ঢাকা, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩

এমবাপ্পেকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে বললেন আমারিয়া

২০২৬ জুলাই ০৭ ১৫:০২:০৭

এমবাপ্পেকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে বললেন আমারিয়া

স্পোর্টস ডেস্ক: বিশ্বকাপের মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি টুর্নামেন্ট ঘিরে মাঠের বাইরের বিতর্কও ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। ফিফার ‘লাল কার্ড’ বাতিলের বিতর্কের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ফ্রান্সের অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং প্যারাগুয়ের সিনেটর সেলেস্তে আমারিয়ার মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র বাকযুদ্ধ।

ফ্রান্সের কাছে প্যারাগুয়ের ১-০ গোলের পরাজয়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এমবাপ্পেকে উদ্দেশ্য করে বিতর্কিত মন্তব্য করেন সেলেস্তে আমারিয়া। তিনি এমবাপ্পেকে ‘ঔপনিবেশিক মানসিকতার ক্যামেরুনীয়’, ‘ফরাসি হওয়ার ভান করা অহংকারী’ এবং ‘কুৎসিত’ বলে মন্তব্য করেন। পরে পোস্টটি মুছে ফেললেও এমবাপ্পের পাল্টা প্রতিক্রিয়ার পর আবার একটি খোলা চিঠি প্রকাশ করেন তিনি।

সেই চিঠিতে নিজের মন্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করলেও এমবাপ্পের কাছ থেকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছেন আমারিয়া। তার ভাষ্য, ফ্রান্সের সঙ্গে নয়, তার বিরোধ কেবল এমবাপ্পের সঙ্গে।

ম্যাচের আগে এমবাপ্পে এমন মন্তব্য করেছিলেন, যা প্যারাগুয়েকে অপমান করেছে বলেও অভিযোগ করেন এই সিনেটর। তার দাবি, এমবাপ্পে বলেছিলেন, ‘যদি নোংরা খেলতে হয়, তাহলে নোংরাই খেলব।’ আমারিয়ার মতে, এই মন্তব্যের মাধ্যমে প্যারাগুয়ের পুরো দলকে অপমান করা হয়েছে।

এ ছাড়া ম্যাচ চলাকালে এমবাপ্পে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের প্রতি অবজ্ঞাসূচক আচরণ করেছেন এবং এক পর্যায়ে স্প্যানিশ ভাষায় অশালীন গালিও দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ম্যাচ শেষে প্যারাগুয়ের গোলরক্ষকের সঙ্গে করমর্দন না করে বিজয় উদযাপন করায়ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন আমারিয়া। তার ভাষায়, ‘প্রতিদ্বন্দ্বীদের প্রতি সম্মান দেখানো খেলাধুলার মৌলিক মূল্যবোধ। জয় বা পরাজয়-যেকোনো পরিস্থিতিতেই সেটি বজায় রাখা উচিত। কিন্তু তুমি সেটি করোনি।’

তবে নিজের আচরণেরও সমালোচনা করেছেন প্যারাগুয়ের এই সিনেটর। তিনি স্বীকার করেন, ক্ষোভের বশে এমবাপ্পেকে উদ্দেশ্য করে বর্ণবাদী ও অপমানজনক ভাষা ব্যবহার করেছিলেন। পরে বিষয়টি উপলব্ধি করে তিনি পোস্টটি মুছে দেন।

আমারিয়া বলেন, ‘আমি বুঝতে পেরেছি, আমি সেই একই ঘৃণার পুনরাবৃত্তি করছিলাম, যার শিকার আমিও হয়েছি। তাই পোস্টটি মুছে ফেলেছি।’

খোলা চিঠিতে তিনি এমবাপ্পেকে তার বিরুদ্ধে করা মন্তব্য প্রত্যাহার করে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে বলেন। তার দাবি, ‘তুমি আমাকে "নিকৃষ্ট" বা "এই পদে থাকার অযোগ্য" বলার অধিকার রাখো না। আমি জনগণের ভোটে নির্বাচিত একজন সিনেটর।’

চিঠির শেষাংশে তিনি অভিযোগ করেন, এমবাপ্পে তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতামূলক মন্তব্য করেছেন। এমবাপ্পে ক্ষমা না চাইলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ারও হুমকি দেন প্যারাগুয়ের এই সিনেটর।

ইমামুল

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত

স্বর্ণের দাম কমেছে, ভরিতে কত?

স্বর্ণের দাম কমেছে, ভরিতে কত?

নিজস্ব প্রতিবেদক: টানা দুই দফা দাম বাড়ানোর পর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন... বিস্তারিত