ঢাকা, শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫, ৬ পৌষ ১৪৩২

‘তারেক রহমান আসছেন, সঙ্গে আসছে গণতন্ত্রও’

২০২৫ ডিসেম্বর ২০ ১৬:২১:৩৮

‘তারেক রহমান আসছেন, সঙ্গে আসছে গণতন্ত্রও’

নিজস্ব প্রতিবেদক: শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে প্রতিষ্ঠিত এবং দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার তত্ত্বাবধানে বিকশিত গণতন্ত্রকে সঙ্গী করেই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরছেন এমন মন্তব্য করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।

তিনি বলেন, তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন কেবল একজন নেতার ফেরা নয়; এটি গণতন্ত্রের পুনরাগমনের প্রতীক। দেশের জনগণ অধীর আগ্রহে তাকে বরণ করতে প্রস্তুত।

শনিবার (২০ ডিসেম্বর) রাজধানীর গোপীবাগে সাদেক হোসেন খোকা কমিউনিটি সেন্টারে তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে আয়োজিত এক প্রস্তুতিসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মির্জা আব্বাস।

তিনি বলেন, যারা দেশকে ভালোবাসে না এবং দেশের কল্যাণ চায় না, তারা দেখতে মানুষ হলেও প্রকৃতপক্ষে মানুষরূপী শয়তান। ইতিহাসের দিকে তাকালেই দেখা যায় ১৯৪৭ সালে তারা পাকিস্তানের বিরোধিতা করেছে, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের বিরোধিতা করেছে। এরা কখনোই দেশের শান্তি চায় না। কিছুদিন নীরব থাকলেও আবার তাদের নখ ও বিষদাঁত প্রকাশ পায়।

মির্জা আব্বাস বলেন, গণতন্ত্রের সামনে কোনো অগণতান্ত্রিক শক্তি টিকতে পারে না। যারা নানাভাবে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, তাদের সতর্ক হয়ে যেতে হবে। প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে এরা কারা? এরা জাতির শত্রু, এদের প্রতিহত করতেই হবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা একাধিকবার সরকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়েছি। কিন্তু আমাদের সহযোগিতা না নিয়ে বরং দেশবিরোধীদের সঙ্গে চলার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। অগ্নিসন্ত্রাস ও মব সহিংসতার সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোথায় ছিল সে প্রশ্ন আজ জনগণের। উল্টো বিএনপির ওপর দোষ চাপানোর অপচেষ্টা চলছে।

বিএনপির এই নেতা বলেন, বিএনপি এ দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন করেছে। অথচ সেই গণতন্ত্রের নাম ব্যবহার করে একটি মহল মব সৃষ্টি করে জনজীবন দুর্বিষহ করে তুলছে। সরকারকে অবিলম্বে মব সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

তিনি বলেন, বিএনপি কখনো গণতন্ত্র ধ্বংসের রাজনীতি করেনি; বরং গণতন্ত্র রক্ষার লড়াই করেছে। হত্যা, গুম ও মব সন্ত্রাস আমাদের রাজনীতি নয়। তবে এর অর্থ এই নয় যে, আমরা নীরব থাকব। ২০২৪ সালের অধিকার জনগণ রক্ত দিয়ে আদায় করেছে সেই অধিকার কেড়ে নেওয়ার যেকোনো চেষ্টার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য দেন ঢাকা-১০ আসনের মনোনীত প্রার্থী শেখ রবিউল আলম, ঢাকা-৬ আসনের মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন, ঢাকা-৭ আসনের মনোনীত প্রার্থী হামিদুর রহমান হামিদ, ঢাকা-৯ আসনের মনোনীত প্রার্থী হাবিবুর রশিদ হাবিব, ঢাকা-৫ আসনের মনোনীত প্রার্থী নবী উল্লাহ নবীসহ মহানগর দক্ষিণ বিএনপির একাধিক নেতা।

সভা শেষে মির্জা আব্বাস বলেন, শহীদ জিয়া যেভাবে একদলীয় শাসনের অবসান ঘটিয়ে গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছিলেন, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান যেভাবে জনগণের পাশে থেকেছেন ঠিক সেভাবেই এবারও তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র নতুন করে শক্ত ভিত্তি পাবে। জনগণ আজ সেই প্রত্যাবর্তনের অপেক্ষায়।

ইএইচপি

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত