ঢাকা, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
প্রার্থিতা ফিরে পেলেন নাগরিক ঐক্যের মান্না
নিজস্ব প্রতিবেদক: দীর্ঘ আইনি ও রাজনৈতিক টানাপোড়েনের পর অবশেষে নির্বাচনী মাঠে ফেরার ছাড়পত্র পেলেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। নির্বাচন কমিশনে করা আপিল গ্রহণযোগ্য হওয়ায় বগুড়া-২ আসনে তাঁর প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিশনের বৈঠকে মান্নার আপিল মঞ্জুর করা হয়। এর মধ্য দিয়ে আগের বাতিল হওয়া মনোনয়নপত্র পুনর্বহাল হয় বলে নিশ্চিত করেছে নির্বাচন কমিশন।
এদিন নির্বাচন কমিশন মোট ৭১টি আপিলের শুনানি করে। কমিশনের জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক জানান, এসব আপিলের মধ্যে ৫৮টি মঞ্জুর করা হয়েছে, সাতটি খারিজ হয়েছে এবং ছয়টি আপিল পরবর্তী শুনানির জন্য মুলতবি রাখা হয়েছে।
প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে যে মনোনয়ন বাতিলের চেষ্টা হয়েছিল, তা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়েছে। তিনি বলেন, আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আমার দৃঢ় বিশ্বাস ছিল, সত্যের জয় হবেই।
ব্যাংকঋণ সংক্রান্ত অভিযোগ প্রসঙ্গে মান্না বলেন, তাঁকে খেলাপি হিসেবে দেখানোর অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইসলামী ব্যাংকের বগুড়া বড়গোলা শাখার এক কর্মকর্তার মাধ্যমে ভুয়া নোটিশ তৈরি করা হয়েছিল। বিষয়টি জানার পর তিনি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে যোগাযোগ করেন। পরে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে স্ট্যান্ড রিলিজ ও বদলি করা হলেও সে তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি বলে আক্ষেপ করেন তিনি।
নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি বলেন, কমিশন অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতির পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তিনি মনে করেন, প্রতিদ্বন্দ্বীকে বাদ দিয়ে নির্বাচনে জয়ের প্রবণতা গণতন্ত্রের জন্য হুমকি। তবে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে তাঁর কিছু উদ্বেগ এখনো রয়েছে।
বিএনপির অবস্থান প্রসঙ্গে মান্না জানান, দলটি এখনো তাদের প্রার্থীকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করেনি। তবে যেহেতু আসন সমঝোতার ঘোষণা আগেই দেওয়া হয়েছিল, সে ক্ষেত্রে মনোনয়ন প্রত্যাহার করা হবে বলেই তিনি আশা করছেন।
ডাকসুর সাবেক দুবারের ভিপি ও আওয়ামী লীগের একসময়ের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান মান্না অতীতেও বগুড়া-২ আসন থেকে সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। যদিও এবার বিএনপির সঙ্গে আসন সমঝোতার পর তাঁকে ওই আসনে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়। পরে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তে মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় তিনি নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন, যা শেষ পর্যন্ত তাঁর পক্ষেই যায়।
এমজে/
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- তিন ছাত্রদল নেতাকে ষষ্ঠ গ্রেডে নিয়োগ দিল সরকার
- জাবিতে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীকে কারাদণ্ড
- ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ভর্তি আবেদনের সময়সূচি প্রকাশ
- শাবিপ্রবির নতুন ভিসি ড. খায়রুল ইসলাম
- রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প
- দেশে কমলো সোনার দাম, ভরি কত?
- আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ঢাবি শিক্ষার্থীদের গবেষণাপত্র উপস্থাপন
- আজ প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের দিকে মাদ্রাসা শিক্ষকদের পদযাত্রা
- সোমবার টানা ৯ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়
- ঢাবিতে মাদারীপুর সদর ছাত্র কল্যাণ সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা
- শোলাকিয়া থেকে জাতীয় ঈদগাহ কোথায় কখন ঈদের জামাত, জেনে নিন বিস্তারিত
- ৭ কোটি মানুষ চরম সংকটের মুখে রয়েছে: পানিসম্পদ মন্ত্রী
- কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিশ্ব সুসংবাদ শুনতে পারে: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিলেন ববি হাজ্জাজ
- জাল সনদে নিয়োগ: ৬৩ শিক্ষককে শোকজ মাউশির