ঢাকা, বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ
ডুয়া ডেস্ক: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় হাইকোর্ট ২০ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়ে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছেন।
এর আগে, ২০২৪ সালের ১৬ মার্চ বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ মামলার ডেথ রেফারেন্স, আপিল ও জেল আপিলের শুনানি শেষে এই রায় ঘোষণা করেন।
২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের নির্মম নির্যাতনে প্রাণ হারান ইলেকট্রিকাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ। ভারতবিরোধী একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে তাকে ডেকে নিয়ে সারা রাত ধরে মারধর করা হয়। পরদিন ভোরে শেরে বাংলা হলের সিঁড়িতে তার নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। বুয়েট মেডিকেলের চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ পরে জানায়, আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
ঘটনার পরদিন ৭ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে চকবাজার থানায় হত্যা মামলা করেন আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ। মাত্র ৩৭ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষে ১৩ নভেম্বর মামলার চার্জশিট দাখিল করেন ডিবির পরিদর্শক মো. ওয়াহিদুজ্জামান। এরপর ২০২১ সালের ৮ ডিসেম্বর বিচারিক আদালত ২০ জন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ২০ জন হলেন:
মেহেদী হাসান রাসেল, মো. অনিক সরকার অপু, মেহেদী হাসান রবিন শান্ত, ইফতি মোশাররফ সকাল, মো. মনিরুজ্জামান মনির, মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন, মো. মাজেদুর রহমান মাজেদ, মো. মুজাহিদুর রহমান মুজাহিদ, খন্দকার তাবাকারুল ইসলাম তানভির, হোসেন মোহাম্মদ তোহা, মো. শামীম বিল্লাহ, এ এস এম নাজমুস সাদাত, মুনতাসির আল জেমী, মো. মিজানুর রহমান মিজান, এস এম মাহমুদ সেতু, সামসুল আরেফিন রাফাত, মো. মোর্শেদ (অমর্ত্য ইসলাম), এহতেশামুল রাব্বি তানিম (পলাতক), মো. মোর্শেদ উজ্জামান মণ্ডল জিসান (পলাতক), এবং মুজতবা রাফিদ (পলাতক)।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন:
অমিত সাহা, ইসতিয়াক আহমেদ মুন্না, মো. আকাশ হোসেন, মুহতাসিম ফুয়াদ, ও মো. মোয়াজ আবু হোরায়রা।
২০২২ সালের ৬ জানুয়ারি মামলার নথি হাইকোর্টে পাঠানো হয় ডেথ রেফারেন্স হিসেবে। এরপর আসামিরা জেল আপিল এবং ফৌজদারি আপিল করেন। ২০২৩ সালের ২৮ নভেম্বর থেকে হাইকোর্টে শুনানি শুরু হয়, যা পরবর্তীতে রায়ে গড়ায়।
আবরার হত্যাকাণ্ড সারা দেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এবং ছাত্র রাজনীতি বন্ধের দাবিতে জোরালো আন্দোলন গড়ে ওঠে। এই ঘটনার জেরে বুয়েটে ছাত্ররাজনীতি বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- শেয়ারবাজারে মার্জিন ঋণের নতুন বিধিমালা চূড়ান্ত
- ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক মহাসচিব রঞ্জন কর্মকার আর নেই
- বিমান বাহিনীতে ৪৫ ক্যাটাগরিতে ৩৪২ শূন্যপদে চাকরির সুযোগ
- শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক দেবে এসএসসি শিক্ষার্থীদের বৃত্তি, আবেদন করবেন যেভাবে
- ঢাবির ৯২ শিক্ষকের বিরুদ্ধে গোপন তৎপরতার অভিযোগ, ৫৮ জন শনাক্ত
- বসুন্ধরায় অভিনেত্রী রিধিকা রিধির মরদেহ উদ্ধার
- লন্ডনে ঢাবি অ্যালামনাই ইউকের কোচ ট্রিপ অনুষ্ঠিত
- পরীক্ষা ছাড়া একাদশে ভর্তি শুরু ১৫ সেপ্টেম্বর
- অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৪৭ পদে নিয়োগ
- বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট কাটাতে অন্তত দুই বছর সময় লাগবে: অর্থমন্ত্রী
- প্রথম দিনেই বাজিমাত জিতের নতুন সিনেমার
- বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টে চাকরির সুযোগ, আবেদন অনলাইনে
- এ টি এম আবদুল বারী ড্যানীকে ঢাবি অ্যালামনাইয়ের অভিনন্দন
- রঞ্জন কর্মকারের মৃ'ত্যুতে ঢাবি অ্যালামনাইয়ের শোক প্রকাশ
- দেশের বাজারে কমেছে সোনার দাম