ঢাকা, শনিবার, ৩১ জানুয়ারি ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২
চট্টগ্রাম বন্দর ঘুরে শীর্ষ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক
নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশের বাণিজ্যিক অবকাঠামো ও বিনিয়োগ সম্ভাবনা সরেজমিনে দেখতেই চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শনে গেছেন ঢাকায় নবনিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। সফরের অংশ হিসেবে তিনি দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগ্রুপগুলোর নেতাদের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন।
সোমবার (৩১ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম বন্দরে পরিদর্শনের পাশাপাশি রাষ্ট্রদূত দেশের শীর্ষ পাঁচ শিল্পোদ্যোক্তার সঙ্গে একান্ত বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকে নির্বাচন-পরবর্তী বাংলাদেশের ব্যবসায়িক পরিবেশ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের নানা দিক উঠে আসে।
বৈঠক শেষে মেঘনা গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল সাংবাদিকদের বলেন, এটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের প্রথম চট্টগ্রাম সফর। তিনি জানান, বৈঠকে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য আরও সহজ করা এবং মার্কিন ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফান্ড থেকে সম্ভাব্য বিনিয়োগের বিষয়টি গুরুত্ব পায়।
তিনিবলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্য ঘাটতি কীভাবে কমানো যায়, সেটিই আলোচনার অন্যতম প্রধান বিষয় ছিল। কৃষি পণ্য আমদানি এবং উন্নত যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি সরঞ্জাম সরবরাহে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
তিনিআরও বলেন, এই বৈঠকে রাজনৈতিক আলোচনার চেয়ে অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং বাস্তবভিত্তিক ব্যবসায়িক সহযোগিতার বিষয়গুলোই বেশি গুরুত্ব পেয়েছে।
বৈঠকে অংশ নেওয়া আরেক ব্যবসায়ী নেতা জানান, দীর্ঘ আট বছর পর যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভুট্টা আমদানি পুনরায় শুরু হয়েছে। পাশাপাশি পোল্ট্রি খাতের উন্নত জেনেটিক্স, সয়াবিন আমদানি এবং ডেইরি খাতের মানোন্নয়নে মার্কিন সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে।
তবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে পণ্য আমদানিতে জাহাজ ভাড়া তুলনামূলক বেশি হওয়ায় ফ্রেইট কস্ট কমানোর উপায় নিয়েও আলোচনা হয়। এ ক্ষেত্রে মার্কিন অর্থায়নের মাধ্যমে ব্যয় কমানোর সম্ভাবনা বিবেচনার অনুরোধ জানানো হয়েছে রাষ্ট্রদূতকে।
ব্যবসায়ী নেতারা জানান, রাষ্ট্রদূত একটি স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশকে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন। পাশাপাশি চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, যানজট নিরসন এবং নীতিগত সহায়তার মাধ্যমে কীভাবে দুই দেশের বাণিজ্য আরও জোরদার করা যায়, তা নিয়েও মতবিনিময় হয়।
প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী এই বৈঠকে মেঘনা গ্রুপ, প্যারাগন গ্রুপ, নাহার গ্রুপ, টিকে গ্রুপ ও সিটি গ্রুপের শীর্ষ প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অংশগ্রহণকারীরা আশা প্রকাশ করেন, এই আলোচনা ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতাকে নতুন গতি দেবে।
এমজে/
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ইপিএস প্রকাশ করেছে বিডি থাই ফুড
- ইপিএস প্রকাশ করেছে কনফিডেন্স সিমেন্ট
- ইপিএস প্রকাশ করেছে সোনালী পেপার
- ইপিএস প্রকাশ করেছে শাহজীবাজার পাওয়ার
- ইপিএস প্রকাশ করেছে এপেক্স ট্যানারি
- ইপিএস প্রকাশ করেছে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস
- ইপিএস প্রকাশ করেছে ইজেনারেশন
- ইপিএস প্রকাশ করেছে আনোয়ার গ্যালভানাইজিং
- ইপিএস প্রকাশ করবে ৫৮ কোম্পানি
- ইপিএস প্রকাশ করেছে সাফকো স্পিনিং
- ইপিএস প্রকাশ করেছে বিকন ফার্মাসিউটিক্যালস
- নতুন জাতীয় দৈনিকে ক্যারিয়ার গড়ার বড় সুযোগ
- ইপিএস প্রকাশ করেছে ইন্দো-বাংলা ফার্মা
- ইপিএস প্রকাশ করেছে ইনটেক
- ইপিএস প্রকাশ করেছে বার্জার পেইন্টস