ঢাকা, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩
উৎপাদন বাড়াতে বিশাল জমি কিনছে ক্রাউন সিমেন্ট
নিজস্ব প্রতিবেদক: শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত সিমেন্ট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ক্রাউন সিমেন্ট পিএলসি তাদের সম্প্রসারণ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আরও জমি কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গত ১৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের সভায় মুন্সীগঞ্জের পশ্চিম মুক্তারপুরে ১৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা ব্যয়ে ৩৩০ শতাংশ জমি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত খরচও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। কোম্পানির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
এই নতুন জমি কেনা ক্রাউন সিমেন্টের উৎপাদন সুবিধা সম্প্রসারণের ধারাবাহিক প্রচেষ্টারই প্রতিফলন। মুক্তারপুরে এরই মধ্যে কোম্পানিটি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ সিমেন্ট উৎপাদন কমপ্লেক্স গড়ে তুলেছে। এর আগে, ২০২৩ সালে তারা কারখানার পাশে প্রতি শতাংশ ৬ লাখ টাকা দরে ২৪৫ শতাংশ জমি কিনেছিল।
কোম্পানি সূত্র বলছে, গত দুই দশক ধরে ক্রাউন সিমেন্ট চাহিদা বৃদ্ধির সাথে তাল মিলিয়ে তাদের উৎপাদন ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে চলেছে। ২০০২ সালে দ্বিতীয় ইউনিট চালুর মাধ্যমে দৈনিক ৮০০ টন উৎপাদন ক্ষমতা দিয়ে শুরু করে, কোম্পানিটি ২০০৮ সালে তৃতীয়, ২০১১ সালে চতুর্থ এবং ২০১৭ সালে পঞ্চম ইউনিট চালু করে।
কোম্পানির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত জমি কেনার এই সিদ্ধান্ত তাদের উৎপাদন ভিত্তি শক্তিশালী করার দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। দেশে সিমেন্টের চাহিদা ক্রমাগত বাড়তে থাকায় ক্রাউন সিমেন্ট নির্মাণ সামগ্রীর বাজারে তাদের নেতৃত্ব ধরে রাখতে এবং ভবিষ্যতের সম্প্রসারণের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করছে।
সর্বশেষ, ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে তাদের ষষ্ঠ ইউনিট বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু করে, যার দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা ৮ হাজার ২৮০ টন। এই নতুন ইউনিটের মাধ্যমে ক্রাউন সিমেন্টের মোট দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা ১৯ হাজার ৪০ টনে উন্নীত হয়েছে, যা বছরে প্রায় ৫.৭ মিলিয়ন টন।
তবে শিল্পজুড়ে ব্যয় বৃদ্ধির কারণে কোম্পানির পারফরম্যান্স কিছুটা প্রভাবিত হয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছর-এর জুলাই-মার্চ সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) কমে ৩ টাকা ৫৬ পয়সায় দাঁড়িয়েছে, যা আগের অর্থবছর-এর একই সময়ে ছিল ৫ টাকা ৯০ পয়সা। মার্চ মাস শেষে তাদের শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ৫৮ টাকা ৪৭ পয়সায়।
এর আগে ২০২৩-২৪ অর্থবছর-এর জন্য ক্রাউন সিমেন্ট ২১ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছিল। ওই অর্থবছরতাদের ইপিএস ছিল ৬ টাকা ৪৭ পয়সা, যা আগের অর্থবছরের ৪ টাকা ১১ পয়সার তুলনায় বেশি। রাজস্বও বেড়ে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৩ হাজার ১৯৮ কোটি টাকায় পৌঁছেছিল, যা এর আগের অর্থবছরে ছিল ২ হাজার ৭৭৩ কোটি টাকা।
এএসএম/
শেয়ারবাজারের বিশ্লেষণ ও ইনসাইড স্টোরি পেতে আমাদের পেজ ফলো করুন।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- মাস্টারদা সূর্য সেন হল অ্যালামনাইয়ের নতুন কমিটি ঘোষণা, সভাপতি ডাবলু, সাধারণ সম্পাদক পলাশ
- ৬.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১৬ অক্টোবর)
- নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ৭০ শতাংশের ভিসা প্রত্যাখ্যান, বাড়ছে উদ্বেগ
- আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীতে ২২৮ পদে নিয়োগ
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্সে ভর্তির আবেদন শুরু আজ
- ২৬ অক্টোবর থেকে কক্সবাজার যাবে মহানগর এক্সপ্রেস
- বিআইডব্লিউটিসি ও মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই
- সালাহউদ্দিন আহমেদের জানাজায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃ/ত্যুদণ্ড কার্যকর
- এসএসসি-এইচএসসিতে ফেল করলে ফের পরীক্ষা, এরপর কারিগরি শিক্ষা
- হরমুজে জাহাজডুবি, সাগরে ভাসছে আইফোন
- খুলনায় ৩০ কেজি ধানে তৈরি দুর্গাপ্রতিমা দেখতে ভিড়
- সালাহউদ্দিন আহমেদের মৃ/ত্যুতে রাজনীতিতে শূন্যতা তৈরি হয়েছে: রিজভী
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১৩ অক্টোবর)