ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩
ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রব্যাপী বিক্ষোভের আয়োজন
ডুয়া ডেস্ক: এবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার সহযোগী ধনকুবের ইলন মাস্কের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করতে রাস্তায় নামছেন হাজার হাজার মানুষ।
স্থানীয় সময় শনিবার (০৫ এপ্রিল) দেশজুড়ে ১ হাজার ২০০টি বিক্ষোভ হবে। যেখানে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে একদিনে সর্বোচ্চ মানুষকে বিক্ষোভ করতে দেখা যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গত জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা গ্রহণের পর ইলন মাস্কের পরামর্শে কয়েক হাজার সরকারি চাকরিজীবীকে চাকরিচ্যুত করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই গণ ছাঁটাইয়ের বিরুদ্ধেই হবে বিক্ষোভ। এছাড়া নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র ও অভ্যন্তরীণ যেসব নীতি গ্রহণ করেছেন সেগুলোর বিরুদ্ধেও আন্দোলন হবে।
জানা গেছে, বিক্ষোভকারীরা ‘হাত সরাও’ স্লোগান সম্বলিত প্ল্যাকার্ড নিয়ে রাস্তায় নামবেন। এতে ফিলিস্তিনিপন্থি এবং ইসরায়েলের গাজায় নতুন বর্বর হামলার বিরোধী গ্রুপগুলোও যোগ দেবে। তারা গাজা নিয়ে নিজেদের অবস্থান জানাবেন।
বিক্ষোভের পরিকল্পনাকারী দলগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে 'ইন্ডিভিজিবল'। এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ইজরা লেভিন বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, “এটি একটি বিশাল বিক্ষোভ যা ইলন মাস্ক, ট্রাম্প এবং কংগ্রেসে থাক রিপাবলিকান এবং ট্রাম্পের সমর্থকদের প্রতি একটি পরিষ্কার বার্তা দেবে যে, আমরা আমাদের গণতন্ত্রের ওপর, আমাদের কমিউনিটির ওপর, আমাদের স্কুলের ওপর এবং আমাদের বন্ধু ও প্রতিবেশীদের ওপর তাদের হাত চাই না।”
যদিও এ বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের দপ্তর হোয়াইট হাউজ এবং ইলন মাস্ক কেউই এখন পর্যন্ত মন্তব্য করেননি।
বিক্ষোভের ইভেন্টের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ১৫০টি অ্যাক্টিভিস্ট গ্রুপ এই বিক্ষোভের যোগ দিতে ইচ্ছা প্রকাশ করেছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্য ছাড়াও ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, মেক্সিকো এবং পর্তুগালে বিক্ষোভের পরিককল্পনা করা হয়েছে। এরমধ্যে ওয়াশিংটনের ন্যাশনাল মলের সামনে সবচেয়ে বড় র্যালি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি ক্ষমতা গ্রহণ করে ট্রাম্প বেশ কয়েকটি নির্বাহী আদেশ জারি করেন। সমালোচকদের মতে, এসব নির্বাহী আদেশ ট্রাম্পের ‘প্রজেক্ট ২০২৫’ এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। এছাড়া কনজারভেটিভদের সঙ্গেও এগুলোর যোগসূত্র আছে। এর মাধ্যমে মূলত সরকারকে ঢেলে সাজানো এবং প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা শক্তিশালী করতে চান ট্রাম্প। তার সমর্থকরা এসব আদেশের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। তাদের মতে লিবারেলদের থামাতে এগুলোর প্রয়োজনীয়তা আছে।
এদিকে, ট্রাম্পের পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্তগুলি অনেক আইনি বাধার মুখে পড়েছে। যার মধ্যে সরকারি কর্মচারীদের ছাঁটাই, অভিবাসীদের ফেরত পাঠানো এবং ট্রান্সজেন্ডারদের অধিকার হ্রাসের মতো বিষয়গুলো রয়েছে।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া ম্যাচ কখন, কোথায় দেখবেন সরাসরি
- বাংলাদেশ বনাম মালয়েশিয়া ম্যাচ: Live দেখুন এখানে
- আকিজ গ্রুপে চাকরি, আবেদন ৯ অক্টোবর পর্যন্ত
- ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নতুন উপাচার্যকে প্রত্যাখ্যান শিক্ষার্থীদের
- ঢাবির শহীদুল্লাহ্ হলের শিক্ষার্থী মুরাদের আকস্মিক মৃ/ত্যু
- আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ৭৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৪ সেপ্টেম্বর)
- ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক লুৎফর রহমান
- একসঙ্গে ৬৮ এসিল্যান্ডকে প্রত্যাহার করল সরকার, দেখুন তালিকা
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৫ সেপ্টেম্বর)
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৭ সেপ্টেম্বর)
- প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে দ্বিতীয় দফায় নিয়োগপত্র
- ডিসেম্বরে দেশে ফেরা নিয়ে নতুন ঘোষণা হাসিনার
- মাসিক ১,৪০০ ইউরো স্টাইপেন্ডসহ ইউরোপে মাস্টার্সের সুযোগ
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৬ সেপ্টেম্বর)