ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
জেনে নিন রাতের খাবারের পর হাঁটার উপকারিতা
স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য হাঁটার অভ্যাস অত্যন্ত জরুরি। আর এই সহজ অভ্যাসটি যদি রাতের খাবারের পর নিয়ম করে গড়ে তোলা যায়, তবে তা শরীরের জন্য বয়ে আনতে পারে অসাধারণ সব উপকারিতা। এই সাধারণ অভ্যাসটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে ঘুমের মান উন্নত করা এবং ওজন কমাতে সহায়তাসহ নানাভাবে স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়।
আসুন জেনে নিই, রাতের খাবারের পর হাঁটার ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ উপকারিতা।
১. হজমশক্তি বাড়ায়রাতের খাবারের পর কিছুক্ষণ হাঁটলে হজম প্রক্রিয়া উন্নত হয়। হাঁটার ফলে পাচনতন্ত্রে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে এবং খাবার দ্রুত হজম হতে সাহায্য করে। এটি বুকজ্বালা, কোষ্ঠকাঠিন্য এবং গ্যাসের মতো হজমজনিত সাধারণ সমস্যাগুলো প্রতিরোধ করে। গবেষণায় দেখা গেছে, খাওয়ার পরপরই হাঁটলে পেট থেকে খাবার দ্রুত অন্ত্রে চলে যায়, যা হজম প্রক্রিয়াকে সহজ করে তোলে।
২. ক্যালোরি পোড়াতে সাহায্য করেখাবার পর সামান্য হাঁটাও বিপাকক্রিয়াকে বাড়িয়ে দেয়, যা ক্যালোরি পোড়াতে সাহায্য করে। এতে হৃদস্পন্দন সামান্য বাড়ে এবং শরীর শক্তি খরচ করতে শুরু করে। প্রতিদিনের এই ক্ষুদ্র ক্যালোরি ক্ষয় দীর্ঘমেয়াদে ওজন নিয়ন্ত্রণ বা কমানোর ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখে।
৩. রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করেখাওয়ার পর হাঁটার অন্যতম শক্তিশালী সুবিধা হলো এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। খাওয়ার পর রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায়। এসময় হাঁটলে মাংসপেশিগুলো রক্ত থেকে অতিরিক্ত গ্লুকোজ ব্যবহার করে, ফলে রক্তে শর্করার আকস্মিক বৃদ্ধি রোধ হয়। এটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বিশেষভাবে উপকারী।
৪. রক্ত সঞ্চালন উন্নত করেহাঁটার ফলে শরীরের প্রতিটি অঙ্গ ও টিস্যুতে অক্সিজেন এবং পুষ্টিসমৃদ্ধ রক্ত সঞ্চালন বাড়ে। উন্নত রক্ত সঞ্চালন হজমে সহায়তা করে এবং পুষ্টির শোষণ ক্ষমতা বাড়ায়। দীর্ঘমেয়াদে এটি হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখে, রক্তচাপ কমায় এবং সামগ্রিক শক্তি বৃদ্ধি করে।
৫. মেজাজ ভালো রাখেরাতের খাবারের পর কিছুক্ষণ হাঁটা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী। হাঁটার ফলে মস্তিষ্কে এন্ডোরফিন এবং সেরোটোনিনের মতো ‘ফিল গুড’ হরমোনের নিঃসরণ বাড়ে। এটি মানসিক চাপ, উদ্বেগ এবং বিষণ্ণতার অনুভূতি কমাতে সাহায্য করে।
৬. ঘুমের মান উন্নত করেরাতে হাঁটার অভ্যাস শরীরকে শান্ত করে এবং ঘুমের মান উন্নত করতে সাহায্য করে। এই হালকা ব্যায়ামটি স্ট্রেস হরমোন কর্টিসলের মাত্রা কমিয়ে দেয় এবং ঘুমের জন্য সহায়ক হরমোন মেলাটোনিনের নিঃসরণ বাড়িয়ে তোলে, যা গভীর ও আরামদায়ক ঘুম নিশ্চিত করে।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- শেয়ারবাজারে মার্জিন ঋণের নতুন বিধিমালা চূড়ান্ত
- ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক মহাসচিব রঞ্জন কর্মকার আর নেই
- বিমান বাহিনীতে ৪৫ ক্যাটাগরিতে ৩৪২ শূন্যপদে চাকরির সুযোগ
- শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক দেবে এসএসসি শিক্ষার্থীদের বৃত্তি, আবেদন করবেন যেভাবে
- ঢাবির ৯২ শিক্ষকের বিরুদ্ধে গোপন তৎপরতার অভিযোগ, ৫৮ জন শনাক্ত
- বসুন্ধরায় অভিনেত্রী রিধিকা রিধির মরদেহ উদ্ধার
- পরীক্ষা ছাড়া একাদশে ভর্তি শুরু ১৫ সেপ্টেম্বর
- অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৪৭ পদে নিয়োগ
- লন্ডনে ঢাবি অ্যালামনাই ইউকের কোচ ট্রিপ অনুষ্ঠিত
- বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট কাটাতে অন্তত দুই বছর সময় লাগবে: অর্থমন্ত্রী
- বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টে চাকরির সুযোগ, আবেদন অনলাইনে
- এ টি এম আবদুল বারী ড্যানীকে ঢাবি অ্যালামনাইয়ের অভিনন্দন
- প্রথম দিনেই বাজিমাত জিতের নতুন সিনেমার
- সমকামিতার অভিযোগে ঢাবির দুই শিক্ষার্থী বহিষ্কার
- রঞ্জন কর্মকারের মৃ'ত্যুতে ঢাবি অ্যালামনাইয়ের শোক প্রকাশ