ঢাকা, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
প্রশাসনিক রদবদল নিয়ে জামায়াতের উদ্বেগ
নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে সাম্প্রতিক প্রশাসনিক রদবদলকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি মন্তব্য করেন, জনপ্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের এই হঠাৎ রদবদলে যেন কোনো নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য কাজ করছে। এক মাসও হয়নি, ২০ দিনও হয়নি, একজন ডিসি চলে গেলেন—হঠাৎ করেই। এক সপ্তাহের মধ্যে অনেককে বদলানো হয়েছে। মনে হচ্ছে এটি কোনো ডিজাইন বা উদ্দেশ্য থেকে হচ্ছে,।
বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ইসির সংলাপে গোলাম পরওয়ার এসব মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, তফসিল ঘোষণার পর প্রশাসনিক দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের অধীনে চলে আসবে। এই পরিস্থিতিতে আস্থা নিশ্চিত করতে ডিসি–এসপি বদলিতে লটারিভিত্তিক পদ্ধতির প্রস্তাব দিয়েছিল জামায়াত। তবে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনায় তেমন কোনো সমাধান না পাওয়ায় তিনি আশংকা প্রকাশ করেন।
জামায়াত নেতা বলেন, সবচেয়ে নিরপেক্ষ এবং আস্থা বজায় রাখার উপায় হলো লটারি পদ্ধতিতে ট্রান্সফার করা। যার যেখানে ভাগ্য আছে, সে সেখানে যাবে। এতে কোনো প্রশ্ন উঠবে না।
একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের আয়োজনের বিষয়টিও গোলাম পরওয়ার উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি জুলাই সনদ ও গণভোটও গুরুত্বপূর্ণ। একই দিনে দুটি ভোট হলে ভোটারদের জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হবে। তিনি মনে করান, গণভোটটি আগে হওয়া উচিত।
তিনি আরও বলেন, জুলাই সনদে কী কী সংস্কার হবে, কোন বিষয়ে ভোটার ‘হ্যাঁ’ বলবে, কোন বিষয়ে ‘না’—এই বিষয়ে ভোটারের মাইন্ডসেট আগে তৈরি হওয়া প্রয়োজন। তা না হলে একই দিনে দুইটি ভোটের ক্ষেত্রে ভোটার বিভ্রান্ত হবেন।
প্রবাসীদের ভোটের বিষয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের নীতিমালায় স্পষ্ট নির্দেশনা নেই। প্রবাসীরা বিভিন্ন ভোটিং সিস্টেমে ভোট দেন; গণভোটের ক্ষেত্রে তাদের ভোটিং প্রক্রিয়া কেমন হবে তা পরিষ্কার নয়। তিনি পাসপোর্টের মাধ্যমে ভোটার নিবন্ধনের প্রস্তাব পুনরায় উত্থাপন করেন, কারণ অনেক প্রবাসীর এনআইডিতে জটিলতা রয়েছে।
নির্বাচনকালীন নিরাপত্তার প্রসঙ্গে গোলাম পরওয়ার বলেন, “প্রতি ভোটকেন্দ্রে অন্তত ৫ জন সেনা মোতায়েন থাকা উচিত। একজন সেনা থাকলে পর্যাপ্ত পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয় না।”
অবশেষে, দলের অঙ্গীকারনামা কোথায় জমা দিতে হবে তা তফসিলে অস্পষ্ট উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দেবেন, কিন্তু দলের অঙ্গীকারনামা ঢাকার নির্বাচন কমিশন অফিসে জমা দিতে হবে কিনা তা পরিষ্কার করা জরুরি।
কেএমএ
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ১১তম মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
- ১১-২০ গ্রেডের নিয়োগ পরীক্ষায় নতুন মানবণ্টন
- ঢাবির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক সিরাজুল হক আর নেই
- নব্বইয়ের দশকের রেট্রো ছবি বানাবেন যেভাবে, জেনে নিন ১০ AI প্রম্পট
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৬ সেপ্টেম্বর)
- মেসির দুই সহায়তাতেও আটলান্টার সঙ্গে ড্র ইন্টার মিয়ামির
- ‘সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন বিলটি কোরআন-সুন্নাহর সঙ্গে সাংঘর্ষিক’
- পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ নিয়ে সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
- ফেল বিরোধীদলের ওয়াকআউট
- ব্যালন ডি’অর ২০২৬-এর ৩০ ফুটবলারের তালিকা প্রকাশ
- বক্তৃতায় দায় সারছে কমিশন, ধসের মুখে পড়েছে বাজার
- মেঘনা গ্রুপে বিভিন্ন পদে চাকরির সুযোগ
- সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা ডিজিটাল ঋণ চালু করল বাংলাদেশ ব্যাংক
- বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের ভাইভার তারিখ প্রকাশ
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৭ সেপ্টেম্বর)