ঢাকা, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩
'যুক্তরাষ্ট্রের মোট কার্যকর শুল্ক ৩৬.৫ শতাংশ'
যুক্তরাষ্ট্র সরকার বাংলাদেশি পোশাকের ওপর অতিরিক্ত পাল্টা শুল্ক ৩৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশে নামিয়ে আনায় একে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখলেও এর ফলে বিদ্যমান ১৬.৫ শতাংশ শুল্কের সাথে নতুন ২০ শতাংশ যুক্ত হয়ে মোট কার্যকর শুল্ক দাঁড়াবে গড়ে ৩৬.৫ শতাংশ বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।
শনিবার (২ আগস্ট) রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সমিতির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান এই তথ্য তুলে ধরেন।
তিনি জানান, এই শুল্ক হ্রাস স্বস্তিদায়ক হলেও আত্মতুষ্টির কোনো সুযোগ নেই, কারণ বাংলাদেশকে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখতে আলোচনা অব্যাহত রাখতে হবে।
বিজিএমইএ সভাপতি একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্তের কথা উল্লেখ করে বলেন, যদি কোনো রপ্তানিযোগ্য পোশাকে ন্যূনতম ২০ শতাংশ মার্কিন কাঁচামাল, বিশেষত আমেরিকান তুলা, ব্যবহার করা হয়, তবে ব্যবহৃত কাঁচামালের মূল্যের উপর অতিরিক্ত ২০ শতাংশ পাল্টা শুল্ক প্রযোজ্য হবে না। বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হওয়া পোশাকের প্রায় ৭৫ শতাংশই তুলার তৈরি, তবে এর বড় একটি অংশ অন্যান্য দেশ থেকে আমদানি করা হয়। এই সুযোগটি কাজে লাগাতে মার্কিন কাঁচামাল ব্যবহারের দিকে নজর দেওয়ার জন্য রপ্তানিকারকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
মাহমুদ হাসান খান বলেন, "বিগত চার মাস ধরে অতিরিক্ত শুল্ক আমাদের জন্য বড় দুশ্চিন্তার কারণ ছিল। এখন যুক্তরাষ্ট্র একটি ভারসাম্যপূর্ণ শুল্ক কাঠামো ঘোষণা করেছে, যা একটি ইতিবাচক অগ্রগতি।" তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের প্রধান প্রতিযোগী চীনের ওপর ৩০ শতাংশ এবং ভারতের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক কার্যকর থাকায় বাংলাদেশ তুলনামূলকভাবে একটি ভালো অবস্থানে রয়েছে।
তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ নির্বাহী আদেশ অনুযায়ী কিছু দেশের সঙ্গে তাদের বাণিজ্য ও নিরাপত্তা বিষয়ক আলোচনা এখনও চলমান। সেইসব চুক্তি চূড়ান্ত হলে ঐ দেশগুলো আরও কম শুল্ক সুবিধা পেতে পারে। একারণে, বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ও নিরাপত্তা ইস্যুতে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ওপর জোর দেন তিনি।
রপ্তানিকারকদের উদ্দেশে বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, মার্কিন ক্রেতাদের সঙ্গে এই নতুন পরিস্থিতি নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করতে হবে এবং মার্কিন কাঁচামাল ব্যবহারের মাধ্যমে শুল্ক ছাড়ের সুযোগগুলো কাজে লাগাতে হবে। এই শুল্ক ছাড় কার্যকর হলে তা বাংলাদেশের পণ্যের উৎপাদন খরচ কমাতে এবং যুক্তরাষ্ট্রের তুলার দাম কমাতে সহায়ক হবে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, ডোনাল্ড ট্রাম্পের ৩১ জুলাইয়ের নির্বাহী আদেশ অনুযায়ী এই নতুন শুল্ক হার কার্যকর হবে।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- শুধু আইফোনের জন্য নয়, অপ্রতীম হ/ত্যার পেছনে ছিল বিরোধও
- পাভেলকে ঘিরে ফের ভাইরাল পাঁচ মিনিটের ভিডিও
- একাদশ শ্রেণির ভর্তির ফল প্রকাশ আজ, যেভাবে দেখবেন
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি আবেদনের সময় বাড়ল
- সিগারেট নিয়ে নতুন বিধান জারি
- মিছিলের প্রস্তুতিকালে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ১৮ কর্মী আটক
- নতুন পে স্কেলে কোন গ্রেডে কত বেতন, দেখুন এখানে
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ, আবেদন ১২ অক্টোবর পর্যন্ত
- রাস্তার পাশে গাড়ি পার্কিং না করার আহ্বান পরিবহন মালিক সমিতির
- পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ নিয়ে যা জানা গেল
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১৫ সেপ্টেম্বর)
- আরও ৯০ দিন মেয়াদ বাড়ল ডাকসুর
- অপ্রতিম হ/ত্যার রহস্যময় তথ্য উন্মোচন করেছে পুলিশ
- ঢাবির ৬৪ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি
- স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে বাংলাদেশ পোস্ট বেসিক গ্রাজুয়েট নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি স্টুডেন্ট কাউন্সিলের স্মারকলিপি