ঢাকা, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩
নির্বাচনকে সামনে রেখে বিশাল কর্মযজ্ঞে নেমেছে ইসি
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এক বিশাল কর্মযজ্ঞ শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহের একটি বড় ধাপ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। টেন্ডারের মাধ্যমে প্রায় ৮০ লাখ ৫ হাজার পিস ব্যাগ, সিল ও ব্যালট বাক্সের লক এবং ২৩ হাজার কেজি লাল গালা ক্রয়ের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এই প্রস্তুতিকে একটি "বিশাল কর্মযজ্ঞ" হিসেবে অভিহিত করে বলেন, "জাতীয় নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় সকল উপকরণ সঠিক সময়ে সংগ্রহ করা আমাদের অন্যতম অগ্রাধিকার। স্বচ্ছতার সঙ্গে টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমরা এই ক্রয়াদেশ চূড়ান্ত করেছি।" তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো আগামী সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময়ে এই বিপুল পরিমাণ নির্বাচনী উপকরণ ইসির কাছে হস্তান্তর করবে।
আট ধরনের উপকরণ সংগ্রহ চলছে
ইসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, মোট আট ধরনের নির্বাচনী উপকরণ সংগ্রহ করা হচ্ছে। এর মধ্যে সাত ধরনের মালামাল তৈরির কাজ ইতোমধ্যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো শুরু করে দিয়েছে। পণ্যের একটি তালিকা নিচে দেওয়া হলো:
- লাল গালা: ২৩ হাজার কেজি
- স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সের লক: ৫০ লাখ পিস
- অফিসিয়াল সিল: ৮ লাখ ৪০ হাজার পিস
- মার্কিং সিল: ১৭ লাখ ৫০ হাজার পিস
- গানি ব্যাগ: ১ লাখ ১৫ হাজার পিস
- হেসিয়ান বড় ব্যাগ: ৭০ হাজার পিস
- হেসিয়ান ছোট ব্যাগ: ১ লাখ ১৫ হাজার পিস
- ব্রাস সিল: ১ লাখ ১৫ হাজার পিস (টেন্ডার পুনরায় আহ্বান)
জানা গেছে, মানসম্মত না হওয়ায় ব্রাস সিলের টেন্ডার এর আগে দুবার বাতিল করা হয়েছে। এটি ক্রয়ের জন্য নতুন করে টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে যা ৫ আগস্ট খোলা হবে।
গুণগত মান ও সময়সীমা নিশ্চিতকরণ
এই বিশাল কেনাকাটা প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী নেওয়াজ বলেন, "ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে মালামাল সরবরাহের জন্য ৫৬ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। আমরা আশা করছি, এই সময়ের মধ্যেই সব উপকরণ হাতে পাব।"
গুণগত মান নিশ্চিত করার বিষয়ে তিনি জানান, "প্রত্যেকটি পণ্যের জন্য আমরা সুনির্দিষ্ট স্পেসিফিকেশন দিয়েছি। সেই অনুযায়ী নমুনা জমা নেওয়া হয়েছে এবং কমিটি তা অনুমোদন করেছে। চূড়ান্তভাবে মালামাল বুঝে নেওয়ার সময় আমরা অনুমোদিত নমুনার সঙ্গে মিলিয়েই নেব।"
এছাড়াও, জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) অমোচনীয় কালি এবং স্ট্যাম্প প্যাড সরবরাহ করে ইসিকে সহযোগিতা করবে বলে তিনি জানান।
তফসিল ও সার্বিক প্রস্তুতি
ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, জাতীয় নির্বাচনকে লক্ষ্য রেখেই সমস্ত প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে এবং প্রধান উপদেষ্টার দেওয়া সময়সীমা অনুযায়ী কাজ এগিয়ে চলছে। তিনি বলেন, "সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের মধ্যে বেশিরভাগ প্রস্তুতি শেষ করা হবে। তবে তফসিল ঘোষণার বিষয়টি একান্তই নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত।"
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- শুধু আইফোনের জন্য নয়, অপ্রতীম হ/ত্যার পেছনে ছিল বিরোধও
- পাভেলকে ঘিরে ফের ভাইরাল পাঁচ মিনিটের ভিডিও
- একাদশ শ্রেণির ভর্তির ফল প্রকাশ আজ, যেভাবে দেখবেন
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি আবেদনের সময় বাড়ল
- সিগারেট নিয়ে নতুন বিধান জারি
- মিছিলের প্রস্তুতিকালে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ১৮ কর্মী আটক
- নতুন পে স্কেলে কোন গ্রেডে কত বেতন, দেখুন এখানে
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ, আবেদন ১২ অক্টোবর পর্যন্ত
- রাস্তার পাশে গাড়ি পার্কিং না করার আহ্বান পরিবহন মালিক সমিতির
- পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ নিয়ে যা জানা গেল
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১৫ সেপ্টেম্বর)
- আরও ৯০ দিন মেয়াদ বাড়ল ডাকসুর
- অপ্রতিম হ/ত্যার রহস্যময় তথ্য উন্মোচন করেছে পুলিশ
- ঢাবির ৬৪ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি
- স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে বাংলাদেশ পোস্ট বেসিক গ্রাজুয়েট নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি স্টুডেন্ট কাউন্সিলের স্মারকলিপি