ঢাকা, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ফের ভারতকে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যদি রাশিয়ার জ্বালানি তেল আমদানি পুরোপুরি বন্ধ না করা হয়, তবে ভারতের ওপর শুল্কের চাপ চালু থাকবে। রবিবার (১৯ অক্টোবর) প্রেসিডেনশিয়াল বিমান এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এই মন্তব্য করেন তিনি। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ খবর প্রকাশ করেছে।
ট্রাম্প বলেন, “আমি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আলোচনা করেছি। রাশিয়ার সঙ্গে তেলের বিষয়টি এখন তিনি আর দেখবেন না বলে আশ্বাস দিয়েছেন।” এর আগে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ভারত রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধে রাজি হয়েছে। তবে দিল্লি এই তথ্য অস্বীকার করেছে। ট্রাম্প পাল্টা বলেন, “যদি তাদের বক্তব্য সত্য হয়, তবে তাদের ব্যাপক শুল্ক দিতে হবে। যা তারা চাইবে না।”
ভোক্তা তথ্য সংস্থা কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, ইউক্রেনের ড্রোন হামলার পর রাশিয়ার রিফাইনারিগুলো তেলের রফতানি বাড়িয়েছে। চলতি মাসে ভারতের রাশিয়ান তেল আমদানি প্রায় ২০ শতাংশ বেড়ে দৈনিক ১৯ লাখ ব্যারেল পৌঁছাতে পারে।
ইউক্রেনে সামরিক সংঘাত শুরু হওয়ার পর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে রাশিয়ার তেল ক্রমেই ভারতীয় বাজারে আসতে শুরু করে। বিশেষ মূল্যছাড়ের কারণে ভারত এই তেলের প্রধান ক্রেতা হিসেবে আবির্ভূত হয়।
মার্কিন প্রশাসনের চোখে ভারতীয় তেল আমদানি একটি চরম বিতর্কিত বিষয়। তেল কেনার বিনিময়ে ভারতীয় পণ্যের ওপর শুল্ক ৫০ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছে। ওয়াশিংটনের যুক্তি, এই তেল ক্রয় ইউক্রেনে চলমান যুদ্ধ চালিয়ে রাখার ক্ষমতা ক্রেমলিনকে দিচ্ছে, ফলে রুশ তেল আমদানিতে জড়িত সবাই যুদ্ধের জন্য দায়িত্বশীল।
তবে ভারতের একজন সরকারি কর্মকর্তা বলেছেন, “ওয়াশিংটন-দিল্লির মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বাণিজ্য আলোচনা চলছে।” তিনি আরও জানান, গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে ভারতের প্রতিনিধি দল দেশে ফিরে এসেছে, তবে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেননি।
ট্রাম্প বুধবার আরও দাবি করেন, মোদির সঙ্গে ফোনালাপের সময় তিনি নিশ্চিত করেছেন যে ভারত শিগগিরই রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করবে। তবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সেই ফোনালাপের কোনো তথ্য তাদের কাছে নেই। ভারতের মূল লক্ষ্য এখনও ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষণ।
একই সঙ্গে, ওয়াশিংটনের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ভারত ইতিমধ্যেই রাশিয়ার তেল আমদানি অর্ধেকে নামিয়েছে। তবে নভেম্বরের জন্য ইতিমধ্যেই অর্ডার দেয়া হওয়ায় দৃশ্যমান প্রভাব ডিসেম্বর বা জানুয়ারিতে লক্ষ্য করা যাবে।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ বনাম সান মারিনো ম্যাচ: সরাসরি দেখা যাবে এখানে LIVE
- বাংলাদেশ বনাম সান মারিনো ফুটবল ম্যাচ, দেখুন একাদশ-দেখার উপায়
- বাংলাদেশ বনাম ভারতের ফুটবল ম্যাচ: সরাসরি দেখুন (LIVE)
- ঢাবি অ্যালামনাই ইউকে শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা
- বাংলাদেশ বনাম সান মারিনোর ম্যাচটি শেষ-দেখুন ফলাফল
- ঢাবি শিক্ষককে বিয়ে করলেন দীপ্তি চৌধুরী
- বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তানের ফুটবল ম্যাচ: এক ক্লিকে সরাসরি দেখুন
- আজ রাত ৮ টায় ভারত বনাম বাংলাদেশের ফুটবল ম্যাচ, কোথায় ও যেভাবে দেখবেন?
- বাংলাদেশ বনাম সান মারিনোম্যাচ: এক ক্লিকে সরাসরি দেখুন এখানে
- আজ বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তান ম্যাচ: সরাসরি দেখবেন যেভাবে
- পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই: ড. নিয়াজ আহমদ
- ঢাবির এসএম হলের নতুন প্রভোস্ট অধ্যাপক আবদুস সালাম
- মাসিক ফি দিয়ে ব্যবহার করতে হবে ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম
- টাইমস হায়ার ও কিউএস র্যাঙ্কিংয়ে ঢাবির জয়জয়কার
- নতুন পে-স্কেলে কার বেতন কত বাড়তে পারে? আলোচনায় দুটি প্রস্তাব