ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩
ত্রয়োদশ নির্বাচনে কোটিপতি প্রার্থী ৮৯১ জন
নিজস্ব প্রতিবেদক: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রার্থীদের আর্থিক অবস্থার একটি চিত্র তুলে ধরেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। হলফনামায় ঘোষিত সম্পদের ভিত্তিতে দেখা গেছে, এবারের নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের বড় একটি অংশ কোটিপতি, আবার উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রার্থী ঋণগ্রস্তও।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য এই নির্বাচনে প্রায় দুই হাজার প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাদের মধ্যে স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের বর্তমান বাজারমূল্য অনুযায়ী কোটিপতি প্রার্থী রয়েছেন ৮৯১ জন। এর মধ্যে আবার শতকোটি টাকার বেশি সম্পদের মালিক ২৭ জন প্রার্থী।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণ সংক্রান্ত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য প্রকাশ করে টিআইবি। সংস্থাটির ‘নির্বাচনী হলফনামায় প্রার্থী পরিচিতি: ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ২০২৬’ শীর্ষক প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন টিআইবির কমিউনিকেশন ও আউটরিচ বিভাগের পরিচালক তৌহিদুল ইসলাম। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে ৫১টি রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও ২৪৯ জন স্বতন্ত্রসহ মোট ১ হাজার ৯৮১ জন প্রার্থী অংশ নিচ্ছেন। এর মধ্যে ১ হাজার ৭৩২ জন দলীয় এবং বাকি ২৪৯ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী। মোট প্রার্থীর ২৫.৫ শতাংশের কোনো না কোনো ধরনের ঋণ বা দায় রয়েছে। তাদের সম্মিলিত ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৮৬৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা, যার বড় অংশই ব্যাংক ঋণ।
দলভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিএনপির প্রার্থীদের মধ্যে ঋণগ্রস্তের হার সবচেয়ে বেশি—৫৯.৪১ শতাংশ। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে এই হার ৩২.৭৯ শতাংশ এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থীদের মধ্যে ২৬.৯৭ শতাংশ ঋণগ্রস্ত।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, নারী প্রার্থীদের অংশগ্রহণ এবারও ৫ শতাংশের লক্ষ্যমাত্রা ছুঁতে পারেনি। পেশাগত দিক থেকে প্রার্থীদের ৪৮ শতাংশের বেশি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। আইন পেশা ও শিক্ষকতা পেশা থেকে যথাক্রমে ১২.৬১ ও ১১.৫৬ শতাংশ প্রার্থী এসেছেন। রাজনীতিক হিসেবে নিজেকে পেশাগতভাবে উল্লেখ করেছেন মাত্র ১.৫৬ শতাংশ প্রার্থী।
নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাবেও বড় অঙ্ক উঠে এসেছে প্রতিবেদনে। সব দলের প্রার্থীদের ঘোষিত মোট ব্যয় ৪৬৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা। এতে প্রতি প্রার্থীর গড় ব্যয় দাঁড়ায় প্রায় ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ব্যয়ের দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে বিএনপি, যাদের প্রার্থীদের মোট ব্যয় ১১৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ, ব্যয় ৮০ কোটি ৬০ লাখ টাকা।
এ ছাড়া সম্পদের তুলনামূলক বিশ্লেষণে টিআইবি জানায়, ২৫৯ প্রার্থীর তুলনায় ১১৮ প্রার্থীর স্বামী-স্ত্রী বা নির্ভরশীলদের অস্থাবর সম্পদ বেশি। একইভাবে ১১৮ প্রার্থীর ক্ষেত্রে দালান বা ফ্ল্যাট এবং ১৬৪ প্রার্থীর ক্ষেত্রে জমির পরিমাণ তুলনামূলক বেশি।
আইনগত অবস্থান প্রসঙ্গে প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমানে ৫৩০ জন প্রার্থীর বিরুদ্ধে মামলা চলমান, যা মোট প্রার্থীর ২২.৬৬ শতাংশ। অতীতে মামলা ছিল এমন প্রার্থীর সংখ্যা ৭৪০ জন, যা ৩১.৬৪ শতাংশ।
এমজে/
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের ১ম টি-টোয়েন্টি-দেখুন সরাসরি (LIVE)
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা: দেখুন সবগুলো প্রশ্নের সঠিক সমাধান
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরির সুযোগ, আবেদন শুরু
- বিকালে আসছে ১৯ কোম্পানির ডিভিডেন্ড-ইপিএস
- স্কুলছাত্রী থেকে ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধার সাথে অন্তরঙ্গের পর ভিডিও কুয়েট ছাত্রের
- দর্শন বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. প্রদীপ কুমার রায়ের মৃ’ত্যু
- সকালে না রাতে, কখন গোসল করা স্বাস্থ্যের জন্য বেশি ভালো?
- ৪৭তম বিসিএস ভাইভার সময়সূচি প্রকাশ
- স্কুল-কলেজের প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগ পরীক্ষার ফল আজই
- স্কলারশিপ দিচ্ছে মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়, জেনে নিন আবেদন পদ্ধতি
- বিনিয়োগকারীদের অর্থ সুরক্ষায় কড়াকড়ি, সিএমএসএফে নতুন সিদ্ধান্ত
- দেশে সোনার দামে বড় পতন
- বুলগেরিয়ার আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে নির্বাচিত হলো ঢাবি শিক্ষার্থীর প্রামাণ্যচিত্র
- লন্ডনে বৈশাখী উৎসব ঘিরে ঢাবি অ্যালামনাই ইউকে’র নতুন যাত্রা
- বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে ১০০ ধাপ এগিয়েছে ঢাবি, যৌথভাবে দেশসেরা