ঢাকা, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩
ইঞ্জিনিয়ারিং ও টেকনিক্যাল শিক্ষা এক নয়: শিক্ষামন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক: টেকনিক্যাল শিক্ষার মানোন্নয়ন আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশকেও টেকনিক্যাল ও ভোকেশনাল শিক্ষাকে আলাদাভাবে গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়নের পথে এগোতে হবে।
‘‘ইঞ্জিনিয়ারিং এডুকেশন আর টেকনিক্যাল এডুকেশন এক না। তুমি গুলিয়ে ফেলেছো। তুমি ভাবছে তুমি ইঞ্জিনিয়ার, আমি কথা বলছি টেকনিক্যাল এডুকেশন নিয়ে।’’ রোববার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ(আইডিইবি) মিলনায়তনে এক মতবিনিময় সভায় পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের এক শিক্ষার্থীর বক্তব্যের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
সভায় ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের এক শিক্ষার্থী বলেন, তিনি ডিপ্লোমা সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনা করছেন। জবাবে শিক্ষামন্ত্রী ডিপ্লোমা ও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পার্থক্য তুলে ধরেন। শিক্ষার্থী তখন বলেন, তার কোর্সের নাম সিভিল টেকনোলজি এবং তিনি নিজেকে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে উল্লেখ করেন।
এ সময় মন্ত্রী বলেন, ইঞ্জিনিয়ার এবং ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার—এই দুটি বিষয়কে এক করে দেখা ঠিক নয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, তার কাজ হচ্ছে টেকনিক্যাল ও ভোকেশনাল শিক্ষাকে এগিয়ে নেওয়া। উদাহরণ হিসেবে তিনি সিঙ্গাপুরের ভোকেশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা উল্লেখ করেন, যেখানে ভর্তি হতে প্রচলিত একাডেমিক যোগ্যতা লাগে না এবং তিনি নিজেও সে প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেছেন।
শিক্ষার্থী আরও বলেন, ভারত ও পাকিস্তান ছাড়া অন্যান্য দেশে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং তেমনভাবে পরিচিত নয় এবং ভোকেশনাল শিক্ষার ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। তিনি জানান, বাংলাদেশের পলিটেকনিক শিক্ষায় প্র্যাকটিক্যালের অংশ ৫৯ শতাংশ হলেও বাস্তবায়নে ঘাটতি রয়েছে।
জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, তিনি নিজে ল্যাব পরিদর্শন করেছেন এবং বাস্তব পরিস্থিতি প্রত্যাশার মতো নয়। এ প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, “কাজির গরু কেতাবে আছে, খাতায় আছে—গোয়ালে নেই।”
পরবর্তীতে ওই শিক্ষার্থী শিক্ষার বাস্তবায়নে সহায়তা চেয়ে মন্ত্রীর কাছে আবেদন জানান। জবাবে তিনি বলেন, পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটগুলোকে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে রূপান্তর করা যেতে পারে এবং আলাদাভাবে টেকনিক্যাল স্কুল গড়ে তোলা দরকার, কারণ ইঞ্জিনিয়ারিং ও টেকনিক্যাল শিক্ষা একসঙ্গে পরিচালনা করা সম্ভব নয়।
সভা শেষে তিনি আবারও উল্লেখ করেন, দেশের টেকনিক্যাল শিক্ষাকে আধুনিক ও কার্যকর করতে হলে কাঠামোগত পরিবর্তন জরুরি, যাতে শিক্ষার্থীরা বাস্তব দক্ষতা অর্জন করে আন্তর্জাতিক মানে প্রতিযোগিতা করতে পারে।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের খেলা চলছে: ব্যাটিংয়ে টাইগাররা-দেখুন সরাসরি
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১৪ এপ্রিল)
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের রোমাঞ্চকর খেলাটি শেষ-দেখুন ফলাফল
- সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ চেয়ে হাইকোর্টে রিট
- ঢাবির নতুন প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম
- শীর্ষ ১০ ইহুদিবিদ্বেষী প্রভাবশালীদের তালিকা প্রকাশ করল ইসরাইল
- সময় কমিয়ে এইচএসসি পরীক্ষার নতুন সিদ্ধান্ত
- সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বিশাল সুখবর
- রেকর্ড মুনাফা করে ডিভিডেন্ডে চমক দেখাল ইস্টার্ন ব্যাংক
- কপার টি: নিরাপদ ও দীর্ঘমেয়াদী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি
- শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও দেশবাসীকে ঢাবি অ্যালামনাইয়ের নববর্ষের শুভেচ্ছা
- এক মাসেও অফিস মেলেনি ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্যের
- ঢাবির ক্ষণিকা বাস দু/র্ঘটনায় আ/হত ৮ শিক্ষার্থী
- ৮,০০০ টাকা করে বৃত্তি দেবে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট
- নিয়োগে আর দীর্ঘ অপেক্ষা নয়, পিএসসির নতুন রোডম্যাপ