ঢাকা, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
ফের ইরানের তেল রপ্তানিতে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইরানের বিরুদ্ধে আবারও কঠোর অবস্থান নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তেহরানের তেল রপ্তানির ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপের পাশাপাশি দেশটির ৮০টি এলাকায় সামরিক হামলা চালানোর দাবি করেছে ওয়াশিংটন।
বুধবার (৮ জুলাই) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।
একজন মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ লক্ষ্য করে হামলা চালানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ঘটনার জন্য ইরানকে কঠোর মূল্য দিতে হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ পদক্ষেপের পর আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ৫ শতাংশের বেশি বেড়ে গেছে। তেহরান-ওয়াশিংটনের বিদ্যমান সমঝোতার অংশ হিসেবে গত মাসে মার্কিন অর্থ বিভাগ ২১ আগস্ট পর্যন্ত ইরানের তেল রপ্তানির অনুমতি দিয়েছিল। তবে মঙ্গলবার সেই অনুমোদন প্রত্যাহার করে নতুন সময়সীমা ১৭ জুলাই পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।
এদিকে ব্রিটিশ নৌবাহিনী-সংশ্লিষ্ট সংস্থা ইউকেএমটিও জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে হরমুজ প্রণালি ও এর আশপাশে তিনটি তেলবাহী জাহাজ অজ্ঞাত উৎস থেকে ছোড়া প্রজেক্টাইলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ওই ঘটনার পরই যুক্তরাষ্ট্র নতুন পদক্ষেপ গ্রহণ করে। তবে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ইরানের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি এবং হামলার দায়ও এখন পর্যন্ত কেউ স্বীকার করেনি।
মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও ইরানের সঙ্গে একটি চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছানোর লক্ষ্যে কূটনৈতিক আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সর্বশেষ হামলা এবং পাল্টা পদক্ষেপের ফলে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার নাজুক কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও চাপের মুখে পড়েছে। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, উভয় পক্ষের প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ ভবিষ্যৎ আলোচনার পথ আরও জটিল করে তুলতে পারে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক মার্কিন কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিক তথ্য-উপাত্তে তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার ইঙ্গিত মিলেছে।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হিসেবে পরিচিত ইরান ও ওমানের মধ্যবর্তী হরমুজ প্রণালি দিয়ে যুদ্ধের আগে প্রতিদিন বিশ্বে পরিবাহিত মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবহন হতো।
ইরানের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান উৎসগুলোর একটি হলো তেল রপ্তানি। দীর্ঘদিনের মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও এই খাত থেকে অর্জিত আয় দেশটির সরকারি ব্যয় এবং দুর্বল অর্থনীতিকে সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে, বিশেষ করে চীনের বাজারে তেল রপ্তানি বাড়াতে সক্ষম হয়েছে তেহরান। ফলে তেল খাত বর্তমানে দেশটির অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- মাস্টারদা সূর্য সেন হল অ্যালামনাইয়ের নতুন কমিটি ঘোষণা, সভাপতি ডাবলু, সাধারণ সম্পাদক পলাশ
- আফগান যুবাদের কাছে হারল বাংলাদেশের যুবারা
- আজ ২২,২১ ও ১৮ ক্যারেট সোনার দাম কত? জেনে নিন
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক মাহমুদ আলমের মৃত্যু, উপাচার্যের শোক
- সৌদিতে সুইটির মৃ/ত্যুদণ্ড, এখনো জানে না পরিবার
- যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারিতে বাংলাদেশিরা কি অংশ নিতে পারবে? জানুন বিস্তারিত
- আজ ২২,২১ ও ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম কত? জেনে নিন
- জেনে নিন আজকের বাজারে ২২,২১ ও ১৮ ক্যারেট সোনার দাম
- বৃহস্পতিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট-দোকানপাট বন্ধ
- নভেম্বরে টানা তিন দিনের ছুটির সুযোগ, যারা পাবেন
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২১ অক্টোবর)
- ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা: ঢাবির সাবেক ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার
- নতুন পে-স্কেলে শিক্ষকদের বেতন কবে, জানাল অর্থ মন্ত্রণালয়
- আজ ২২,২১ ও ১৮ ক্যারেট সোনার দাম কত? জেনে নিন
- COP31 সামনে রেখে বাংলাদেশের জলবায়ু অগ্রাধিকার নিয়ে সংলাপ