ঢাকা, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২

ঢাবি উপাচার্য পদের আলোচনায় দুই নারী শিক্ষক

২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২২ ২০:০৫:১৬

ঢাবি উপাচার্য পদের আলোচনায় দুই নারী শিক্ষক

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খানের আকস্মিক পদত্যাগের পর পরবর্তী উপাচার্য নির্বাচন নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পাড়ায় শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা। আজ রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে তিনি নিজের পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার সাথে সাথেই বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিভাবকত্বের এই পদটি ঘিরে সাতজন জ্যেষ্ঠ শিক্ষকের নাম মুখে মুখে ফিরছে, যার মধ্যে দুইজন নারী শিক্ষকের নামও বেশ গুরুত্বের সাথে আলোচনায় রয়েছে।

আজ সকালে শিক্ষামন্ত্রী ড. আনম এহছানুল হক মিলনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র পেশ করেন বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান। সরকারের পক্ষ থেকে পদত্যাগপত্রটি গৃহীত হওয়ার পরপরই নতুন উপাচার্য নিয়োগের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হবে। এর পরই সেখানে নতুন কাউকে স্থলাভিষিক্ত করা হবে।

উপাচার্য হওয়ার সম্ভাব্য তালিকায় ৫ জন পুরুষ শিক্ষকের নাম বেশ জোরালোভাবে শোনা যাচ্ছে। তাদের মধ্যে অন্যতম বর্তমান উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) ও সাদা দলের সাবেক আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ। তালিকায় আরও আছেন বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান, কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান এবং সাদা দলের বর্তমান আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান।

এই সাতজনের তালিকায় প্রথমবারের মতো দুইজন নারী শিক্ষকের নামও উপাচার্য পদের জন্য আলোচনায় এসেছে। তারা হলেন—রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. দিল রওশন জিন্নাত আরা নাজনীন এবং সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ড. তাহমিনা আখতার (টফি)। অধ্যাপক দিল রওশন জিন্নাত সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমদের কন্যা। অন্যদিকে, অধ্যাপক তাহমিনা আখতার ছাত্রজীবনে কুয়েত মৈত্রী হলের ভিপি ছিলেন এবং বিএনপির রাজনীতির সাথে যুক্ত থাকায় বিগত সরকারের সময় পেশাগত নিগ্রহের শিকার হয়েছিলেন বলে জানা যায়।

আলোচিত নামগুলোর মধ্যে ড. মামুন আহমেদ এবং ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম দীর্ঘ সময় ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও শিক্ষক রাজনীতির শীর্ষ পর্যায়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন। অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খান বর্তমানে বিএনপির কেন্দ্রীয় মিডিয়া সেলের সদস্য এবং অধ্যাপক ছিদ্দিকুর রহমান খান বর্তমান কলা অনুষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করে খুব শীঘ্রই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্যের নাম ঘোষণা করা হতে পারে। এই নিয়োগকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মাঝে এখন ব্যাপক কৌতূহল কাজ করছে।

এসপি

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত