ঢাকা, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩
মশা নিয়ন্ত্রণে বিশেষ জনসচেতনতা ক্যাম্পেইনের উদ্যোগ ডিএনসিসির
নিজস্ব প্রতিবেদক: আসন্ন বর্ষা মৌসুমকে সামনে রেখে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে প্রস্তুতি জোরদার করতে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মশক নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কারিগরি কমিটির একটি জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। চলমান কার্যক্রম পর্যালোচনার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ করণীয় নির্ধারণে এ সভার আয়োজন করা হয়।
সোমবার (৬ এপ্রিল) গুলশান নগর ভবনে ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।
ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, মশক নিধনে ব্যবহৃত বিভিন্ন কীটনাশকের সমন্বিত প্রয়োগ একাধিক ল্যাবে পরীক্ষা করা হবে। পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পাশাপাশি মশা নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা বাড়াতে বিশেষ ক্যাম্পেইন পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সভায় মশক নিধনে নতুন ও অধিক কার্যকর কীটনাশক নির্ধারণকে কেন্দ্র করে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রাশেদুল ইসলাম বলেন, আসন্ন বর্ষায় ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে, তাই এখনই কার্যকর প্রস্তুতি গ্রহণ জরুরি। বর্তমানে লার্ভিসাইডিংয়ে ‘টেমিফস’ ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে ব্রাজিল ও ফিলিপাইনের মতো দেশে এই কীটনাশকের বিরুদ্ধে মশার প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে উঠেছে। সঠিক মাত্রা ও সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত না হলে এ প্রতিরোধ দ্রুত তৈরি হতে পারে।
তিনি বায়োলজিক্যাল কন্ট্রোল ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দিয়ে অন্তত পাঁচটি ভিন্ন স্থানে পরীক্ষা চালানোর পরামর্শ দেন এবং ফলাফলের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেন।
কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার সভায় জানান, নোভালিয়ন, ম্যালাথিয়ন ও টেমিফস এই তিনটি কীটনাশক ল্যাব, সেমি-ফিল্ড ও ফিল্ড পর্যায়ে পরীক্ষা করে ম্যালাথিয়ন তুলনামূলকভাবে বেশি কার্যকর ফল দিয়েছে। বিকল্প হিসেবে বিটিআই ব্যবহারের বিষয়টিও বিবেচনা করা যেতে পারে।
তিনি আরও বলেন, অনেক ক্ষেত্রে ফগিং কার্যক্রম কাঙ্ক্ষিত ফল দেয় না। তাই এ পদ্ধতির ওপর নির্ভরতা ধীরে ধীরে কমানোর ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. বেনজির আহমেদ বলেন, মশা নিয়ন্ত্রণে ‘সোর্স রিডাকশন’ অর্থাৎ প্রজননস্থল ধ্বংস করাই সবচেয়ে কার্যকর উপায়। একই সঙ্গে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজন রয়েছে।
সভায় ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, বিশেষজ্ঞ কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. গোলাম সারোয়ার, ভেক্টর ম্যানেজমেন্ট স্পেশালিস্ট ড. রাজিব চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- BANZI নির্বাচন: জয়-পরাজয়ের বাইরে কমিউনিটির আমানত ও প্রত্যাশা
- প্রজ্ঞাপনের আগে পে স্কেলের বেতন তালিকা
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স চতুর্থ বর্ষের ফল আজ
- পে স্কেল নিয়ে নতুন বিজ্ঞপ্তি দিল অর্থ মন্ত্রণালয়
- সাত কলেজের অনার্স চতুর্থ বর্ষের ফরম পূরণ স্থগিত
- দুর্নীতিবাজ-সন্ত্রাসীদের দলে জায়গা হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বশেষ রিলিজ স্লিপের ফল প্রকাশ
- জুলাই থেকেই কার্যকর নতুন পে স্কেল, বকেয়া পাবেন যেভাবে
- জেনে নিন একাদশ-আলিমে ভর্তির আবেদন পদ্ধতি
- হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষে ৪৩ জনের চাকরির সুযোগ
- ফের কমল স্বর্ণের দাম, ভরিতে ৭১১৫ টাকা
- ঢাবিসহ ৭ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ
- আজ ঢাকায় সর্বোচ্চ লোডশেডিং, কোন এলাকায় কত
- এসএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের জন্য বড় সুখবর
- আজকের খেলার সময়সূচি (৩১ আগস্ট)