ঢাকা, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
এটাই আমার জীবনের শেষ নির্বাচন: মির্জা ফখরুল
নিজস্ব প্রতিবেদক: ঠাকুরগাঁও শহরের কালীবাড়ী বাজার থেকে সামান্য এগোলেই বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পৈতৃক বাড়ি। শিক্ষকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করা এই বর্ষীয়ান রাজনীতিককে এলাকার মানুষ আজও ভালোবেসে ‘স্যার’ বলে ডাকেন। সেই চেনা মুখ আর আপন মানুষটিই এবার ঠাকুরগাঁও-১ (সদর) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হয়ে দিন-রাত এক করে গ্রাম থেকে গ্রামে ছুটে চলছেন।
জয়ের ব্যাপারে অনেকটা নিশ্চিত হলেও প্রচারণায় কোনো কমতি রাখছেন না মির্জা ফখরুল। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ভোটারদের দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে কুশল বিনিময় করছেন, অংশ নিচ্ছেন পথসভা ও মতবিনিময় সভায়। প্রচারণায় বাবার ছায়াসঙ্গী হিসেবে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন বড় মেয়ে শামারুহ মির্জাও।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগকালে মির্জা ফখরুলকে ঘিরে সাধারণ মানুষের আবেগ ও উচ্ছ্বাস দেখা যায়। কিসমত দৌলতপুর এলাকায় পৌঁছালে নেতাকর্মীরা তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। সেখানে এক পথসভায় তিনি বলেন, “আমি আপনাদেরই লোক। প্রায় ৩৫ বছর ধরে আপনাদের সুখ-দুঃখে পাশে আছি। এটাই আমার জীবনের শেষ নির্বাচন। আপনারা যদি ধানের শীষকে জয়ী করেন, তবে ঠাকুরগাঁওয়ে মেডিকেল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন এবং বন্ধ হয়ে থাকা বিমানবন্দরটি পুনরায় চালু করা হবে।”
দুপুরে বেগুনবাড়ী ইউনিয়নের হিন্দু ধর্মাবলম্বী অধ্যুষিত বশভাংগা গ্রামে পৌঁছালে মহিলারা উলুধ্বনি ও ফুল ছিটিয়ে তাকে বরণ করে নেন। সেখানে তিনি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, “আপনাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব আমাদের। ক্ষমতায় আসার ছয় মাসের মধ্যে এলাকার রাস্তাঘাট পাকাকরণ ও মন্দিরের উন্নয়ন করা হবে।”
প্রচারণা চলাকালে মণ্ডলপাড়া এলাকায় এক আবেগঘন মুহূর্তের সৃষ্টি হয়। মোছা. চামেলি নামের এক নারী ভোটার তার জমানো মাটির ব্যাংক ভর্তি টাকা মির্জা ফখরুলের হাতে তুলে দিয়ে তাঁর সাফল্য কামনা করেন। আবার লাঠিতে ভর দিয়ে চলতে থাকা বৃদ্ধা জুলেখা বেগম বলেন, “স্যার তো বড় নেতা, তিনি জিতিলেই হামার এলাকার উন্নয়ন হইবে।”
স্থানীয়দের মতে, ঠাকুরগাঁও মূলত কৃষিপ্রধান এলাকা হলেও এখানে কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না। রফিকুল ইসলাম নামে এক বাসিন্দা বলেন, “এলাকায় কোনো বড় শিল্পকারখানা নেই। স্যার জয়ী হলে কৃষিভিত্তিক শিল্পায়ন হবে এবং আমাদের সন্তানদের কর্মসংস্থান হবে বলে আমরা আশা করি।”
গণসংযোগ শেষে মির্জা ফখরুল বলেন, “এলাকার প্রতিটি মানুষের সঙ্গে আমার হৃদয়ের সম্পর্ক। তারা আমাকে ‘স্যার’ বলে শ্রদ্ধা করেন। আমি তাদের প্রত্যাশা ও অভাবের কথা জানি। দেশ পরিচালনার সুযোগ পেলে ঠাকুরগাঁওকে একটি আধুনিক ও মডেল জেলায় রূপান্তর করব ইনশাআল্লাহ।”
এসপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- না ফেরার দেশে চলে গেলেন জেমস
- স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে বাংলাদেশ পোস্ট বেসিক গ্রাজুয়েট নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি স্টুডেন্ট কাউন্সিলের স্মারকলিপি
- রাস্তার পাশে গাড়ি পার্কিং না করার আহ্বান পরিবহন মালিক সমিতির
- শুধু আইফোনের জন্য নয়, অপ্রতীম হ/ত্যার পেছনে ছিল বিরোধও
- পাভেলকে ঘিরে ফের ভাইরাল পাঁচ মিনিটের ভিডিও
- শতবর্ষী ৮০৮ স্কুল-কলেজের তালিকা করল মাউশি
- নতুন পে স্কেলে কোন গ্রেডে কত বেতন, দেখুন এখানে
- সিগারেট নিয়ে নতুন বিধান জারি
- মিছিলের প্রস্তুতিকালে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ১৮ কর্মী আটক
- অপ্রতিম হ/ত্যার রহস্যময় তথ্য উন্মোচন করেছে পুলিশ
- ঢাবিতে ৮ম কুইজ ফেস্ট ও ফ্রেশার্স রিসেপশন অনুষ্ঠিত
- আত্মহ/ত্যার আগে যা লিখেছিলেন এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী
- নতুন পে স্কেলের বাইরে থাকছেন যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী
- আবারও লংমার্চের ঘোষণা ১১ দলীয় ঐক্যের
- ঢাবির ৬৪ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি