ঢাকা, রবিবার, ৩১ আগস্ট ২০২৫, ১৬ ভাদ্র ১৪৩২
মোদি-শি বৈঠক: ভারতের সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ে পাশে চীন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মাঝে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। চীনের উত্তরাঞ্চলীয় বন্দরনগরী তিয়ানজিনে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে চীনের প্রেসিডেন্ট ভারতের সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ে পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন।
রোববার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে চিরবৈরী প্রতিবেশী চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্ক ইস্যুতে ভারতের অচলাবস্থার মাঝে দুই নেতা দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধি, সীমান্তে শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ জোরদার করার উপায় নিয়েও আলোচনা করেছেন।
ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেছেন, "বিস্তারিত তথ্য-উপাত্তে না গিয়েই আমি বলব, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বৈঠকে সন্ত্রাসবাদ ইস্যু উত্থাপন করেছিলেন। তিনি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, সন্ত্রাসবাদ এমন এক অভিশাপ যার শিকার ভারত ও চীন দু’দেশই।" মিশ্রি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী মোদি এই সংকট মোকাবিলায় চীনের সমর্থন চেয়েছেন এবং চীনও এতে সমর্থন জানিয়েছে।
পাকিস্তানের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে চীন গত জুনে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) সম্মেলনের যৌথ ঘোষণায় পেহেলগাম হামলার বিষয়টি উল্লেখ করেনি। যে কারণে সেই সময় ভারত যৌথ ঘোষণায় স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল। যৌথ ঘোষণায় পেহেলগাম হামলার ঘটনার পরিবর্তে বেলুচিস্তানে হামলার তথ্য উল্লেখ করা হয়েছিল, যেখানে পরোক্ষভাবে ভারতের সংশ্লিষ্টতার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল।
তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভারতের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের পর ভারত ও চীনের সম্পর্কে নতুন মোড় নিয়েছে। এর ফলে নয়াদিল্লি ও বেইজিং একসঙ্গে পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মোদি মন্তব্য করেছেন যে, ভারত ও চীন উভয়ই কৌশলগত স্বশাসন অনুসরণ করবে এবং তাদের সম্পর্ককে ‘তৃতীয় কোনো দেশের দৃষ্টিকোণ’ থেকে দেখা উচিত নয়। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ইস্যুতে একই অবস্থানে থাকার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেছেন নরেন্দ্র মোদি ও শি জিনপিং।
সোমবার সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার সম্মেলনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলা ও অপারেশন সিন্দুরের পর প্রতিবেশী এ দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মাঝে এটি প্রথম বৈঠক হতে যাচ্ছে।
পাশাপাশি, তিন বছর পর এসসিওর সম্মেলনে প্রথমবারের মতো অংশ নিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। ২০২৩ সালে ভারত এসসিওর আয়োজক হলেও ওই বছর অনলাইনে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। আর ২০২৪ সালে কাজাখস্তানে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী যোগ দেওয়া থেকে বিরত ছিলেন।
এসপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- সম্ভাবনার নতুন দিগন্তে শেয়ারবাজারের খান ব্রাদার্স
- বিদেশি বিনিয়োগ বেড়েছে শেয়ারবাজারের ১১ কোম্পানিতে
- মূলধন ঘাটতিতে দুই ব্রোকারেজ হাউজ, ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ
- চলতি বছর শেয়ারবাজারে আসছে রাষ্ট্রায়াত্ব দুই প্রতিষ্ঠান
- মার্জারের সাফল্যে উজ্জ্বল ফার কেমিক্যাল
- সাকিবের মোনার্কসহ ৮ ব্রোকারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ
- তালিকাভুক্ত কোম্পানির ১৫ লাখ শেয়ার কেনার ঘোষণা
- বিমা আইন সংস্কার: বিনিয়োগ ও আস্থায় নতুন দিগন্ত
- শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির পর প্রথম ‘নো ডিভিডেন্ড’
- শেয়ারবাজারে রেকর্ড: বছরের সর্বোচ্চ দামে ১৭ কোম্পানি
- তিন শেয়ারের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধি, ডিএসইর সতর্কবার্তা
- ডেনিম উৎপাদন বাড়াতে এভিন্স টেক্সটাইলসের বড় পরিকল্পনা
- চলতি সপ্তাহে ঘোষণা আসছে ৫ কোম্পানির ডিভিডেন্ড-ইপিএস
- ব্যাখ্যা শুনতে ডাকা হচ্ছে শেয়ারবাজারের পাঁচ ব্যাংককে
- ব্যাংকিং খাতে এমডিদের পদত্যাগের ঢেউ: সুশাসনের সংকট স্পষ্ট