্শেদ হাসান খানকে ঢাবি অ্যালামনাইয়ের শুভেচ্ছা
- অভিনেত্রী দিব্যাঙ্কা সিরোহী আর নেই