ঢাকা, রবিবার, ৩১ আগস্ট ২০২৫, ১৬ ভাদ্র ১৪৩২
বিশ্ববাসীকে সতর্ক করল জাতিসংঘ

ডুয়া ডেস্ক: ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকাকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালের স্মতরিচ। পাশাপাশি গাজার ফিলিস্তিনি জনগণের ‘বিশাল একটি অংশকে তৃতীয় কোনো দেশে’ চলে যেতে বাধ্য করা হবে বলে জানান তিনি। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুও এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন।
এমতাবস্থায় বিশ্ববাসী আরেকটি ‘নাকবা’র সাক্ষী হতে পারে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘের একটি বিশেষ কমিটি। শুক্রবার ওই কমিটির পক্ষ থেতকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ‘জাতি নির্মূলের’ অভিযোগ আনা হয়। ফিলিস্তিনিদের জন্য ইসরায়েল ‘অকল্পনীয় দুর্ভোগ’ ডেকে এনেছে বলে জানিয়েছে ওই কমিটি।
উল্লেখ্য, ১৯৪৮ সালের ১৪ মে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়। এই রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সময় যে ভূখণ্ডে ইসরায়েল গঠিত হয়, সেখান থেকে গণহারে ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ করা হয়। এ কারণেই প্রতি বছর ১৫ মে ফিলিস্তিনিরা দিনটিকে ‘নাকবা দিবস’ বা ‘বিপর্যয়ের দিন’ হিসেবে স্মরণ করে।
সপ্তাহের শুরুতে গাজার উত্তরাঞ্চল থেকে লাখ লাখ ক্ষুধার্ত ফিলিস্তিনিকে জোরপূর্বক সরিয়ে ছয়টি শিবিরে আটকে রাখার পরিকল্পনা করে ইসরায়েল। এ পরিকল্পনার প্রতিক্রিয়ায়ই জাতিসংঘের একটি বিশেষ কমিটি উদ্বেগ প্রকাশ করে মন্তব্য জানিয়েছে।
এদিকে, যেকোনও ধরনের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি ফিলিস্তিনিদের মাঝে ‘নাকবা’ বা অতীতের বিপর্যয়ের করুণ স্মৃতি জাগিয়ে তোলে।
কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘আমরা যা লক্ষ্য করছি তাতে মনে হচ্ছে, বিশ্ববাসী আরেকটি ‘নাকবা’র সাক্ষী হতে যাচ্ছে। আরও বলা হয়, ইসরায়েল সরকারের অগ্রাধিকার হলো বৃহত্তর ঔপনিবেশিক সম্প্রসারণ। গাজায় ইসরায়েলি বসতি স্থাপনের লক্ষ্যে নিরাপত্তা অভিযানের নামে স্থানচ্যুতি, ধ্বংস, ভূমি দখল ও উচ্ছেদের মতো কার্যক্রম পরিচালনা করছে ইসরায়েল। ’
ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়।
কমিটির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, ‘ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের ওপর অমানবিক নির্যাতনের প্রমাণ আছে। নির্যাতন চালানো যেন ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ও নিরাপত্তাবাহিনীর নিয়মতান্ত্রিক অনুশীলন। গাজায় খাদ্য সামগ্রী প্রবেশে ইসরায়েলের বাধা নিয়ে বলা হয়, এমন একটি পৃথিবী কল্পনা করাও কঠিন যেখানে এতগুলো মানুষকে অনাহারে রেখে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। যেখানে খাবারের ট্রাকগুলো মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরেই অবস্থান করছে। তবে এটিই গাজার বাস্তবতা।’
সূত্র: আল জাজিরা
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- সম্ভাবনার নতুন দিগন্তে শেয়ারবাজারের খান ব্রাদার্স
- বিদেশি বিনিয়োগ বেড়েছে শেয়ারবাজারের ১১ কোম্পানিতে
- মূলধন ঘাটতিতে দুই ব্রোকারেজ হাউজ, ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ
- চলতি বছর শেয়ারবাজারে আসছে রাষ্ট্রায়াত্ব দুই প্রতিষ্ঠান
- মার্জারের সাফল্যে উজ্জ্বল ফার কেমিক্যাল
- সাকিবের মোনার্কসহ ৮ ব্রোকারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ
- তালিকাভুক্ত কোম্পানির ১৫ লাখ শেয়ার কেনার ঘোষণা
- বিমা আইন সংস্কার: বিনিয়োগ ও আস্থায় নতুন দিগন্ত
- শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির পর প্রথম ‘নো ডিভিডেন্ড’
- শেয়ারবাজারে রেকর্ড: বছরের সর্বোচ্চ দামে ১৭ কোম্পানি
- তিন শেয়ারের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধি, ডিএসইর সতর্কবার্তা
- ডেনিম উৎপাদন বাড়াতে এভিন্স টেক্সটাইলসের বড় পরিকল্পনা
- চলতি সপ্তাহে ঘোষণা আসছে ৫ কোম্পানির ডিভিডেন্ড-ইপিএস
- ব্যাখ্যা শুনতে ডাকা হচ্ছে শেয়ারবাজারের পাঁচ ব্যাংককে
- ব্যাংকিং খাতে এমডিদের পদত্যাগের ঢেউ: সুশাসনের সংকট স্পষ্ট