ঢাকা, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩
ইঞ্জিনিয়ারিং ও টেকনিক্যাল শিক্ষা এক নয়: শিক্ষামন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক: টেকনিক্যাল শিক্ষার মানোন্নয়ন আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশকেও টেকনিক্যাল ও ভোকেশনাল শিক্ষাকে আলাদাভাবে গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়নের পথে এগোতে হবে।
‘‘ইঞ্জিনিয়ারিং এডুকেশন আর টেকনিক্যাল এডুকেশন এক না। তুমি গুলিয়ে ফেলেছো। তুমি ভাবছে তুমি ইঞ্জিনিয়ার, আমি কথা বলছি টেকনিক্যাল এডুকেশন নিয়ে।’’ রোববার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ(আইডিইবি) মিলনায়তনে এক মতবিনিময় সভায় পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের এক শিক্ষার্থীর বক্তব্যের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
সভায় ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের এক শিক্ষার্থী বলেন, তিনি ডিপ্লোমা সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনা করছেন। জবাবে শিক্ষামন্ত্রী ডিপ্লোমা ও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পার্থক্য তুলে ধরেন। শিক্ষার্থী তখন বলেন, তার কোর্সের নাম সিভিল টেকনোলজি এবং তিনি নিজেকে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে উল্লেখ করেন।
এ সময় মন্ত্রী বলেন, ইঞ্জিনিয়ার এবং ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার—এই দুটি বিষয়কে এক করে দেখা ঠিক নয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, তার কাজ হচ্ছে টেকনিক্যাল ও ভোকেশনাল শিক্ষাকে এগিয়ে নেওয়া। উদাহরণ হিসেবে তিনি সিঙ্গাপুরের ভোকেশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা উল্লেখ করেন, যেখানে ভর্তি হতে প্রচলিত একাডেমিক যোগ্যতা লাগে না এবং তিনি নিজেও সে প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেছেন।
শিক্ষার্থী আরও বলেন, ভারত ও পাকিস্তান ছাড়া অন্যান্য দেশে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং তেমনভাবে পরিচিত নয় এবং ভোকেশনাল শিক্ষার ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। তিনি জানান, বাংলাদেশের পলিটেকনিক শিক্ষায় প্র্যাকটিক্যালের অংশ ৫৯ শতাংশ হলেও বাস্তবায়নে ঘাটতি রয়েছে।
জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, তিনি নিজে ল্যাব পরিদর্শন করেছেন এবং বাস্তব পরিস্থিতি প্রত্যাশার মতো নয়। এ প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, “কাজির গরু কেতাবে আছে, খাতায় আছে—গোয়ালে নেই।”
পরবর্তীতে ওই শিক্ষার্থী শিক্ষার বাস্তবায়নে সহায়তা চেয়ে মন্ত্রীর কাছে আবেদন জানান। জবাবে তিনি বলেন, পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটগুলোকে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে রূপান্তর করা যেতে পারে এবং আলাদাভাবে টেকনিক্যাল স্কুল গড়ে তোলা দরকার, কারণ ইঞ্জিনিয়ারিং ও টেকনিক্যাল শিক্ষা একসঙ্গে পরিচালনা করা সম্ভব নয়।
সভা শেষে তিনি আবারও উল্লেখ করেন, দেশের টেকনিক্যাল শিক্ষাকে আধুনিক ও কার্যকর করতে হলে কাঠামোগত পরিবর্তন জরুরি, যাতে শিক্ষার্থীরা বাস্তব দক্ষতা অর্জন করে আন্তর্জাতিক মানে প্রতিযোগিতা করতে পারে।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- মাস্টারদা সূর্য সেন হল অ্যালামনাইয়ের নতুন কমিটি ঘোষণা, সভাপতি ডাবলু, সাধারণ সম্পাদক পলাশ
- ৬.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১৬ অক্টোবর)
- নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ৭০ শতাংশের ভিসা প্রত্যাখ্যান, বাড়ছে উদ্বেগ
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্সে ভর্তির আবেদন শুরু আজ
- ২৬ অক্টোবর থেকে কক্সবাজার যাবে মহানগর এক্সপ্রেস
- বাংলাদেশকে ৩০৫ রানের লক্ষ্য দিল আফগানিস্তান, জবাবে ১৬৯ রান
- বিআইডব্লিউটিসি ও মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই
- সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃ/ত্যুদণ্ড কার্যকর
- সালাহউদ্দিন আহমেদের জানাজায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- খুলনায় ৩০ কেজি ধানে তৈরি দুর্গাপ্রতিমা দেখতে ভিড়
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১৩ অক্টোবর)
- শনিবার ঢাকায় বন্ধ যেসব মার্কেট ও দোকানপাট
- হরমুজে জাহাজডুবি, সাগরে ভাসছে আইফোন
- সালাহউদ্দিন আহমেদের মৃ/ত্যুতে রাজনীতিতে শূন্যতা তৈরি হয়েছে: রিজভী