ঢাকা, রবিবার, ৩১ আগস্ট ২০২৫, ১৫ ভাদ্র ১৪৩২

মার্জারের সাফল্যে উজ্জ্বল ফার কেমিক্যাল

২০২৫ আগস্ট ৩০ ২১:৩২:২০

মার্জারের সাফল্যে উজ্জ্বল ফার কেমিক্যাল

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ফার কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড মার্জারের মাধ্যমে তাদের ব্যবসায়িক যাত্রায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। ২০২১ সালের ২৮ ডিসেম্বর কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ এসএফ টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিজের সঙ্গে মার্জার হওয়ার সিদ্ধান্ত অনুমোদন করে। পরবর্তীতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা, শেয়ারহোল্ডার ও হাইকোর্টের সম্মতি পাওয়ার পর মার্জার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হয়।

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ফার কেমিকেলের নিজস্ব জমিতে অবস্থিত এসএফ টেক্সটাইল ২০১৬ সাল থেকে উৎপাদন কার্যক্রম চালাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক উৎপাদন সক্ষমতা ৪২ হাজার ২৫০ বেল তুলা, ভিসকস এবং সিভিসি সুতা, যা কোম্পানির উৎপাদন বহুমুখীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

মার্জারের আগে এসএফ টেক্সটাইলের অনুমোদিত মূলধন ছিল ২০১ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ১৫৭ কোটি টাকা। সর্বশেষ ২০২১ অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটির ইপিএস ছিল ১ টাকা ৩১ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ১৫ টাকা ২২ পয়সা।

অন্যদিকে, ২০১৪ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ফার কেমিকেলের অনুমোদিত মূলধন ছিল ৩০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ২১৮ কোটি টাকা। মার্জারের আগে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ১৩ টাকা ৭১ পয়সা এবং ইপিএস ছিল মাইনাস ১৬ পয়সা।

মার্জারের পর বর্তমানে ফার কেমিকেলের অনুমোদিত মূলধন দাঁড়িয়েছে ৩০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ১৫৩ কোটি টাকা। এনএভি বেড়ে হয়েছে ৩২ টাকা ৫৩ পয়সা এবং সর্বশেষ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ইপিএস দাঁড়িয়েছে ২০ পয়সায়। অর্থাৎ মার্জারের পর কোম্পানির আর্থিক সূচকে ইতিবাচক অগ্রগতি স্পষ্ট হয়েছে।

শুধু তাই নয়, মার্জারের সর্বোচ্চ সুফল নিশ্চিত করতে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ২০২২ সালের ডিসেম্বরে ৩০০ কোটি টাকার একটি নতুন বিনিয়োগ প্রকল্প চালু করেছে। নতুন ইউনিট বর্তমানে পূর্ণদমে উৎপাদন শুরু করেছে। উৎপাদন বৃদ্ধির ফলে আগামী দিনে ফার কেমিক্যালের মুনাফা আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত