ঢাকা, শনিবার, ৩১ জানুয়ারি ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২

চাঁদাবাজির অভিযোগে সর্বমিত্র চাকমাকে আইনি নোটিশ

২০২৬ জানুয়ারি ৩১ ১৮:৪২:১০

চাঁদাবাজির অভিযোগে সর্বমিত্র চাকমাকে আইনি নোটিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবৈধ দোকান ইস্যুতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি পোস্টকে ঘিরে চাঁদাবাজির অভিযোগ ওঠায় নতুন করে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ‘মানহানিকর বক্তব্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার’ চালানোর অভিযোগে ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য সর্বমিত্র চাকমার কাছে লিগাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুর আড়াইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহ-সভাপতি নুরুল গনি সগীর। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের ঢাবি শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাইফুল্লাহ ও শিক্ষার্থী শিশির তানিম।

সংবাদ সম্মেলনে নুরুল গনি সগীর জানান, গত ২৪ জানুয়ারি ক্যাম্পাসে অবৈধ দোকান নিয়ে দেওয়া একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা চাঁদাবাজির অভিযোগ তোলা হয়। অভিযোগের পরদিন, অর্থাৎ ২৫ জানুয়ারি তিনি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন এবং অভিযোগকারীদের প্রমাণ উপস্থাপনের জন্য ১২ ঘণ্টার সময় বেঁধে দেন।

তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রম হওয়ার পর আরও তিন থেকে চার দিন পার হলেও এখন পর্যন্ত অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ বা দৃশ্যমান তথ্য উপস্থাপন করা হয়নি। এতে অভিযোগটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেই প্রতীয়মান হয়। এ অবস্থায় বিষয়টি আইনগতভাবে মোকাবিলা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাবি শাখার সহ-সভাপতি নুরুল গনি সগীরের পক্ষে তার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী নাজমুস শাকিব সর্বমিত্র চাকমার কাছে একটি আইনি নোটিশ পাঠান।

নোটিশে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্ট ও পরবর্তী বক্তব্যে নুরুল গনি সগীরকে চাঁদাবাজ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মানহানিকর। এসব অভিযোগের ফলে তার ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

আইনি নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্ত অভিযোগগুলোর পক্ষে কোনো গ্রহণযোগ্য প্রমাণ হাজির করা হয়নি। বরং বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে একজন শিক্ষার্থী নেতাকে সামাজিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করা হয়েছে, যা দণ্ডবিধি অনুযায়ী মানহানি ও হয়রানিমূলক অপরাধের আওতাভুক্ত।

নোটিশে সর্বমিত্র চাকমাকে নোটিশ প্রাপ্তির ১০ ঘণ্টার মধ্যে প্রকাশ্যে অভিযোগ প্রত্যাহার, সংশ্লিষ্ট পোস্ট ও বক্তব্য অপসারণ এবং নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনার আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যথায় আইনি প্রক্রিয়ায় যাওয়ার বিষয়ে কঠোর সতর্কবার্তাও দেওয়া হয়েছে।

ইএইচপি

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন