ঢাকা, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২

প্রথমবারের মত ঢাবিতে আর্চারি ট্রেইনিং প্রোগ্রাম

২০২৬ জানুয়ারি ০৪ ১৬:০১:৫৪

প্রথমবারের মত ঢাবিতে আর্চারি ট্রেইনিং প্রোগ্রাম

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়াঙ্গনে যুক্ত হলো নতুন এক অধ্যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে আর্চারি ট্রেইনিং প্রোগ্রাম, যা সব শিক্ষার্থীর জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। শনিবার (৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

এই আর্চারি ট্রেইনিং প্রোগ্রামের উদ্যোগ নিয়েছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী ও সর্বশেষ ডাকসু নির্বাচনে ক্রীড়া সম্পাদক পদপ্রার্থী জহিন ফেরদৌস জামি। শিক্ষার্থীদের মধ্যে খেলাধুলার আগ্রহ বাড়ানো এবং ক্যাম্পাসে সুস্থ সংস্কৃতি গড়ে তোলাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)-এর ন্যাশনাল মেডেলিস্ট ও অভিজ্ঞ আর্চারি কোচ মোহাম্মদ আশরাফ। নিয়মিত এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম প্রতি শুক্র ও শনিবার সকাল ৯টা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সেন্ট্রাল ফিল্ডের সুইমিং পুলসংলগ্ন মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস ক্লাবের প্রচারণার অংশ হিসেবে এই ট্রেইনিং প্রোগ্রাম পরিচালিত হচ্ছে বলে জানান আয়োজক জহিন ফেরদৌস জামি। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে ছেলে ও মেয়েদের জন্য আলাদা সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। সকাল ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত মেয়েদের এবং সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত ছেলেদের জন্য প্রশিক্ষণ চলবে।

আর্চারির গুরুত্ব তুলে ধরে জহিন ফেরদৌস জামি বলেন, এই খেলাটি শিক্ষার্থীদের মনোযোগ, ধৈর্য ও মানসিক স্থিরতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি পড়াশোনার চাপ সামলাতে সহায়তা করার পাশাপাশি শারীরিক সক্ষমতা, আত্মবিশ্বাস ও শৃঙ্খলা গড়ে তোলে, যা ভবিষ্যৎ জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

তিনি আরও জানান, প্রশিক্ষণের প্রথম দিনেই শিক্ষার্থীদের অভূতপূর্ব সাড়া পাওয়া গেছে। বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেছে, যা ক্যাম্পাসে নতুন ধরনের ক্রীড়া উদ্যোগের প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহেরই প্রমাণ।

প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী নুজহাত তন্নী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে আর্চারি শেখার সুযোগ পাবেন—এটা তিনি কখনো কল্পনাও করেননি। প্রথম দিন তীর হাতে নেওয়ার সময় কিছুটা নার্ভাস লাগলেও অল্প সময়েই আত্মবিশ্বাস ফিরে পান। বিশেষ করে মেয়েদের জন্য আলাদা সময়সূচি রাখার বিষয়টিকে তিনি অত্যন্ত ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন, যা চাপমুক্ত পরিবেশে শেখার সুযোগ তৈরি করেছে।

ইএইচপি

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত

বিশ্ববিদ্যালয় এর অন্যান্য সংবাদ