ঢাকা, শনিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৫, ১৫ ভাদ্র ১৪৩২
উচ্চকক্ষ গঠনে পিআর পদ্ধতির বিপক্ষে বিএনপি, চায় গণভোট
.jpg)
বাংলাদেশে চলমান রাষ্ট্র সংস্কার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ গঠনের আলোচনায় নতুন মোড় নিয়েছে। সংসদের উচ্চকক্ষ গঠনে নীতিগতভাবে সম্মত হলেও এর আসন বণ্টন পদ্ধতি নিয়ে ভিন্নমত পোষণ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটি সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতির তীব্র বিরোধিতা করে সরাসরি নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতিনিধি নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠক শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ দলের এই অবস্থানের কথা সাংবাদিকদের জানান। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কারের লক্ষ্যে গঠিত এই কমিশনের সঙ্গে এটি ছিল বিএনপির দ্বিতীয় পর্বের ১৪তম দিনের বৈঠক।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, "আমরা ১০০ আসনবিশিষ্ট উচ্চকক্ষ গঠনের প্রস্তাবে আংশিকভাবে একমত। তবে এর গঠন পদ্ধতি নিয়ে আমাদের প্রস্তাব ভিন্ন। আমরা বিদ্যমান সংবিধানের আলোকে বলেছি— যেভাবে নারী সংরক্ষিত আসনে প্রতিনিধিরা নির্বাচিত হন, সেভাবেই উচ্চকক্ষেও নির্বাচন হওয়া উচিত।"
বৈঠকে মূলত দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ এবং সংবিধান সংশোধন— এই দুটি প্রধান বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বিএনপি নেতা জানান, উচ্চকক্ষ গঠনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বেশিরভাগ রাজনৈতিক দল একমত হলেও এর নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে দলগুলোর মধ্যে ব্যাপক মতপার্থক্য রয়েছে। এমনকি কয়েকটি দল উচ্চকক্ষের প্রয়োজনীয়তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছে বলে তিনি জানান। সালাউদ্দিন আহমদ বলেন, "আমরা আমাদের আগেই ঘোষিত ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাবের আলোকেই এই প্রস্তাব দিয়েছি, যার মূল লক্ষ্য সমাজের অনগ্রসর জনগোষ্ঠী, জ্ঞানী-গুণী এবং বিশিষ্টজনদের প্রতিনিধিত্ব সংসদে নিশ্চিত করা।"
একইসঙ্গে সংবিধান সংশোধনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও বিএনপি তাদের প্রস্তাব তুলে ধরেছে। দলটি প্রস্তাব করেছে যে, সংবিধানের প্রস্তাবনা, ৮, ৪৮, ১৪২ অনুচ্ছেদ এবং বিলুপ্ত তত্ত্বাবধায়ক সরকার–সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ সংশোধনের পর চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য অবশ্যই গণভোটে যেতে হবে। সালাউদ্দিন আহমদ দাবি করেন, তাদের এই প্রস্তাবটি কমিশন গ্রহণ করেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, উচ্চকক্ষের নির্বাচন পদ্ধতি এবং সংবিধানের অনুচ্ছেদ সংশোধনের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতানৈক্য রাষ্ট্র সংস্কার প্রক্রিয়াকে জটিল করে তুলতে পারে। যদিও কিছু বিষয়ে ঐকমত্য পাওয়া যাচ্ছে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে আরও আলোচনার প্রয়োজন হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- সম্ভাবনার নতুন দিগন্তে শেয়ারবাজারের খান ব্রাদার্স
- মূলধন ঘাটতিতে দুই ব্রোকারেজ হাউজ, ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ
- দুই খবরে আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ শেয়ারের চমক
- চলতি বছর শেয়ারবাজারে আসছে রাষ্ট্রায়াত্ব দুই প্রতিষ্ঠান
- সাকিবের মোনার্কসহ ৮ ব্রোকারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ
- ২৩ আগস্ট : শেয়ারবাজারের সেরা ৮ খবর
- হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে প্রতারণা, বিনিয়োগকারীদের সতর্ক করল ডিএসই
- বিএসইসির নতুন মার্জিন বিধিমালার খসড়া অনুমোদন
- বিমা আইন সংস্কার: বিনিয়োগ ও আস্থায় নতুন দিগন্ত
- তালিকাভুক্ত কোম্পানির ১৫ লাখ শেয়ার কেনার ঘোষণা
- কোম্পানির অস্বাভাবিক শেয়ারদর: ডিএসইর সতর্কবার্তা
- তিন শেয়ারের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধি, ডিএসইর সতর্কবার্তা
- শেয়ারবাজারে রেকর্ড: বছরের সর্বোচ্চ দামে ১৭ কোম্পানি
- শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির পর প্রথম ‘নো ডিভিডেন্ড’
- ব্যাখ্যা শুনতে ডাকা হচ্ছে শেয়ারবাজারের পাঁচ ব্যাংককে