ঢাকা, বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
‘অগণতান্ত্রিক শাসনের পর আবার গণতন্ত্রের পথে ফিরেছে দেশ’
নিজস্ব প্রতিবেদক: শিক্ষার্থীদের কেবল পরীক্ষাভিত্তিক শিক্ষা নয়, বাস্তব জীবনে দক্ষ ও আত্মবিশ্বাসী নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, বর্তমান বিশ্বে শিক্ষার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত এমন মানবসম্পদ তৈরি করা, যারা সৃজনশীলতা, মূল্যবোধ ও উদ্ভাবনী সক্ষমতা নিয়ে সমাজ ও কর্মক্ষেত্রে অবদান রাখতে পারবে।
আজ বুধবার যুক্তরাজ্যের লন্ডনে কুইন এলিজাবেথ-২ সেন্টারে অনুষ্ঠিত ‘এডুকেশন ওয়ার্ল্ড ফোরাম-২০২৬’-এর প্লেনারি সেশনে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। বিশ্বের প্রায় ১৫০টি দেশের শিক্ষামন্ত্রীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই ফোরামকে বৈশ্বিক শিক্ষা খাতের অন্যতম বড় বার্ষিক আয়োজন হিসেবে ধরা হয়।
বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন অগণতান্ত্রিক শাসনের পর বাংলাদেশ আবার গণতন্ত্রের পথে ফিরেছে। জনগণের বিপুল সমর্থনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠিত হয়েছে এবং এই জনসমর্থন শিক্ষা খাতে অর্থবহ পরিবর্তনের দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
তিনি বলেন, শিক্ষাব্যবস্থায় এমন পরিবর্তন আনতে হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা শুধু পরীক্ষায় পাস করেই না থেমে দক্ষতা, আত্মবিশ্বাস, সৃজনশীলতা ও মূল্যবোধ অর্জন করতে পারে। পাশাপাশি শিক্ষা যেন চাকরি, উদ্যোক্তা সৃষ্টি, উদ্ভাবন ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনের পথ তৈরি করে, সেদিকেও গুরুত্ব দিতে হবে।
‘আনন্দের সঙ্গে শিক্ষা’ গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে ড. মিলন বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য এমন পরিবেশ তৈরি করতে হবে যেখানে তারা আনন্দ নিয়ে শিখতে পারবে। মুখস্থনির্ভর শিক্ষা থেকে বেরিয়ে এসে কৌতূহল, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা, সৃজনশীলতা, খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও মানসিক দৃঢ়তা বিকাশের দিকে বেশি মনোযোগ দিতে হবে।
বাংলাদেশের শিক্ষা খাতের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সরকার তৃতীয় ভাষা শিক্ষার প্রসার, মাধ্যমিক পর্যায়ে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা যুক্ত করা, স্কুল ফিডিং বা মিড ডে মিল কর্মসূচি সম্প্রসারণ, শিক্ষার্থীদের ইউনিফর্ম, জুতা ও ব্যাগ সরবরাহ এবং ধীরে ধীরে শিক্ষা খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বিনিয়োগ নিশ্চিত করার মতো উদ্যোগ নিয়েছে।
শিক্ষায় প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষকরাই পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি। সরকারের ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ উদ্যোগ শিক্ষকদের প্রযুক্তিগতভাবে আরও দক্ষ করে তুলবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ আধুনিক প্রযুক্তিগুলোকে শিক্ষকদের সহায়ক হিসেবে কাজে লাগাতে হবে, যাতে শিক্ষার্থীদের শেখার মান উন্নত হয়। একই সঙ্গে প্রযুক্তির ব্যবহার যেন বৈষম্য বাড়ানোর বদলে তা কমাতে সহায়ক হয়, সেদিকেও নজর রাখতে হবে।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- চলছে বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তান ম্যাচ: সরাসরি দেখুন এখানে
- পে স্কেল নিয়ে ৭ দাবি সরকারি কর্মচারীদের
- প্রথমবারের মতো নিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উপাচার্য পেলো কুবি
- অনার্সে পড়া শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দিচ্ছে সরকার
- ঈদুল আজহার তারিখ নির্ধারণে বসছে চাঁদ দেখা কমিটি
- ডিগ্রি ৩য় বর্ষ পরীক্ষার ফরম পূরণ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
- সমকামিতার অভিযোগে দুই ছাত্রদল নেতাসহ ৪ শিক্ষার্থীর সিট বাতিল
- নতুন করপোরেট গভর্নেন্স রুলসের খসড়া প্রকাশ, মতামত আহ্বান বিএসইসির
- না ফেরার দেশে জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সার
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মানবাধিকার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
- বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য সৌদি আরবে ফুল ফ্রি স্কলারশিপের সুযোগ
- নতুন উপাচার্য পেল দেশের ১০ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১৬ এপ্রিল)
- ঢাবি আইবিএ’র ৫৮তম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত
- বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য ড. মামুন অর রশিদ