ঢাকা, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩
শোকজের পর ফেসবুক পোস্টে যা বললেন ছাত্রদল নেতা হামিম
নিজস্ব প্রতিবেদক: ব্যক্তিগত সেন্টিমেন্ট এবং অভিমানকে পাশে সরিয়ে রেখে দলীয় আনুগত্য ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলার প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কবি জসীম উদ্দীন হল ছাত্রদলের আহ্বায়ক শেখ তানভীর বারী হামিম। কেন্দ্রীয় ছাত্রদল কর্তৃক প্রেরিত ‘কারণ দর্শানোর নোটিশের’ (শোকজ) জবাব না দেওয়ার প্রাথমিক অবস্থান থেকে সরে এসে তিনি এখন লিখিতভাবে নিজের ব্যাখ্যা প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বিশেষ বার্তার মাধ্যমে তিনি এই পরিবর্তনের কথা জানান।
শোকজ পাওয়ার পর কেন তিনি শুরুতে কঠোর অবস্থানে ছিলেন, তার ব্যাখ্যায় হামিম উল্লেখ করেন যে, কিছু স্বার্থান্বেষী মহলের অপপ্রচারই তাঁকে মানসিকভাবে আহত করেছিল। তিনি জানান, শোকজপত্র হাতে পাওয়ার আগেই যখন দেখলেন ফেসবুক ও বিভিন্ন ভুঁইফোঁড় সংবাদমাধ্যমে তাঁর বিরুদ্ধে ‘“চাঁদাবাজি” কিম্বা “শিবির সংশ্লিষ্টতা”র’ মতো বিভ্রান্তিকর খবর ছড়ানো হচ্ছে, তখন তিনি নিজেকে সামলাতে পারেননি। ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে যে সংগঠনের সাথে তাঁর নিবিড় পথচলা এবং ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে শিক্ষার্থীদের কল্যাণে তাঁর নিরলস কাজের বিপরীতে এমন অভিযোগে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন।
তবে দীর্ঘ চিন্তার পর তিনি সংগঠনের ‘চেইন অব কমান্ড’ বজায় রাখাটাই শ্রেয় মনে করেছেন। ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে হামিম লেখেন, ‘“চেইন অব কমান্ড” সবক্ষেত্রে বেশি জরুরি। হযরত মুহাম্মদ(সাঃ) এর নেতৃত্বেও মুসলমানদের পরাজয় ঘটার কাহিনী আছে, যথাযথভাবে চেইন অব কমান্ড না মানার ফলে। তাই, আমার প্রাণের সংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল আমাকে যে শোকজ করেছে, আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি এ দলের একজন আদর্শিক কর্মী হিসেবে “লিখিত জবাব” আমি দেব।’ তাঁর এই সিদ্ধান্ত ছাত্রদলের তৃণমূল কর্মীদের মাঝে প্রশংসিত হচ্ছে।
সংগঠনের স্বার্থে নিজের অহম বিসর্জন দিয়ে হামিম আরও যোগ করেন, ‘আমি মনে করি, প্রতিটি সংগঠনে কেউ “চেইন অব কমান্ড”-এর ঊর্ধ্বে নয়। আমি নিজেও নই।’ তিনি দাবি করেন যে শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের প্রশ্নে তিনি সবসময়ই আপসহীন ছিলেন এবং একটি সুশৃঙ্খল ছাত্রদলই আগামীতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভরসার স্থল হয়ে উঠবে। এই পথচলায় তিনি সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন এবং তাঁর কর্মকাণ্ডে যারা কষ্ট পেয়েছেন তাঁদের কাছে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
ছাত্রদলের এই তরুণ নেতার এই নমনীয় অবস্থান মূলত সংগঠনের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা রক্ষা এবং যেকোনো ধরণের বিভ্রান্তি দূর করার ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এখন দেখার বিষয়, তাঁর লিখিত জবাবের পর কেন্দ্রীয় সংসদ কী ধরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের খেলা চলছে: ব্যাটিংয়ে টাইগাররা-দেখুন সরাসরি
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১৪ এপ্রিল)
- শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সম্ভাব্য সময় জানাল মন্ত্রণালয়
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের রোমাঞ্চকর খেলাটি শেষ-দেখুন ফলাফল
- বৈশাখী ভাতা নিয়ে সর্বশেষ যা জানাল মাউশি
- ঢাবির নতুন প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম
- বিনা খরচে মালয়েশিয়া যাওয়ার সুযোগ
- ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স আনতে প্রবাসীদের উৎসাহের আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর
- বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপ দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেড ইউনিভার্সিটি
- উপাচার্য সংকটে দেশের ৩১ বিশ্ববিদ্যালয়, তালিকা দেখুন এখানে
- সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বিশাল সুখবর
- রেকর্ড মুনাফা করে ডিভিডেন্ডে চমক দেখাল ইস্টার্ন ব্যাংক
- এনসিপিতে যোগ দেওয়ার গুঞ্জন নিয়ে যা জানালেন রুমিন ফারহানা
- শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও দেশবাসীকে ঢাবি অ্যালামনাইয়ের নববর্ষের শুভেচ্ছা
- কপার টি: নিরাপদ ও দীর্ঘমেয়াদী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি