ঢাকা, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩

ফ্রান্সকে থামাতে পারবে শুধু  একটিই দল, কোন সেই দল?

২০২৬ জুলাই ০১ ১৮:৪৪:১৭

ফ্রান্সকে থামাতে পারবে শুধু  একটিই দল, কোন সেই দল?

স্পোর্টস ডেস্ক: টানা তিনটি বিশ্বকাপেই অন্যতম হট ফেভারিট হিসেবে মাঠে নেমেছে ফ্রান্স। ২০১৮ সালে শিরোপা জয়ের পর ২০২২ সালে আর্জেন্টিনার কাছে ফাইনালে হেরে রানার্সআপ হয়েছিল তারা। ২০২৬ বিশ্বকাপেও শুরু থেকেই দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে দিদিয়ের দেশমের দল। শিরোপার দৌড়ে তাদেরই এগিয়ে রাখছেন অধিকাংশ ফুটবল বিশ্লেষক ও সমর্থক। তবে ইংল্যান্ডের সাবেক কিংবদন্তি ফুটবলার গ্যারি নেভিলের বিশ্বাস, ফ্রান্সকে থামানোর সামর্থ্য এবারও কেবল বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনারই রয়েছে।

সোমবার রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচে সুইডেনকে ৩-০ গোলে হারিয়ে অনায়াসেই শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ফ্রান্স। কিলিয়ান এমবাপের জোড়া গোলের সঙ্গে ব্র্যাডলি বারকোলার একটি গোল মিলিয়ে আবারও নিজেদের শক্তিমত্তার প্রমাণ দিয়েছে ফরাসিরা।

টানা দুই বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলা দেশমের দল এবারও দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছে। তাদের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের পর অনেকেই ফ্রান্সকে শিরোপার সবচেয়ে বড় দাবিদার হিসেবে বিবেচনা করছেন। তবে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক ডিফেন্ডার ও বর্তমানে বিশ্লেষক গ্যারি নেভিল মনে করেন, এই মুহূর্তে ফ্রান্সের পথ রুখে দেওয়ার সামর্থ্য রয়েছে মাত্র একটি দলের—আর্জেন্টিনার।

আইটিভি স্পোর্টসে আলোচনার সময় নেভিল বলেন, ‘এই মুহূর্তে কেবল একটা দলকেই আমি ফ্রান্সকে থামানোর মতো মানসিকতাসম্পন্ন দেখছি, আর সেটা হলো আর্জেন্টিনা। মাঠের ভেতর তাদের সেই আগ্রাসী মনোভাব, প্রতিপক্ষকে কোণঠাসা করার জেদ আর বড় ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতাই কেবল ফ্রান্সকে আটকে দিতে পারে।’

শেষ ষোলোতে ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ প্যারাগুয়ে। সেই ম্যাচে জয় পেলে কোয়ার্টার ফাইনালে তাদের খেলতে হবে কানাডা ও মরক্কোর ম্যাচের বিজয়ীর বিপক্ষে। ড্রয়ের এই অংশে পর্তুগাল, স্পেন, ক্রোয়েশিয়া, অস্ট্রিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, বসনিয়া, বেলজিয়াম ও সেনেগালের মতো শক্তিশালী দল থাকলেও, ফাইনালের আগে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা কিংবা ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা নেই ফরাসিদের।

এ কারণেই ফ্রান্সের ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনাকে আরও জোরালো বলে মনে করছেন নেভিল। তবে টুর্নামেন্ট যত এগোবে, অন্য দলগুলোও নিজেদের আরও উন্নত করে তুলতে পারে বলেও বিশ্বাস তার।

নেভিল বলেন, ‘এই মুহূর্তে আর্জেন্টিনা ছাড়া অন্য কোনো দলের মধ্যে আমি এমন ঐক্য বা একতাবদ্ধ রূপ দেখছি না, যা ফ্রান্সের সামনে বুক চিতিয়ে দাঁড়াতে পারে। তবে টুর্নামেন্ট যত গড়াবে, ইংল্যান্ড, স্পেন কিংবা পর্তুগাল হয়তো নিজেদের আরও এক ধাপ উঁচুতে নিয়ে যাবে। আমাদের সেই আশাই করা উচিত।’

অন্যদিকে, আর্জেন্টিনা রাউন্ড অব ৩২-এ খেলবে কেপ ভার্দের বিপক্ষে। লিওনেল মেসিদের সামনে সম্ভাব্য পথও সহজ নয়। তবে দুই দলই নিজেদের নকআউটের সব বাধা অতিক্রম করতে পারলে ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে আবারও দেখা যেতে পারে বহুল প্রতীক্ষিত আর্জেন্টিনা-ফ্রান্স দ্বৈরথ।

ইমামুল

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত