ঢাকা, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৮ মাঘ ১৪৩২
সুষ্ঠু ভোট নিশ্চিতে আজ মাঠে নামছেন ৬৫৫ বিচারক
নিজস্ব প্রতিবেদক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং নির্বাচনী অপরাধ দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে সারা দেশে ৬৫৫ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এসব বিচারক মাঠপর্যায়ে থেকে অভিযোগ আমলে নিয়ে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে তাৎক্ষণিক বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করবেন, যাতে ভোটের পরিবেশ অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ থাকে।
নিয়োগপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটরা আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট পাঁচ দিন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাবলে দায়িত্ব পালন করবেন।
এ তথ্য জানিয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের উপসচিব (আইন) মোহাম্মদ দিদার হোসাইন স্বাক্ষরিত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পাঁচ দিনের এই সময়সীমার মধ্যে বিচারকরা দায়িত্বে থাকবেন যার মধ্যে ভোটগ্রহণের আগের দুই দিন, ভোটের দিন এবং ভোটের পরের দুই দিন অন্তর্ভুক্ত।
আইনি ক্ষমতার বিষয়ে বলা হয়েছে, ‘দ্য রিপ্রেজেন্টেশন অফ দ্য পিপল অর্ডার, ১৯৭২’ (পি.ও. নং ১৫৫ অব ১৯৭২) এর অনুচ্ছেদ ৮৯ এ-তে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে গত ৫ ফেব্রুয়ারি তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়। আইন ও বিচার বিভাগ এবং সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শক্রমে জুডিশিয়াল সার্ভিসের কর্মকর্তাদের প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা অর্পণ করা হয়েছে।
নির্বাচনী অপরাধ যেমন ভোটদানে বাধা, কেন্দ্র দখল, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও অন্যান্য তফসিলভুক্ত অপরাধের ক্ষেত্রে তারা ‘দ্য কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর, ১৮৯৮’-এর ১৯০ (১) ধারা অনুযায়ী তাৎক্ষণিক বিচার (সামারি ট্রায়াল) পরিচালনা করবেন।
প্রজ্ঞাপনে দেওয়া নির্দেশনা
নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটদের জন্য কয়েকটি সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে-
ক) ১০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার পূর্বাহ্নে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় যোগদান করতে হবে এবং যোগদানপত্রের একটি কপি ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর পাঠাতে হবে।
খ) দায়িত্ব পালনকালে কোনো নির্বাচনী অপরাধ আমলে নিলে তা সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে এবং নিষ্পত্তির বিবরণী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ইসি সচিবালয়ের আইন শাখায় নির্ধারিত ছকে পাঠাতে হবে।
গ) বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনার সুবিধার্থে প্রত্যেক ম্যাজিস্ট্রেট একজন বেঞ্চ সহকারী, স্টেনোগ্রাফার অথবা অফিস সহকারীকে সহায়ক স্টাফ হিসেবে সঙ্গে নিতে পারবেন; এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট জেলার বিচারকদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে বলা হয়েছে।
ঘ) দায়িত্ব পালনে প্রয়োজনীয় জিপ, মাইক্রোবাস বা স্পিডবোটসহ যানবাহনের ব্যবস্থা সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকরা করবেন।
ঙ) নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ কমিশনার, পুলিশ সুপার বা সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ‘স্ট্রাইকিং ফোর্স’ মোতায়েনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তফসিল অনুযায়ী, দেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনের জন্য নির্ধারিত অধিক্ষেত্র ভাগ করে এই ৬৫৫ জন বিচারককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পঞ্চগড়-১ থেকে বান্দরবান পর্যন্ত প্রতিটি আসনে এক বা একাধিক জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে থেকে নির্বাচনী আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে কাজ করবেন বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ রয়েছে।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ইপিএস প্রকাশ করেছে এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ
- ঢাবির ১৯ শিক্ষার্থী পেলেন ‘টিএফপি ক্রিয়েটিভ এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’
- টানা ৫ দিনের ছুটি পাচ্ছে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
- ইপিএস প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন
- ৩৬০ মিটার, মোবাইল নিষেধাজ্ঞা ও ক্ষমতার রাজনীতি: নিরাপত্তার নামে কতটা নিয়ন্ত্রণ গ্রহণযোগ্য?
- ইপিএস প্রকাশ করেছে বে লিজিং
- টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬: জেনে নিন সরাসরি দেখার উপায়
- দেশের প্রথম বিটিসিএল এমভিএনও সিম চালু
- আজকের নামাজের সময়সূচি (৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬)
- ডিইউপিএস-এর ২৩তম কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা: সভাপতি আবীর, সম্পাদক হাসিব
- এক নজরে দেখে নিন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পরিবর্তিত সময়সূচি
- সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ ফাইনাল: ভারত বনাম বাংলাদেশ ম্যাচের চূড়ান্ত ফলাফল জানুন
- ৪ দিন ইন্টারনেট ব্যাংকিং বন্ধ ঘোষণা
- বিমস্টেকও ইয়ুথ ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ-এর মধ্যে বিশেষ বৈঠক সম্পন্ন
- ঢাবির 'বি' ইউনিটের পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, পরিবর্তন ৮ জনের