ঢাকা, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

চিত্রনায়কা পপির বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠালেন তারেক

২০২৫ নভেম্বর ২৭ ১২:৫০:২১


চিত্রনায়কা পপির বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠালেন তারেক

বিনোদন ডেস্ক: চিত্রজগতের আলোচিত মুখ সাদিকা পারভিন পপির বিরুদ্ধে এবার আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে মানহানিকর বক্তব্যের অভিযোগে। তার চাচাতো বোনজামাই মো. তারেক আহমেদ চৌধুরী তার বিরুদ্ধে একটি আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইলিয়াছ আলী মণ্ডলের মাধ্যমে বুধবার পপির খুলনা ও ঢাকার ঠিকানায় রেজিস্টার্ড ডাকযোগে এ নোটিশ পাঠানো হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তারেক আহমেদ চৌধুরী নিজেই।

তারেক আহমেদ চৌধুরী জানান, পপি বিভিন্ন সময় তার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও অসত্য তথ্য প্রচার করেছেন, যা তার ব্যক্তিগত ও সামাজিক মর্যাদার জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। তার অভিযোগ, পপির যদি কোনো আপত্তি বা দাবি থেকেও থাকে, তাহলে তা পারিবারিকভাবে আলোচনার মাধ্যমে বা আইনি পথে নির্ধারণ করা যেত। কিন্তু তিনি এসব প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে গণমাধ্যমে বানোয়াট তথ্য ছড়াচ্ছেন। এর আগেও একই ধরনের অভিযোগে তিনি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

নোটিশ পাঠানো আইনজীবী ইলিয়াছ আলী মণ্ডল বলেন, তার মক্কেল ঢাকায় একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সর্বোচ্চ পদে দায়িত্ব পালন করছেন। বৈবাহিক সূত্রে পপির সঙ্গে তারেক আহমেদের আত্মীয়তার সম্পর্ক রয়েছে এবং পপির প্রয়াত চাচা মিয়া কবির হোসেনের জামাতা তিনি।

আইনি নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, একটি সম্পত্তিকে ঘিরে পারিবারিক বিরোধ চলমান রয়েছে, যার মালিক ছিলেন পপির প্রয়াত চাচা। বৈধ হেবা দলিলের মাধ্যমে উক্ত সম্পত্তি তারেক আহমেদ চৌধুরীর স্ত্রী এবং তার মাকে উপহার হিসেবে প্রদান করা হয়, যার ফলে তারাই আইনগতভাবে সম্পত্তির মালিক। ওই সম্পত্তিতে তারেকের কোনো উত্তরাধিকার বা দখল, মালিকানা বা আইনি স্বার্থ নেই বলেও নোটিশে বলা হয়।

নোটিশে আরও অভিযোগ করা হয়, ২১ নভেম্বর প্রচারিত সময় টিভির একটি অনুষ্ঠানে পপি প্রকাশ্যে তারেক আহমেদের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন ও মানহানিকর বক্তব্য দেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, তারেক তাকে নিজের এলাকায় চলাফেরায় বাধা দিচ্ছেন এবং তাকে সম্পত্তির অংশ থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা করছেন। ইলিয়াছ আলী জানান, এসব বিবৃতি তার মক্কেলের পেশাগত অবস্থান ও নৈতিক সুনামকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

পপিকে নোটিশে সতর্ক করে বলা হয়েছে, তিনি অবিলম্বে সকল মানহানিকর বক্তব্য বন্ধ করবেন এবং একই সময় টিভিতে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইবেন ও জানাবেন যে তার অভিযোগ সম্পূর্ণ অসত্য। সাত দিনের মধ্যে এ নির্দেশনা মানা না হলে তার বিরুদ্ধে মানহানি মামলা ও ক্ষতিপূরণের দাবি সহ ফৌজদারি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী ইলিয়াছ আলী মণ্ডল।

ইএইচপি

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত

ফের কমেছেসোনার দাম

ফের কমেছেসোনার দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের স্বর্ণপ্রেমীদের জন্য স্বস্তির খবর এসেছে। আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজার পরিস্থিতির প্রভাবে আবারও সোনার দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে... বিস্তারিত