ঢাকা, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২
ঢাবিতে ভর্তির বিষয় পছন্দক্রম শুরু আজ, শেষ কবে?
নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের বিষয় পছন্দক্রম বা ‘চয়েস ফরম’ পূরণ কার্যক্রম আজ মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) থেকে শুরু হচ্ছে। ভর্তি পরীক্ষায় সফল হওয়া সকল শিক্ষার্থীকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনের মাধ্যমে এই ফরম পূরণ করতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আজ বিকেল ৩টা থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং চলবে আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৩টা পর্যন্ত। উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ভর্তি ওয়েবসাইট (https://admission.eis.du.ac.bd) থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে এই ফরম পূরণ করতে পারবেন।
বিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে কোনো প্রার্থী বিষয় পছন্দক্রম ফরম পূরণ করতে ব্যর্থ হলে তাকে কোনোভাবেই বিষয় মনোনয়নের জন্য বিবেচনা করা হবে না। অর্থাৎ, পছন্দক্রম ফরম পূরণ না করলে মেধা তালিকায় থেকেও ভর্তির সুযোগ হারাবেন শিক্ষার্থী। ফরম পূরণ শেষে সেটির একটি প্রিন্ট কপি শিক্ষার্থীদের নিজের কাছে সংরক্ষণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের মেধা তালিকা এবং তাদের দেওয়া পছন্দক্রমের ওপর ভিত্তি করেই পরবর্তী ধাপে বিভিন্ন বিভাগ ও বিষয়ে ভর্তির জন্য চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হবে।
এসপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- পাকিস্তান বনাম যুক্তরাষ্ট্র: কখন, কোথায় সরাসরি Live দেখবেন জানুন
- ঢাকা-৮ আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, ১২ কেন্দ্রের ফলাফলে এগিয়ে কে?
- ঢাকা-১৭ আসনে ১৮ কেন্দ্রের ফল: এগিয়ে তারেক রহমান
- ঢাকা-৮ আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, ৩ কেন্দ্রের ফলাফলে এগিয়ে কে?
- বিশ্বরেকর্ড জুটিতে আমিরাতকে ১০ উইকেটে উড়াল নিউজিল্যান্ড
- কুমিল্লা-৪ আসনে ৪৬ কেন্দ্রের ফল: তিনগুণেরও বেশি ভোটে এগিয়ে হাসনাত
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২: ৩৩ কেন্দ্রের ফলে এগিয়ে রুমিন ফারহানা
- পঞ্চগড়-১ আসনে ৮ কেন্দ্রের ফল: সারজিস আলম এগিয়ে
- ঢাকা-১৫ আসনে জয়ী জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান
- ইপিএস প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন
- ভোটের ফল পাওয়া যাবে কখন থেকে?
- ঢাকা-৯ আসনে দুই কেন্দ্রের ফলে এগিয়ে কে?
- ইপিএস প্রকাশ করেছে বে লিজিং
- ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ৮ কেন্দ্রের ফল: এগিয়ে মির্জা ফখরুল
- ৩৬০ মিটার, মোবাইল নিষেধাজ্ঞা ও ক্ষমতার রাজনীতি: নিরাপত্তার নামে কতটা নিয়ন্ত্রণ গ্রহণযোগ্য?