ঢাকা, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

কোরিয়ার গোলবন্যায় বিধ্বস্ত বাংলার মেয়েরা

২০২৬ মার্চ ০৬ ১৮:৪৩:০৬

কোরিয়ার গোলবন্যায় বিধ্বস্ত বাংলার মেয়েরা

স্পোর্টস ডেস্ক: সিডনির তপ্ত রোদে উত্তর কোরিয়ার শক্তিশালী আক্রমণের মুখে বিপর্যস্ত হতে হয়েছে বাংলাদেশের নারী ফুটবলারদের। ১১২ নম্বর দল হয়ে ৯ নম্বর র‍্যাঙ্কিংয়ের উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে ৪৫ মিনিট পর্যন্ত দাঁতে দাঁত চিপে লড়াই করলেও শেষ পর্যন্ত ৫-০ গোলের বড় পরাজয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে আফিদা-ঋতুপর্ণাদের। মূলত সিডনির বিরূপ আবহাওয়াই আজ বাংলাদেশের মেয়েদের প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

শুক্রবার দুপুর ১টায় শুরু হওয়া এই ম্যাচে খেলার মানের পাশাপাশি আবহাওয়ার সঙ্গেও বড় যুদ্ধ করতে হয়েছে স্বপ্না-মিলিদের। ম্যাচ শেষে অধিনায়ক আফিদা খন্দকার মিক্সড জোনে বলেন, ‘আবহাওয়া একটু বেশি গরম ছিল, কারণ দুপুর বেলা খেলা, দুপুরের রোদটা একটু বেশি কড়া। আমরা মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছি।’ একই সুরে কড়া রোদের অস্বস্তির কথা জানিয়েছেন সতীর্থ স্বপ্না রাণীও।

শক্তিশালী কোরিয়ানদের প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আটকে রেখেছিল বাংলাদেশ। তবে প্রথমার্ধের অন্তিম সময়ে আফিদার একটি ফাউল থেকে পেনাল্টি পায় উত্তর কোরিয়া, যা ম্যাচের গতিপথ বদলে দেয়। দ্বিতীয় গোলের ক্ষেত্রেও আফিদার কিছুটা ডিফেন্সিভ ভুল থাকলেও অধিনায়ক সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি। তবে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার মানসিকতা দেখিয়ে তিনি বলেন, ‘উত্তর কোরিয়া র‌্যাঙ্কিংয়ে ৯ নম্বর দল। ওরা এরকমই খেলবে আমাদের জানা ছিল। তারপরও আমরা ফাইট করেছি। এই ম্যাচের শিক্ষা আমাদের কাজে লাগবে।’

ম্যাচে বাংলাদেশ ৫ গোল হজম করলেও গোলরক্ষক মিলি আক্তারের অদম্য চেষ্টা আরও বড় বিপর্যয় থেকে দলকে রক্ষা করেছে। পায়ে ব্যথা নিয়েও পুরো সময় দুর্দান্ত খেলে যাওয়া মিলি বলেন, ‘আমি যেহেতু কিপার, অনেকদিন পর সুযোগ পেয়েছি, তাই বাড়তি চেষ্টা থাকে সেরা পারফরম্যান্স দেওয়ার। টিমমেটরা সবাই সহযোগিতা করে।’ উজবেকিস্তানের বিপক্ষে পরবর্তী ম্যাচের আগে মিলির ইনজুরি নিয়ে সংশয় থাকলেও তিনি আশাবাদী হয়ে বলেন, ‘আসলে এখন আমি এটা বলতে পারছি না। স্যার কাকে খেলাবে না খেলাবে। আমি খেললে সেরাটাই দেব।’

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এই সদস্য তাঁর ফুটবলে ফিরে আসার রোমাঞ্চকর গল্পও শুনিয়েছেন। মিলি জানান, এক সময় জাতীয় দলের ক্যাম্প থেকে বাদ পড়ার পর সেনাবাহিনী মহিলা ফুটবল দলের মাধ্যমেই তাঁর ক্যারিয়ার পুনর্জীবিত হয়। মিলি বলেন, ‘আমি একবার ক্যাম্প থেকে বাদ পড়েছিলাম। তারপর এক বছর বাসায় ছিলাম। তখন সেনাবাহিনী মহিলা ফুটবল দল গঠন করে। ছোটন স্যার আমাকে সাহস যোগান পুনরায় ফুটবলে আসা। এরপর লিগ হয়, সেই লিগ থেকে ক্যাম্পে পুনরায় সুযোগ পাই।’

এসপি

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত

ফের কমেছেসোনার দাম

ফের কমেছেসোনার দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের স্বর্ণপ্রেমীদের জন্য স্বস্তির খবর এসেছে। আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজার পরিস্থিতির প্রভাবে আবারও সোনার দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে... বিস্তারিত