×

ঢাকা, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে বাদ পড়া নিয়ে প্রশ্ন আসিফ মাহমুদের

২০২৬ সেপ্টেম্বর ২৫ ২১:০৪:৩২

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে বাদ পড়া নিয়ে প্রশ্ন আসিফ মাহমুদের

নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগে মেধা ও যোগ্যতার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ভেরিফিকেশনের নামে বাদ দেওয়া হলো কেন, সেই প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ প্রশ্ন তোলেন।

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, মেধা ও যোগ্যতার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগে হাজারো তরুণকে মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হয়েছে। লিখিত পরীক্ষাসহ নিয়োগের অন্যান্য ধাপে নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দেওয়ার পরও দীর্ঘ আট মাস তাদের ভেরিফিকেশনের নামে অনিশ্চয়তা ও হয়রানির মধ্যে রাখা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত মেধা ও যোগ্যতার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এসব প্রার্থীর অনেককেই নিয়োগ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

নিরাপত্তা যাচাইয়ের প্রয়োজন থাকতেই পারে উল্লেখ করে আসিফ মাহমুদ জানতে চান, কোন আইনি ভিত্তিতে, কী মানদণ্ডে এবং কী প্রক্রিয়ায় একজন চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীকে বাদ দেওয়া হলো?

কারও বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ও আইনসম্মত অভিযোগ থাকলে তা স্পষ্ট করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অভিযোগ না থাকলে ওই ব্যক্তিকে চাকরি থেকে বঞ্চিত করার কারণ কী?

এনসিপির এই নেতা বলেন, ভেরিফিকেশনের মানদণ্ড এবং প্রার্থীদের বাদ দেওয়ার কারণ সরকারকে স্পষ্ট করতে হবে। যেসব প্রার্থীর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই, তাঁদের নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।

সরকারি চাকরি কোনো সরকারের দয়া, দলীয় পুরস্কার বা রাজনৈতিক আনুকূল্য নয় উল্লেখ করে আসিফ মাহমুদ বলেন, মেধা ও যোগ্যতায় উত্তীর্ণ একজন নাগরিকের অধিকারকে অস্বচ্ছ ভেরিফিকেশন বা রাজনৈতিক বিবেচনায় খর্ব করার অধিকার কোনো সরকারের নেই।

ইসামুল

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত