×

ঢাকা, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩

বিএনপির কমিটি নিয়ে ওসির পোস্ট, শুরু হয়েছে তদন্ত

২০২৬ অক্টোবর ০৩ ২০:৪১:৪১

বিএনপির কমিটি নিয়ে ওসির পোস্ট, শুরু হয়েছে তদন্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির ৫১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গত ৩০ সেপ্টেম্বর বিলুপ্ত করা হয়। ওই কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক এবং সদস্য সচিব ছিলেন মো. মোস্তফা জামান। কমিটি বিলুপ্তের দুদিন পর এ কমিটির এক শীর্ষ নেতাকে আবারও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে দেখতে চেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেন রাজধানীর রূপনগর থানার ওসি নোমান হোসেন।

বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক মুহম্মদ মুনির হোসেনের স্বাক্ষর করা এক চিঠির মাধ্যমে ৩০ সেপ্টেম্বর কমিটি বিলুপ্ত করার বিষয়টি জানানো হয়।

ওসি নোমান তাঁর পোস্টে লেখেন, ‘যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক স্যার একজন সৎ, নীতিবান, আদর্শবান ও পরোপকারী মানুষ। আমরা ঢাকা মহানগর উত্তরের সব জনগণ আবার ঢাকা মহানগর উত্তরের বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে আমিনুল হক স্যারকে দেখতে চাই। ঢাকা মহানগর উত্তরের সব জনগণের চাওয়া একটাই- আমিনুল হক স্যারের বিকল্প নেই। যিনি সরকারি দায়িত্ব শেষ করে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের জন্য ভোররাত পাঁচটা/ছয়টা পর্যন্ত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সব জনগণ আবার আমিনুল হক স্যারকে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সভাপতি হিসেবে দেখতে চায়। সব ভোলাবাসীর ভালোবাসা, দোয়া, সবসময় কাম্য। ভালোবাসি ভোলা জেলার সব মানুষকে।’

পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তা দ্রুত ভাইরাল হয়। এ নিয়ে অনেকে নানা ধরনের আলোচনা-সমালোচনা করেন। একজন সরকারি কর্মচারী হয়ে রাজনৈতিক দলের কমিটি নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ায় অনেকে ওসির শাস্তি দাবি করেন। আবার কেউ কেউ মন্তব্যের ঘরে ওসিকে ‘দালাল’ আখ্যা দিয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ চান। অন্যদিকে, কয়েকজন ওসিকে ভেঙে না পড়ে নতুন কমিটি না হওয়া পর্যন্ত মনোবল চাঙা রাখার পরামর্শ দেন।

এ বিষয়ে রূপনগর থানার ওসি নোমান হোসেনকে কয়েক দফা ফোন করা হলেও তিনি তা রিসিভ করেননি।

মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার বলেন, রূপনগর থানার ওসির স্ট্যাটাসটি তিনি দেখেছেন। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। তিনি দোষী সাব্যস্ত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে, এ ঘটনা নিয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হতে পারে জানতে পেরে শনিবার বিকেলে ওসি নোমান ফেসবুক থেকে তাঁর পোস্টটি ডিলিট করেন। তবে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংবাদকর্মীদের কাছে এ ঘটনার তথ্য-প্রমাণ রয়েছে।

ইমামুল

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত

জাতীয় এর অন্যান্য সংবাদ