ঢাকা, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩
ঢাবিতে সেকেন্ড টাইম চালুর দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি
নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষা (সেকেন্ড টাইম) চালুর দাবিতে কর্মসূচি পালন করেছেন একদল শিক্ষার্থী। শুক্রবার দুপুরে টিএসসির রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অবস্থান কর্মসূচি পালন করতে দেখা গেছে তাদের। বেলা ১১টার পর ঘণ্টাখানেক ধরে পালন করা এই কর্মসূচিতে ১০-১২ জনকে অংশ নিতে দেখা গেছে।
কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘ঢাবিতে সেকেন্ড টাইম’ নামে ফেসবুকের গ্রুপ থেকে আমরা দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষা চালুর দাবিতে একত্রিত হয়েছি। আজকে আমাদের প্রথম কর্মসূচি ছিল। সামনেও আমাদের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। আগামীতে স্মারকলিপিসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হবে বলে তিনি জানান।
তিনি আরও বলেন, ২০১৪ সালে কোনো যৌক্তিক একাডেমিক কারণ ছাড়াই হুট করে সেকেন্ড টাইম ভর্তি পরীক্ষা বন্ধ করা ছিল একটি গভীর সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র। ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের পাশে না দাঁড়িয়ে উল্টো তাদের স্বপ্ন এবং ক্যারিয়ার হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছে। ফলে সেকেন্ড টাইম চালু করেনি।
এদিকে, আগামী ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সেকেন্ড টাইম ফিরিয়ে আনা হবে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেছিলেন, এটি আমার একক সিদ্ধান্ত না। বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় ডিসিশন এটি। এটা যারা আগে বন্ধ করেছেন নিশ্চয় কোন কারণে করেছেন, সেটা এখন দেখার বিষয়। যখন এই সিদ্ধান্ত হয় তখন আমি নিজেও বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যে ছিলাম।
তিনি আরও বলেন, ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বডি কাজ করে, সেসব বডির সাথে এখন আমি আলাপ করবো। যদি সম্ভব হয় কোনোভাবে ফিরিয়ে আনা যায় কিনা সেটা নিয়ে আমি কথা বলে দেখব। কিন্তু এখনই সিদ্ধান্ত দেওয়া সম্ভব না। এটি বড় একটা ডিসিশন।
জানা গেছে, ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয়বার (সেকেন্ড টাইম) ভর্তি পরীক্ষায় বসার সুযোগ বন্ধ রয়েছে। এ সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তিচ্ছুরা তখনও আন্দোলন করেছিল। এছাড়া এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে ২৬ জন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর অভিভাবক আদালতে রিটও করেছিলেন। এরপরও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের সিদ্ধান্তে অনঢ় রয়েছে।
২০১৪ সালের ১৪ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কমিটির সাধারণ সভা শেষে তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেছিলেন, ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় শুধু ওই বছর এইচএসসিতে উত্তীর্ণরা অংশ নিতে পারবে। পুরাতনরা পারবে না।
এ সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে তিনি বলেছিলেন, দুইবার ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দিলে অসম প্রতিযোগিতা হয়। কারণ দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দিলে দেখা যায়, একজন শিক্ষার্থী এক বছর ধরে ভর্তি পরীক্ষার জন্য পড়ে আর অন্যজন উচ্চ মাধ্যমিকে পাস করেই ভর্তি পরীক্ষায় বসে।
অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন আরও বলেছিলেন, আবার অনেক শিক্ষার্থী প্রথমবার কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়ে পুনরায় ভর্তি বাতিল করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসে। ফলে যেখানে প্রথমবার ভর্তি হয়েছে, সেখানকার আসন ফাঁকা হয়ে যায়।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- আকিজ গ্রুপে চাকরি, আবেদন ৯ অক্টোবর পর্যন্ত
- ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নতুন উপাচার্যকে প্রত্যাখ্যান শিক্ষার্থীদের
- ঢাবির শহীদুল্লাহ্ হলের শিক্ষার্থী মুরাদের আকস্মিক মৃ/ত্যু
- একসঙ্গে ৬৮ এসিল্যান্ডকে প্রত্যাহার করল সরকার, দেখুন তালিকা
- আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ৭৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী
- প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে দ্বিতীয় দফায় নিয়োগপত্র
- ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক লুৎফর রহমান
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৭ সেপ্টেম্বর)
- ৩৯ পদে ১০০ জনকে নিয়োগ দেবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৬ সেপ্টেম্বর)
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৯ সেপ্টেম্বর)
- সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সুখবর
- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদ সালমান মুক্তাদিরের
- তিন পদে ৩৫ জনকে নিয়োগ দেবে নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়
- ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ৭৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত