ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩
ওয়াকফ বিলকে ‘মু'সলিমবিরোধী’ বললো কংগ্রেস
ডুয়া ডেস্ক : ভারতের রাজ্যসভায় গভীর রাত পাস হয়েছে 'ওয়াকফ বিল-২০২৫'। তবে পাস হওয়া ওয়াকফ বিল নিয়ে বিরোধী দলগুলোর মাঝে তীব্র আপত্তি দেখা গেছে। বিশেষ করে কংগ্রেস এই বিলকে ‘মুসলিমবিরোধী’ এবং ‘অসাংবিধানিক’ বলে অভিহিত করেছে।
আজ শুক্রবার (৪ এপ্রিল) কংগ্রেস জানিয়েছে, তারা খুব শিগগিরই সংসদে পাস হওয়া ওয়াকফ (সংশোধনী) বিল-এর সাংবিধানিক বৈধতাকে সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ করবে।
কয়েক ঘণ্টার তীব্র বিতর্কের পর ভারতের সংসদ বিতর্কিত বিলটি পাস করেছে। মূলত শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে মুসলমানদের দান করা কোটি কোটি ডলারের মূল্যমান সম্পত্তির 'নিয়ন্ত্রণ' গ্রহণের উদ্দেশ্যে এই আইনটি সংশোধন করা হয়।
বিরোধীদের কঠোর সমালোচনার মাঝেই নিম্নকক্ষে বৃহস্পতিবার বিলটি পাস হওয়ার একদিন পর শুক্রবার ভোরে উচ্চকক্ষও বিলটি অনুমোদন দেয়।
এ বিষয়ে সর্বভারতীয় কংগ্রেস কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ জয়রাম রমেশ বলেছেন, "ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস খুব শিগগিরই সুপ্রিম কোর্টে ওয়াকফ (সংশোধনী) বিলের সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করবে। আমরা আত্মবিশ্বাসী এবং ভারতের সংবিধানে থাকা নীতি, বিধান এবং অনুশীলনের ওপর মোদি সরকারের সমস্ত আক্রমণ প্রতিহত করে যাব।"
কংগ্রেস নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে জানিয়েছেন, "নিম্নকক্ষে বিলটির পক্ষে ২৮৮ জন সদস্য ভোট দিয়েছেন, তবে উল্লেখযোগ্য ২৩২ জন এর বিরোধিতা করেছেন।"
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-পোস্টে তিনি লিখেছেন, "এটা থেকে আমরা অনুমান করতে পারি যে, বিভিন্ন দলের বিরোধিতা সত্ত্বেও এই বিলটি ইচ্ছাকৃতভাবে তোলা হয়েছিল।"
ওয়াকফ বিল ও এটা নিয়ে বিজেপির পরিকল্পনা-ইসলামী ঐতিহ্যে, ওয়াকফ হলো মুসলমানদের দ্বারা সম্প্রদায়ের কল্যাণে প্রদত্ত একটি দাতব্য বা ধর্মীয় দান, যা বিক্রি বা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হতে পারে না। সাধারণত মসজিদ, মাদ্রাসা, কবরস্থান এবং এতিমখানা নির্মাণ বা পরিচালনার জন্য এই সম্পত্তি ব্যবহৃত হয়। এটি ভারতের প্রায় ২০ কোটি মুসলমানের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এই সম্পত্তিগুলো এখন পর্যন্ত ১৯৯৫ সালের ওয়াকফ আইন দ্বারা পরিচালিত হয়ে আসছে। এর আওতায় রাজ্য-স্তরের বোর্ডগুলো এসব সম্পত্তির ব্যবস্থাপনা করে। এসব বোর্ডে রাজ্য সরকারের মনোনীত সদস্য, মুসলিম আইনপ্রণেতা, রাজ্য বার কাউন্সিলের সদস্য, ইসলামী পণ্ডিত এবং ওয়াকফ সম্পত্তির ব্যবস্থাপকরা অন্তর্ভুক্ত হন।
গত আগস্টে বিজেপি সরকার ওয়াকফ আইন সংশোধন করতে একটি বিল পেশ করে, যার উদ্দেশ্য ছিল ওয়াকফ প্রশাসনকে আধুনিকীকরণ করা এবং আইনি ফাঁকফোকর কমানো। এজন্য এই বোর্ডে দুইজন অমুসলিম সদস্য নিয়োগের আইন করা হয়। তবে মুসলিম নেতা এবং বিরোধী দলগুলো এই পরিবর্তনগুলোকে সরকারের জন্য সম্পত্তিগুলোর ওপর আরও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা হিসেবে দেখতে পাচ্ছে।
বিলটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য একটি প্যানেলে পাঠানো হয় এবং ফেব্রুয়ারিতে প্যানেল কিছু সংশোধনীসহ বিলটি অনুমোদন করে।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- মাস্টারদা সূর্য সেন হল অ্যালামনাইয়ের নতুন কমিটি ঘোষণা, সভাপতি ডাবলু, সাধারণ সম্পাদক পলাশ
- ৬.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১৬ অক্টোবর)
- নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ৭০ শতাংশের ভিসা প্রত্যাখ্যান, বাড়ছে উদ্বেগ
- আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীতে ২২৮ পদে নিয়োগ
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্সে ভর্তির আবেদন শুরু আজ
- ২৬ অক্টোবর থেকে কক্সবাজার যাবে মহানগর এক্সপ্রেস
- বিআইডব্লিউটিসি ও মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই
- সালাহউদ্দিন আহমেদের জানাজায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃ/ত্যুদণ্ড কার্যকর
- এসএসসি-এইচএসসিতে ফেল করলে ফের পরীক্ষা, এরপর কারিগরি শিক্ষা
- হরমুজে জাহাজডুবি, সাগরে ভাসছে আইফোন
- খুলনায় ৩০ কেজি ধানে তৈরি দুর্গাপ্রতিমা দেখতে ভিড়
- সালাহউদ্দিন আহমেদের মৃ/ত্যুতে রাজনীতিতে শূন্যতা তৈরি হয়েছে: রিজভী
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১৩ অক্টোবর)