ঢাকা, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
অনলাইন ক্লাস ও হোম অফিস নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কবে? যা জানা গেল
নিজস্ব প্রতিবেদক: বৈশ্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি ও অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন চাপের প্রেক্ষাপটে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে সরকার। জ্বালানি সাশ্রয়ে অনলাইন ক্লাস, কর্মঘণ্টা পুনর্বিন্যাস এবং সাপ্তাহিক ছুটির কাঠামোয় পরিবর্তন আনার বিষয়টি এখন আলোচনায় রয়েছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, আগামী বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদের সভায় এসব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
তিনি বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে দেশের স্কুলগুলোতে অনলাইন ও অফলাইন উভয় ধরনের ক্লাস চালুর বিষয়ে ভাবা হচ্ছে। বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমসহ সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে অনলাইন-অফলাইন মডেলে আনার বিষয়ে ইতোমধ্যে আলোচনা হয়েছে।
তবে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, আসন্ন মন্ত্রিসভার বৈঠকে সরকারের পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হবে এবং সেখান থেকে যে সিদ্ধান্ত আসবে, তা বাস্তবায়ন করা হবে।
জানা গেছে, জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি, আমদানিতে অতিরিক্ত খরচ এবং ডলার সংকটের কারণে ব্যয় সংকোচনের উদ্যোগ হিসেবে এ ধরনের পদক্ষেপ বিবেচনা করা হচ্ছে। পূর্ববর্তী করোনাকালের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোর চিন্তাও রয়েছে।
সরকারি সূত্রে আরও জানা যায়, জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য বিভিন্ন সংস্থাকে নিজস্ব প্রস্তাব তৈরি করতে বলা হয়েছে। এসব প্রস্তাব পরবর্তী মন্ত্রিসভা বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে। বৈশ্বিক অস্থিরতা ও একাধিক ফ্রন্টে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে প্রাথমিকভাবে তিন মাসের স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি অবনতি হলে মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কৌশল গ্রহণের প্রস্তুতিও রয়েছে।
এছাড়া বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ কমাতে অপ্রয়োজনীয় ঋণ সীমিত করা এবং সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণে কড়াকড়ি আরোপের বিষয়েও আলোচনা চলছে। যদিও জ্বালানির দাম বাড়ানোর বিষয়ে এখনই কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি সরকার।
একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে ছয় মাস থেকে এক বছর মেয়াদি পরিকল্পনাও নিতে হতে পারে। ইতোমধ্যে কয়েকটি মন্ত্রণালয় কৃচ্ছ্রসাধনমূলক বিভিন্ন প্রস্তাবের খসড়া প্রস্তুত করছে।
চলমান আলোচনায় সাপ্তাহিক ছুটিতে পরিবর্তন, বাড়তি একদিন ছুটি যুক্ত করা বা সপ্তাহে দুদিন বাসা থেকে কাজের সুযোগ দেওয়ার মতো প্রস্তাব রয়েছে। পাশাপাশি অফিস সময় কমানো এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আংশিক ক্লাস অনলাইনে নেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় আছে। তবে সবকিছুই এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ বনাম ভারতের ফুটবল ম্যাচ: সরাসরি দেখুন (LIVE)
- ঢাবি অ্যালামনাই ইউকে শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা
- ঢাবি শিক্ষককে বিয়ে করলেন দীপ্তি চৌধুরী
- আজ রাত ৮ টায় ভারত বনাম বাংলাদেশের ফুটবল ম্যাচ, কোথায় ও যেভাবে দেখবেন?
- বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তানের ফুটবল ম্যাচ: এক ক্লিকে সরাসরি দেখুন
- ঢাবি ক্যাম্পাসে ববি হাজ্জাজকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা
- আজ বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তান ম্যাচ: সরাসরি দেখবেন যেভাবে
- মাসিক ফি দিয়ে ব্যবহার করতে হবে ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম
- ঢাবির এসএম হলের নতুন প্রভোস্ট অধ্যাপক আবদুস সালাম
- নতুন পে-স্কেলে কার বেতন কত বাড়তে পারে? আলোচনায় দুটি প্রস্তাব
- পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই: ড. নিয়াজ আহমদ
- টাইমস হায়ার ও কিউএস র্যাঙ্কিংয়ে ঢাবির জয়জয়কার
- ডিএসইতে রেকর্ড উত্থান, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বাড়ছে প্রত্যাশা
- ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ কবে, জানালেন প্রতিমন্ত্রী
- আইইএলটিএস ছাড়াই আবেদন করা যাবে হার্ভার্ডের প্রোগ্রামে