ঢাকা, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২
জুলাই সনদ ছাত্র-জনতার বিপ্লবের সাথে একটি পবিত্র ওয়াদা: আখতার
নিজস্ব প্রতিবেদক: জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর যে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের পবিত্র অঙ্গীকার করা হয়েছিল, তা নিয়ে বর্তমান সরকারের রহস্যময় টালবাহানায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। তিনি মনে করেন, এই সনদটি স্রেফ একটি আইনি নথি নয়, বরং এটি ছাত্র-জনতার বিপ্লবের সাথে একটি ‘পবিত্র ওয়াদা’। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাতে এনসিপি ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্সের আয়োজনে এক ভার্চুয়াল প্রতিবাদ সভায় তিনি এই তীক্ষ্ণ মন্তব্য করেন।
আখতার হোসেনের মতে, এই সনদের বাস্তবায়নকে আইনি বাধ্যবাধকতার বাইরে রাখা হয়েছে, যা সরকার সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করছে। তিনি বলেন, ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের আইনকে হার্ড এন্ড ফার্স্ট বা বাধ্যবাধকতামূলক আইন হিসেবে দেখা হয়নি, এটাকে দেখা হয়েছে সমঝোতার আইন হিসেবে। তবে এটাকে সবাই দেখেছে কমিটমেন্টের জায়গা থেকে। এই পবিত্র ওয়াদাকে আইনের ভাষায় বিবৃত করা হয়েছে যার বিপরীতে কোনো শাস্তির বিধান রাখা হয়নি।’ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না থাকায় সরকার এই আদেশ মানার ক্ষেত্রে অনীহা দেখাচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
নির্বাচনী ফলাফল বিশ্লেষণে প্রবাসীদের অবদানের কথা স্মরণ করে আখতার হোসেন বলেন, গণভোটে এবং সাধারণ নির্বাচনে প্রবাসীরাই ছিলেন ১১ দলীয় প্রার্থীদের মূল শক্তি। তাঁর নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে তিনি বলেন, ‘গণভোটে হ্যাঁ-এর পক্ষে আনুপাতিকভাবে প্রবাসীরা বেশি ভোট দিয়েছেন। আমার আসনে আমি স্থানীয় অনেক সেন্টারে পরাজিত হলেও পোস্টাল ব্যালটে বিপুল হারে জয়ী হয়েছি। এমনকি এগারো দলীয় প্রার্থীরা যারা জয়ী হয়েছেন তারা প্রায় সবাই প্রবাসীদের ভোটে জয়ী হয়েছেন।’
বিএনপি এবং বর্তমান প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে এনসিপি সদস্য সচিব বলেন, তারা জুলাই সনদের খুঁটিনাটি চুলচেরা বিশ্লেষণ করলেও সেখানে সদিচ্ছার অভাব ছিল। তিনি বলেন, ‘বিএনপি ঐকমত্য কমিশনে জুলাই সনদের প্রতিটি পয়েন্ট খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখেছে। এই খুঁটিয়ে দেখার পেছনে তাদের অসততাও ছিল বলে আমরা মনে করি।’ আইনি ফাঁকফোকর থাকার কারণেই সরকার এই গুরুত্বপূর্ণ সনদটি বাস্তবায়নে গড়িমসি করছে বলে তিনি দাবি করেন।
ভবিষ্যতে এমন টালবাহানা রোধে একটি কঠোর বিধানের প্রস্তাব দিয়ে আখতার হোসেন বলেন, ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশে এমন একটি বিধান থাকা দরকার ছিল যে, কোনো সংসদ সদস্য একাধারে সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদ সদস্য হিসেবে শপথ না করলে তার সংসদ সদস্য পদ বাতিল বলে গণ্য হবে।’ এমন আইনি বাধ্যবাধকতা থাকলে আজ সরকার সংস্কার থেকে পিছিয়ে যেতে পারতো না। সভায় আরও বক্তব্য রাখেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারী, সারোয়ার তুষার, ইশতিয়াক আকিব এবং মনিরা শারমিনসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতারা।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তান ১ম ওয়ানডে: কখন, কোথায় সরাসরি লাইভ দেখবেন যেভাবে
- বাংলাদেশ বনাম উজবেকিস্তান ম্যাচ: কখন, কোথায় সরাসরি লাইভ দেখবেন যেভাবে
- শেষ হলো বাংলাদেশ বনাম উত্তর কোরিয়ার ফুটবল ম্যাচ, জানুন ফলাফল
- জানা গেল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঈদের ছুটির সময়সূচি
- সোমবার থেকে সকল বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা
- শিক্ষা উপবৃত্তি ২০২৬: কোন শ্রেণিতে কত টাকা পাবেন শিক্ষার্থীরা?
- আগামীর বাংলাদেশে সহিংসতা নয়, বরং শান্তির রাজনীতি চায় যুবসমাজ
- চলেছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলা: ম্যাচটি সরাসরি দেখুন এখানে (LIVE)
- ক্ষেপণাস্ত্র হা'মলায় নেতানিয়াহুর মৃত্যু, দাবি ইরানি গণমাধ্যমের
- চাকরির বাজারে সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন শীর্ষ ১০ ডিগ্রি
- সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে সরকারের পাশে দাঁড়াতে হবে: শামসুজ্জামান দুদু
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা মব নয়, নির্ধারিত ক্রাইম: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- বাংলাদেশকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উজবেকিস্তান
- অবশেষে হাদি হ'ত্যার প্রধান আসামী ফয়সাল করিম গ্রেপ্তার
- জ্বালানি সংকটের আতঙ্কে শেয়ারবাজারে বড় ধস