ঢাকা, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানের আশ্বাস অর্থমন্ত্রীর

২০২৬ মে ১৬ ১৭:৪৯:৪৭

জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানের আশ্বাস অর্থমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম নগরের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যার সমাধানে চলমান প্রকল্পগুলো চলতি বছরেই শেষ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, প্রকল্পগুলো সম্পন্ন হলে নগরে স্থায়ী জলাবদ্ধতার সমস্যা আর থাকবে না।

শনিবার (১৬ মে) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের বিভিন্ন কাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি শুলকবহর এলাকায় মির্জা খালের ওপর সেতু নির্মাণ কাজও পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান মো. নুরুল করিম, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

চট্টগ্রাম নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে সিডিএ, সিটি করপোরেশন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড পৃথক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। মোট ১৪ হাজার ৩৮৯ কোটি টাকার এসব প্রকল্পের কাজ গত আট বছর ধরে চলমান রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১০ হাজার ৪০৮ কোটি টাকা ইতোমধ্যে ব্যয় হয়েছে। সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড সিডিএ ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের দুটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে অর্থায়নের কিছু চ্যালেঞ্জ থাকলেও চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে যথাযথ অর্থায়নের ঘাটতির কারণে কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছে, যা এখন সমাধানের চেষ্টা চলছে।

তিনি আরও বলেন, প্রকল্পে অনিয়ম বা লুটপাট হয়ে থাকলে তা তদন্ত করে জড়িতদের চিহ্নিত করা হবে। একই সঙ্গে খাল দখল, অবৈধ স্থাপনা অপসারণ, প্রতিরোধ দেয়াল নির্মাণ এবং খালের গভীরতা ও প্রশস্ততা বাড়ানোর কাজ চলমান রয়েছে।

অর্থমন্ত্রী জানান, চট্টগ্রামের ১৩০টি খালকে সমন্বিতভাবে প্রকল্পের আওতায় আনা হচ্ছে এবং পানি নিষ্কাশনের পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। বর্ষা শেষে অসমাপ্ত কাজগুলো দ্রুত শেষ করা হবে বলেও তিনি জানান।

তিনি বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে আগের তুলনায় এখন সমন্বয় অনেক বেশি কার্যকর হয়েছে এবং মেয়রের নেতৃত্বে একটি সমন্বয় কমিটিও কাজ করছে। পাশাপাশি জনগণকে খাল পরিষ্কার ও সংরক্ষণে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী এবং তাঁর সঙ্গে থাকা প্রতিনিধিদল প্রবর্তক মোড়সহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের কাজ সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

ইএইচপি

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত

আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১৬ এপ্রিল)

আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১৬ এপ্রিল)

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের বাজারে ফের কমেছে সোনার দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) নতুন করে দাম সমন্বয়ের ঘোষণা দিয়েছে, যেখানে প্রতি... বিস্তারিত