ঢাকা, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
অবকাঠামো উন্নয়ন ছাড়া ক্রিকেটের অগ্রগতি সম্ভব নয়: ইসরাফিল খসরু
স্পোর্টস ডেস্ক: বাংলাদেশ ক্রিকেটে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা ও সুস্পষ্ট নীতিমালার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অ্যাডহক কমিটির সদস্য এবং ফিন্যান্স কমিটির প্রধান ইসরাফিল খসরু। তার মতে, ক্রিকেটের উন্নয়নে খেলোয়াড়দের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা এবং অবকাঠামো শক্তিশালী করাই বোর্ডের প্রধান দায়িত্ব।
সম্প্রতি বিসিবির চার-ছক্কা পডকাস্টে ইসরাফিল বলেন, ‘(স্থিরতা) আসছে কিনা বলা কঠিন তবে আসা দরকার। ক্রিকেট বোর্ডের কাজ কিন্তু খুবই সহজ, প্লেয়ারদেরকে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা দেওয়া। সঙ্গে অবকাঠামো ঠিক করে দেওয়া, সাপোর্টটা দেওয়া। এই নীতি যদি ঠিক থাকলে তাহলে ক্রিকেট বোর্ড হবে জনগণের ক্রিকেট বোর্ড। দিনশেষে ক্রিকেট বোর্ড তো কোনও গ্রুপের না। বাংলাদেশের ক্রিকেটটা জনগণের। সবাই ক্রিকেটকে ভালোবাসে, এটা আমাদের ডিএনএতে আছে।’
ক্রিকেটে পলিসি বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ক্রিকেটে স্থিরতা আসা দরকার, পলিসি থাকা দরকার। ক্রিকেটারদের কাছে যেন প্রপার সুযোগ-সুবিধা, অবকাঠামো থাকে। আমাদের যাত্রাটা অনেক লম্বা, তবে ওই তুলনায় কি আমাদের ট্রেনিং অবকাঠামোগুলো উন্নত করতে পেরেছি? না পারিনি। ফলে আমরা এটা মেনে নিয়ে সামনে আগাতে চাই। আমাদের আরও ভালো অবকাঠামো দরকার, একাডেমি দরকার। সঙ্গে খেলা মাঠে গড়াতে হবে। অনেক জায়গায় অনেক বছর ধরে লিগ হচ্ছে না। যদি খেলাই না হয় প্লেয়ার আসবে কোথা থেকে, পাইপলাইন আসবে কোথা থেকে? খেলা হতে হবে, বিভাগীয় ক্রিকেট, লিগগুলো হতে হবে। খেলার জন্য আবার মাঠও লাগবে। বিসিবির একটা বড় দায়িত্ব মাঠগুলো, সুযোগ-সুবিধাগুলো উন্নত করা যেন খেলা হতে পারে। এগুলো সব একটা আরেকটার সঙ্গে সংযুক্ত।’
বিপিএলে বকেয়া নিয়ে ইসরাফিল খসরু বলেন, ‘আমরা আসার পর বিপিএলের অনেক বকেয়া ছিল। আমরা নিজেরা অ্যাকশন নিয়ে এগুলো ক্লিয়ার করার চেষ্টা করেছি যে না, বকেয়া দিতে হবে প্লেয়ারদের। প্লেয়ারদের বাদ দিয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেটকে সামনে নেওয়ার কোনও সুযোগ নেই। তাদের যেটা ভাগ, যেটা দরকার তা দিতে হবে। প্লেয়াররা যখন দেখছে বোর্ড সাপোর্ট করছে, তারা আরও অনুপ্রাণিত হচ্ছে। আমার কাজ আমি পারফর্ম করব, আমি ফুল সাপোর্ট পাচ্ছি। তাদের আর কোনো কিছু নিয়ে চিন্তা করতে হয় না, তারা কেবল পারফর্ম করে যাবে। তাদের অন্য কোনও চিন্তা নেই। আমাদের কাজ হচ্ছে প্রোভাইড করা। কোনো ক্ষেত্রে সমস্যা থাকলে আমাদের এসে বলবে, যে এটা লাগবে। আমাদের গিয়ে বোঝা উচিত (তাদের কী লাগবে)। কী সমস্যা হচ্ছে, চেষ্টা করবে সেগুলো সমাধান করা।’
উল্লেখ্য, বর্তমানে বিসিবির কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে ১১ সদস্যের একটি অ্যাডহক কমিটির মাধ্যমে। এই কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন Tamim Iqbal। আগামী ৭ জুন বিসিবির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচনের পর নির্বাচিত পরিচালকদের সমন্বয়ে নতুন বোর্ড গঠন করা হবে।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- আজ প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের দিকে মাদ্রাসা শিক্ষকদের পদযাত্রা
- ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ভর্তি আবেদনের সময়সূচি প্রকাশ
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিলেন ববি হাজ্জাজ
- রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প
- ঢাবি ক্যাম্পাসে ববি হাজ্জাজকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা
- সোমবার টানা ৯ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়
- শোলাকিয়া থেকে জাতীয় ঈদগাহ কোথায় কখন ঈদের জামাত, জেনে নিন বিস্তারিত
- ঢাবিতে মাদারীপুর সদর ছাত্র কল্যাণ সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা
- কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিশ্ব সুসংবাদ শুনতে পারে: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- ফ্রান্সের উদ্দেশ্য দেশ ছাড়লেন ড. ইউনূস
- ববি হাজ্জাজের বক্তব্যে ক্ষুব্ধ ঢাবি শিক্ষক, বললেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় নয়
- ববি হাজ্জাজের বক্তব্যের বিরুদ্ধে মাঠে নামছেন ঢাবি শিক্ষার্থীরা
- ক্যাশ ডিভিডেন্ডে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন নিষেধাজ্ঞা
- সাত দিনের ছুুটিতে সীমিত পরিসরে আজও খোলা ব্যাংক
- ২৬৭০ কোটি টাকার ক্যাশ ডিভিডেন্ড পাচ্ছে বিনিয়োগকারীরা