ঢাকা, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২
শরীরে কৃমি থাকলে যে লক্ষণগুলো দেখা দেয়
ডুয়া ডেস্ক: অনেক সময় অজান্তেই মানুষের শরীরে কৃমির সংক্রমণ ঘটে যায়। স্বাভাবিকভাবে মানুষের শরীরে অল্পমাত্রায় কৃমির উপস্থিতি থাকতেই পারে, তবে সংখ্যা বেড়ে গেলে সেটিই নানা শারীরিক সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এই সংক্রমণ কোনো নির্দিষ্ট বয়সে সীমাবদ্ধ নয় শিশু, কিশোর কিংবা প্রাপ্তবয়স্ক, সবাই কৃমির ঝুঁকিতে থাকতে পারেন।
চিকিৎসকদের মতে, থ্রেডওয়ার্ম, রাউন্ডওয়ার্ম, হুইপওয়ার্ম, টেপওয়ার্ম ও হুকওয়ার্ম এই ধরনের কৃমির সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। কিছু কৃমির ডিম যেমন পিনওয়ার্ম ও থ্রেডওয়ার্ম এতটাই ক্ষুদ্র যে খালি চোখে দেখা সম্ভব নয়। এমনকি বাতাসের মাধ্যমেও এসব অতি সূক্ষ্ম কৃমির ডিম শরীরে প্রবেশ করতে পারে।
এ কারণে কৃমির সংক্রমণ প্রতিরোধে সচেতনতা ও নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অত্যন্ত জরুরি। খাবার গ্রহণের আগে ও পরে হাত ধোয়া, সবজি ভালোভাবে পরিষ্কার করে রান্না করা, অপরিষ্কার পুকুর বা জলাশয়ে গোসল এড়িয়ে চলা এবং পোষ্য প্রাণীর সংস্পর্শে আসার পর হাত পরিষ্কার করা সংক্রমণ রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি শিশুদের ক্ষেত্রে নিয়মিত কৃমি নির্মূলের ওষুধ সেবন বিশেষভাবে প্রয়োজনীয়।
তবে শরীরে কৃমি বাসা বাঁধলে কিছু লক্ষণের মাধ্যমে তা শনাক্ত করা সম্ভব। এর মধ্যে অন্যতম হলো ক্ষুধার অস্বাভাবিক পরিবর্তন। কৃমি শরীরের ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে ব্যাহত করায় কারও ক্ষুধা হঠাৎ কমে যেতে পারে, আবার কারও ক্ষেত্রে অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যেতে দেখা যায়।
আরেকটি লক্ষণ হলো ধীরে ধীরে ওজন কমে যাওয়া ও সারাক্ষণ ক্লান্তি অনুভব করা। কোনো ধরনের ডায়েট বা অতিরিক্ত পরিশ্রম ছাড়াই যদি ওজন হ্রাস পায় এবং শরীরে অবসন্নতা কাজ করে, তাহলে সেটি কৃমি সংক্রমণের ইঙ্গিত হতে পারে।
এ ছাড়া মলত্যাগের সময় মলের সঙ্গে সাদা ছোট কৃমি দেখা গেলে সেটি অন্ত্রের কৃমির একটি স্পষ্ট লক্ষণ হিসেবে ধরা হয়। একই সঙ্গে কোনো নির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই বারবার পেটে মোচড়, ব্যথা বা খিঁচুনির মতো অনুভূতিও কৃমির উপস্থিতি নির্দেশ করতে পারে।
ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা এবং পায়ুপথে চুলকানিও কৃমি সংক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ। কৃমি থেকে নির্গত বিষাক্ত উপাদান রক্তের মাধ্যমে শরীরে ছড়িয়ে পড়লে ত্বকে ফুসকুড়ি, চুলকানি কিংবা অ্যালার্জির মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে পায়ুপথের আশপাশে চুলকানি হলে তা অন্ত্রের কৃমির একটি উল্লেখযোগ্য সতর্ক সংকেত হিসেবে বিবেচিত হয়।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ইপিএস প্রকাশ করেছে বিডি থাই ফুড
- ইপিএস প্রকাশ করেছে কনফিডেন্স সিমেন্ট
- ইপিএস প্রকাশ করেছে সোনালী পেপার
- ইপিএস প্রকাশ করেছে শাহজীবাজার পাওয়ার
- ইপিএস প্রকাশ করেছে এপেক্স ট্যানারি
- ইপিএস প্রকাশ করেছে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস
- ইপিএস প্রকাশ করেছে ইজেনারেশন
- ইপিএস প্রকাশ করেছে আনোয়ার গ্যালভানাইজিং
- ইপিএস প্রকাশ করবে ৫৮ কোম্পানি
- ইপিএস প্রকাশ করেছে সাফকো স্পিনিং
- ইপিএস প্রকাশ করেছে বিকন ফার্মাসিউটিক্যালস
- নতুন জাতীয় দৈনিকে ক্যারিয়ার গড়ার বড় সুযোগ
- ইপিএস প্রকাশ করেছে ইন্দো-বাংলা ফার্মা
- ইপিএস প্রকাশ করেছে সিলকো ফার্মা
- ইপিএস প্রকাশ করেছে ইনটেক