ঢাকা, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩
এবারের নির্বাচন হবে ভবিষ্যতের জন্য একটি আদর্শ: প্রধান উপদেষ্টা
নিজস্ব প্রতিবেদক: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আয়োজিত গণভোটকে সামনে রেখে এক উচ্চপর্যায়ের আইনশৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানগণ, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, “১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হবে এবং এই নির্বাচন হবে ভবিষ্যতের জন্য একটি আদর্শ। এটি জাতির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ এবং এই বিশাল কাজটিকে ঐতিহাসিক অর্জন হিসেবে আমাদের দাঁড় করাতে হবে।” তিনি আরও জানান, আজ থেকেই নির্বাচনের ধাপে ধাপে পরীক্ষা শুরু হলো এবং ১২ ফেব্রুয়ারি হবে এর ফাইনাল পরীক্ষা।
নিরাপত্তায় নতুন প্রযুক্তি: বডি ক্যামেরা ও ড্রোন
প্রধান উপদেষ্টা জানান, এবার নির্বাচন স্বচ্ছ করতে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করা হবে। ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা থাকার পাশাপাশি দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের শরীরে থাকবে ‘বডি ক্যামেরা’। কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম থেকে সবকিছু সরাসরি মনিটরিং করা হবে। স্বরাষ্ট্র সচিব নাসিমুল গণি জানান, আগামী ৫ দিনের মধ্যে বডি ক্যামেরাগুলো স্থানীয় পর্যায়ে পৌঁছে যাবে এবং প্রয়োজনে ড্রোন ব্যবহার করা হবে। বাহিনীর সদস্যরা ভোটের ৪ দিন আগে মোতায়েন হবেন এবং ভোটের পর ৭ দিন পর্যন্ত মাঠে থাকবেন।
সশস্ত্র বাহিনী ও আনসারের ভূমিকা
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানান, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা এবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হিসেবে বিবেচিত হবে এবং প্রয়োজনে তারা ভোটকেন্দ্রের ভেতরেও প্রবেশ করতে পারবে। আনসার ও ভিডিপি মহাপরিচালক জানান, প্রিজাইডিং অফিসারের নিরাপত্তা ও এজেন্টদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সশস্ত্র আনসার সদস্যরা কেন্দ্রের ভেতরে অবস্থান করবেন।
অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান জানান, ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্রের ৬২.৪ শতাংশ এবং ৫২ শতাংশ গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। নির্বাচনের সময় জনমনে স্বস্তি নিশ্চিত করতে বাহিনীগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
নির্বাচন ও পর্যবেক্ষক তথ্য
ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানান, নিবন্ধিত ৫৯টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৫১টি দল নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। আজ মধ্যরাত থেকেই প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করতে পারবেন এবং তা চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। নির্বাচনের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ২৬টি দেশের প্রতিনিধিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে প্রায় ৩০০ জনের একটি পর্যবেক্ষক দল আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বৈঠকে বিদ্যুৎ ও আইসিটি উপদেষ্টা যথাক্রমে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং শক্তিশালী মোবাইল ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, “এবার দেশি-বিদেশি অসংখ্য পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক আগ্রহ দেখাচ্ছেন, তাই আমাদের সুপার সিরিয়াস থাকতে হবে।”
এসপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া ম্যাচ কখন, কোথায় দেখবেন সরাসরি
- বাংলাদেশ বনাম মালয়েশিয়া ম্যাচ: Live দেখুন এখানে
- আকিজ গ্রুপে চাকরি, আবেদন ৯ অক্টোবর পর্যন্ত
- ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নতুন উপাচার্যকে প্রত্যাখ্যান শিক্ষার্থীদের
- ঢাবির শহীদুল্লাহ্ হলের শিক্ষার্থী মুরাদের আকস্মিক মৃ/ত্যু
- আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ৭৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৪ সেপ্টেম্বর)
- ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক লুৎফর রহমান
- একসঙ্গে ৬৮ এসিল্যান্ডকে প্রত্যাহার করল সরকার, দেখুন তালিকা
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৫ সেপ্টেম্বর)
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৭ সেপ্টেম্বর)
- প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে দ্বিতীয় দফায় নিয়োগপত্র
- ডিসেম্বরে দেশে ফেরা নিয়ে নতুন ঘোষণা হাসিনার
- মাসিক ১,৪০০ ইউরো স্টাইপেন্ডসহ ইউরোপে মাস্টার্সের সুযোগ
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৬ সেপ্টেম্বর)